‘আইনান ফীহা- তুছাম্মা- ছালছাবীলা- ।উচ্চারণ
এটি জান্নাতের একটি ঝর্ণা যা সালসাবীল নামে অভিহিত। ২০ তাফহীমুল কুরআন
সেখানকার এমন প্রস্রবণ হতে, যার নাম সালসাবিল।মুফতী তাকী উসমানী
জান্নাতের এমন এক প্রসবণের যার নাম সালসাবীল।মুজিবুর রহমান
এটা জান্নাতস্থিত ‘সালসাবীল’ নামক একটি ঝরণা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের যার নাম সালসাবীল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানকার এক ঝর্ণা যার নাম হবে সালসাবীল।আল-বায়ান
সেখানে আছে একটা ঝর্ণা, যার নাম সালসাবীল।তাইসিরুল
তার মধ্যের একটি ফোয়ারাতে যার নাম দেয়া হয়েছে সাল্সাবীল।মাওলানা জহুরুল হক
২০
আরবরা শরাবের সাথে শুকনো আদা মেশানো পানির সংমিশ্রণ খুব পছন্দ করতো। তাই বলা হয়েছে, সেখানেও তাদের এমন শরাব পরিবেশন করা হবে যাতে শুকনো আদার সংমিশ্রণ থাকবে। কিন্তু তা এমন সংমিশ্রণ হবে না যে, তার মধ্যে শুকনো আদা মিশিয়ে তারপর পানি দেয়া হবে। বরং তা হবে একটা প্রাকৃতিক ঝর্ণাধারা যার মধ্যে, আদার খোশবু থাকবে কিন্তু তিক্ততা থাকবে না। সেজন্য তার নাম হবে “সালসাবীল।” “সালসাবীল” অর্থ এমন পানি যা মিঠা, মৃদু ও সুস্বাদু হওয়ার কারণে সহজেই গলার নীচে নেমে যায়। অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে “সালসাবিল” শব্দটি এখানে উক্ত ঝর্ণাধারার বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষ্য হিসেবে নয়।
১৮. জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের, যার নাম হবে সালসাবীল।(১)
(১) অর্থাৎ তা হবে একটা প্রাকৃতিক ঝর্ণাধারা যার নাম হবে ‘সালসাবীল’৷ এক হাদীসে এসেছে, জনৈক ইয়াহুদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, যখন এ যমীন ও আসমান অন্য কোন যমীন ও আসমান দিয়ে পরিবর্তিত হবে তখন মানুষ কোথায় থাকবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তারা পুলসিরাতের নিকটে অন্ধকারে থাকবে। ইয়াহুদী আবার বলল, কারা সর্বপ্রথম পার হবে? রাসূল বললেন, দরিদ্র মুহাজিরগণ। ইয়াহুদী বলল, জান্নাতে প্রবেশের সময় তাদের উপঢৌকন কি? রাসূল বললেন, মাছের পেটের কলিজা, ইয়াহুদী বলল, এরপর কি খাওয়ানো হবে? রাসূল বললেন, জান্নাতের একটি ষাঁড় তাদের জন্য জবাই করা হবে তারা তার অংশ থেকে খাবে। ইয়াহুদী বলল, তাদের পানীয় কি হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, একটি ঝর্ণাধারা থেকে যার নাম হবে সালসাবীল। মুসলিম: ৩১৫)
(১৮) জান্নাতের এমন এক ঝরণার, যার নাম ‘সালসাবীল’। (1)
(1) অর্থাৎ, এমন শুঁঠ মিশ্রিত শারাবেরও ঝর্ণা হবে, যার নাম হবে ‘সালসাবীল’।