فَمِنۡهُم مَّنۡ ءَامَنَ بِهِۦ وَمِنۡهُم مَّن صَدَّ عَنۡهُۚ وَكَفَىٰ بِجَهَنَّمَ سَعِيرًا

ফামিনহুম মান আমানা বিহী ওয়া মিনহুম মান সাদ্দা ‘আনহু ওয়া কাফা-বিজাহান্নামা ছা‘ঈর-।উচ্চারণ

কিন্তু তাদের মধ্য থেকে কেউ এর ওপর ঈমান এনেছে আবার কেউ এর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ৮৭ তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং তাদের মধ্যে কতক তো তার প্রতি ঈমান আনে এবং কতক তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। (ওই কাফিরদের সাজা দেওয়ার জন্য) জ্বলন্ত আগুনরূপে জাহান্নামই যথেষ্ট।মুফতী তাকী উসমানী

অনন্তর তাদের মধ্যে অনেকে ওর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং অনেকেই ওটা হতে বিরত রয়েছে; এবং (তাদের জন্য) শিখা বিশিষ্ট জাহান্নামই যথেষ্ট।মুজিবুর রহমান

অতঃপর তাদের কেউ তাকে মান্য করেছে আবার কেউ তার কাছ থেকে দূরে সরে রয়েছে। বস্তুতঃ (তাদের জন্য) দোযখের শিখায়িত আগুনই যথেষ্ট।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর তাদের কতক এতে বিশ্বাস করেছিল আর কতক তা হতে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল; দগ্ধ করার জন্যে জাহান্নামই যথেষ্ট। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদের অনেকে এর প্রতি ঈমান এনেছে এবং অনেকে এ থেকে বিরত থেকেছে। আর দগ্ধকারী হিসেবে জাহান্নামই যথেষ্ট।আল-বায়ান

অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার উপর ঈমান আনল এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখল, (দগ্ধ করার জন্য) প্রজ্জ্বলিত জাহান্নামই যথেষ্ট।তাইসিরুল

অতএব তাদের মধ্যে আছে সে যে তাঁর প্রতি ঈমান এনেছে, আবার তাদের মধ্যে সেও আছে যে তাঁর থেকে ফিরে যায়। আর জ্বলন্ত আগুনরূপে জাহান্নামই যথেষ্ট।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৮৭

মনে রাখতে হবে, এখানে বনী ইসরাঈলদের হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের জবাব দেয়া হচ্ছে। এই জবাবের অর্থ হচ্ছে, তোমরা হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরছো কেন? তোমরাও ইবরাহীমের সন্তান। আর এই বনী ইসরাঈলরাও তো ইবরাহীমের সন্তান। দুনিয়ার নেতৃত্ব দানের জন্য ইবরাহীমের কাছে আমি যে ওয়াদা করেছিলাম তা ইবরাহীম সন্তানদের মধ্য থেকে কেবল মাত্র তাদের জন্য ছিল যারা আমার প্রদত্ত কিতাব ও হিকমত তথা শরীয়াত বিধান মেনে চলবে। এই কিতাব ও হিকমত প্রথমে আমি তোমাদের কাছে পাঠিয়ে ছিলাম। কিন্তু নিজেদের নির্বুদ্ধিতার জন্য তোমরা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছো। এখন সেই জিনিসটি আমি বনী ইসমাঈলকে দিয়েছি। তারা এর ওপর ঈমান এনেছে, এটি তাদের সৌভাগ্য।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৫. অতঃপর তাদের কিছু সংখ্যক তাতে ঈমান এনেছিল এবং কিছু সংখ্যক তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল(১); আর দগ্ধ করার জন্য জাহান্নামই যথেষ্ট।

(১) মুজাহিদ বলেন, অর্থাৎ তাদের মধ্যে কেউ কেউ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর ঈমান এনেছিল। আর কেউ কেউ রাসূলের পথ থেকে মানুষকে বিরত রাখছিল। (আত-তাফসীরুস সহীহ)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৫) অতঃপর তাদের কিছু লোক তাতে বিশ্বাস করেছে এবং কিছু তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। (1) বস্তুতঃ দগ্ধ করার জন্য জাহান্নামই যথেষ্ট।

(1) অর্থাৎ, ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশধর বানী-ইস্রাঈলদেরকে আমি নবুঅত এবং বিশাল রাজত্ব ও বাদশাহীও দিয়েছি। তা সত্ত্বেও ইয়াহুদীদের সমস্ত লোক তাঁদের উপর ঈমান আনেনি। কিছু লোক ঈমান এনেছিল এবং কিছু লোক ঈমান আনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। অর্থাৎ, হে মুহাম্মাদ! এদের আপনার নবুঅতের উপর ঈমান না আনা কোন নতুন কথা নয়। ওদের ইতিহাস তো নবীদেরকে মিথ্যাজ্ঞান করায় পরিপূর্ণ; এমন কি নিজেদের বংশোদ্ভূত নবীদের উপরও ঈমান আনেনি। কেউ কেউ آمَنَ بِهِ তে ‘হি’ সর্বনাম থেকে নবী করীম (সাঃ)-কে বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ, এই ইয়াহুদীদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক মানুষ নবী করীম (সাঃ)-এর উপর ঈমান এনেছে এবং কিছু সংখ্যক মানুষ অস্বীকার করেছে। নবুঅতের এই অস্বীকারকারীদের পরিণাম হল জাহান্নাম।