إِلَّا مَنِ ٱرۡتَضَىٰ مِن رَّسُولٖ فَإِنَّهُۥ يَسۡلُكُ مِنۢ بَيۡنِ يَدَيۡهِ وَمِنۡ خَلۡفِهِۦ رَصَدٗا

ইল্লা-মানিরতাদা-মিররছূলিন ফাইন্নাহূইয়াছলুকুমিম বাইনি ইয়াদাইহি ওয়া মিন খালফিহী রসাদা- ।উচ্চারণ

তবে যে রসূলকে (গায়েবী বিষয়ের কোন জ্ঞান দেয়ার জন্য) মনোনীত করেছেন ২৭ তাকে ছাড়া। তিনি তার সামনে ও পেছনে প্রহরী নিয়োজিত করেন। ২৮ তাফহীমুল কুরআন

তিনি যাকে (এ কাজের জন্য) মনোনীত করেছেন সেই রাসূল ছাড়া। #%১৪%# এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সেই রাসূলের সামনে ও পেছনে কিছু প্রহরী নিযুক্ত করেন।মুফতী তাকী উসমানী

তাঁর মনোনীত রাসূল ব্যতীত। সেক্ষেত্রে আল্লাহ রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন,মুজিবুর রহমান

তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেনমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তাঁর মনোনীত রাসূল ব্যতীত। সেই ক্ষেত্রে আল্লাহ্ রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাঁর মনোনীত রাসূল ছাড়া। আর তিনি তখন তার সামনে ও তার পিছনে প্রহরী নিযুক্ত করবেন।আল-বায়ান

তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। কেননা তিনি তখন তাঁর রসূলের আগে-পিছে পাহারাদার নিযুক্ত করেন।তাইসিরুল

রসূলের মধ্যে যাঁকে তিনি মনোনয়ন করেছেন তাঁকে ব্যতীত, সেজন্য নিশ্চয় তিনি তাঁর সামনে ও তাঁর পেছনে প্রহরী নিয়োজিত করেন,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৭

অর্থাৎ রসূল নিজে “আলেমুল গায়েব” বা গায়েবী বিষয়ে জ্ঞানের অধিকারী নন। বরং আল্লাহ‌ তা’আলা যখন তাকে রিসালাতের দায়িত্ব আঞ্জাম দেয়ার জন্য মনোনীত করেন তখন তিনি ইচ্ছামত তাঁকে অদৃশ্য বস্তুসমূহের জ্ঞান দান করেন।

২৮

প্রহরী মানে ফেরেশতা। অর্থাৎ আল্লাহ‌ তা’আলা যখন অহীর মাধ্যমে গায়েবী বিষয়ের গভীর জ্ঞান ও তাৎপর্য তাঁর রসূলের কাছে পাঠান তখন তার রক্ষণাবেক্ষণ ও পাহারাদারীর জন্য সবখানে ফেরেশতা মোতায়েন করেন। যাতে সে জ্ঞানটি অত্যন্ত সুরক্ষিত পন্থায় রসূলের কাছে পৌঁছতে পারে এবং তার মধ্যে বাইরের কোন কিছু সংমিশ্রত হতে না পারে। ওপরে ৮ও ৯ নং আয়াতে একথাটিই বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াত প্রাপ্তির পর জ্বীনরা দেখলো তাদের ঊর্ধ্ব জগতে প্রবেশের সব পথ বন্ধ। তারা দেখলো সব জায়গায় কঠোর প্রহরা বসানো হয়েছে যার কারণে ছিটে ফোঁটা কিছু আভাস লাভের সুযোগও তাদের নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

আল্লাহ তাআলা ছাড়া আলিমুল গায়েব বা অদৃশ্যের জ্ঞাতা আর কেউ নেই। তবে তিনি তাঁর নবী-রাসূলগণের মধ্যে যাকে ইচ্ছা করেন ওহীর মাধ্যমে গায়েবের সংবাদ দান করেন। এরূপ ক্ষেত্রে ফেরেশতাগণকে সেই ওহীর পাহারাদার করে পাঠানো হয়, যাতে শয়তান তাতে কোন রকমের হস্তক্ষেপ করতে না পারে।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৭. তার মনোনীত রাসূল ছাড়া। সে ক্ষেত্রে আল্লাহ তাঁর রাসূলের সামনে এবং পিছনে প্রহরী নিয়োজিত করেন(১),

(১) অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা যখন অহীর মাধ্যমে গায়েবী বিষয়ের কোন জ্ঞান তার হেকমত অনুসারে তাঁর রাসূলের কাছে পাঠান তখন তার রক্ষণাবেক্ষণ ও পাহারাদারীর জন্য চারপাশে প্রহরী মোতায়েন করেন। (সা’দী) আর এখানে প্রহরী বলতে ফেরেশতা উদ্দেশ্য। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৭) তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত।(1) সেই ক্ষেত্রে তিনি রসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন। (2)

(1) অর্থাৎ, তাঁর পয়গম্বরকে কোন কোন এমন অদৃশ্য বিষয় সম্বন্ধে জ্ঞাত করিয়ে দেন, যার সম্পর্ক তাঁর নবুঅতের দায়িত্বের সাথে থাকে অথবা তা তাঁর নবুঅত সত্য হওয়ার দলীল হয়। আর আল্লাহর জানিয়ে দেওয়াতে পয়গম্বর ‘আ-লিমুল গায়ব’ হতে পারেন না। কেননা, পয়গম্বর নিজেই যদি অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাতা হন, তাহলে তাঁকে আল্লাহর জানিয়ে দেওয়ার কোন অর্থ হয় না। মহান আল্লাহ যে সময় অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে কোন রসূলকে অবগত করেন, সেই সময়ের পূর্বে এ বিষয়ে রসূলের কোন কিছুই জানা থাকে না। অতএব কেবল আল্লাহর সত্তাই অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাতা। এই বিষয়টাকেই এখানে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

(2) অর্থাৎ, অহী অবতীর্ণ হওয়ার সময় পয়গম্বরের আগে-পিছে ফিরিশতাগণ থাকেন। তাঁরা শয়তান এবং জ্বিনদেরকে অহীর বাণী শোনা হতে বিরত রাখেন।