আম লাহুম নাসীবুম মিনাল মুলকি ফাইযাল্লা-ইউ’তূনান্না-ছা নাকীর-।উচ্চারণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের কোন অংশ আছে কি? যদি তাই হতো, তাহলে তারা অন্যদেরকে একটি কানাকড়িও দিতো না। ৮৪ তাফহীমুল কুরআন
তবে কি (বিশ্ব-জগতের) সার্বভৌমত্বে তাদের কোন অংশ আছে? যদি তাই হত, তবে তারা মানুষকে খেজুর-বীচির আবরণ পরিমাণও কিছু দিত না। #%৪৪%#মুফতী তাকী উসমানী
তাহলে কি রাজত্বে তাদের কোন অংশ রয়েছে? বস্তুতঃ তখন তারা লোকদেরকে কণা পরিমাণও প্রদান করবেনা।মুজিবুর রহমান
তাদের কাছে কি রাজ্যের কোন অংশ আছে? তাহলে যে এরা কাউকেও একটি তিল পরিমাণও দেবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তবে কি রাজশক্তিতে তাদের কোন অংশ আছে ? সে ক্ষেত্রেও তো তারা কাউকেও এক কপর্দক ও দিবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তবে কি তাদের জন্য রাজত্বে কোন অংশ আছে? তাহলে তখনতো তারা মানুষকে খেজুরবীচির উপরের আবরণ পরিমাণও কিছু দেবে না।আল-বায়ান
তাদের কি শাসন ক্ষমতায় কোন অংশ আছে? তা থাকলে তারা লোকেদেরকে তিল পরিমাণও দিত না।তাইসিরুল
অথবা, তাদের কি কোনো ভাগ আছে সাম্রাজ্যে? তবে কিন্তু তারা লোকজনকে দিত না খেজুর বিচির খোসাটুকুও।মাওলানা জহুরুল হক
৮৪
অর্থাৎ কে সত্য পথে আছে আর কে সত্য পথে নেই, একথা বলার ক্ষমতা তারা কোথায় থেকে পেলো? আল্লাহর রাজত্বের কোন অংশ কি তাদের অধিকারে এসেছে? যদি এমন হতো, তাহলে অন্যেরা তাদের হাত থেকে একটি কানাকড়িও পেতো না। কারণ তাদের মন বড়ই সংকীর্ণ, সত্যের স্বীকৃতিটুকু পর্যন্ত দিতেও তারা অপরাগ। এর দ্বিতীয় অর্থ এই হতে পারেঃ তাদের হাতে কি কোন দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা আছে যে, অন্যেরা তাতে অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছে এবং তারা ওদেরকে তা থেকে কিছুই দিতে চায় না? এখানে নিছক অধিকারের স্বীকৃতির প্রশ্ন ওঠে। আর এ ব্যাপারেও তারা কার্পণ্য করছে।
মুসলিমদের প্রতি ইয়াহুদীদের ঈর্ষা ও বিদ্বেষের কারণ কী? কুরআন মাজীদ এ সম্পর্কে বলছে যে, তাদের আশা ছিল পূর্বেকার বহু নবী-রাসূল যেমন বনী ইসরাঈলের মধ্য থেকে হয়েছেন, তেমনি সর্বশেষ নবীও তাদের খান্দানেই জন্ম নেবেন। কিন্তু মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামের বংশে জন্ম নিলেন, তখন তারা ঈর্ষাতুর হয়ে পড়ল। অথচ নবুওয়াত, খিলাফত ও হুকুমত আল্লাহ তাআলার এক অনুগ্রহ। তিনি যখন যাকে সমীচীন মনে করেন এ অনুগ্রহে ভূষিত করেন। কোনও লোক এতে আপত্তি করলে সে যেন দাবী করছে, বিশ্ব-জগতের রাজত্ব তার হাতে। নিজ পছন্দমত নবী মনোনীত করার এখতিয়ার তারই। আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে ইরশাদ করেছেন, রাজত্ব যদি কখনও তাদের হাতে যেত, তবে তারা এতটা কার্পণ্য করত যে, কাউকে কণা পরিমাণও কিছু দিত না।
৫৩. তবে কি রাজশক্তিতে তাদের কোন অংশ আছে? সে ক্ষেত্রেও তো তারা কাউকে এক কপর্কও দেবে না(১)।
(১) ইবনে আব্বাস বলেন, খেজুরের দানার উপরে বিন্দুর মত যে ছিদ্র থাকে তাকেই আরবীতে نقير নাকীর’ বলা হয়। (তাবারী) মোটকথা: সামান্যতম জিনিস বোঝানোর জন্যই এ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
(৫৩) তবে কি (আল্লাহর) রাজ্যে তাদের কোন অংশ আছে? (যদি থাকত) তাহলে তো তারা লোককে (খেজুরের আঁটির পিঠে) বিন্দু পরিমাণও দান করত না। (1)
(1) এখানে জিজ্ঞাসাসূচক বাক্যটি অস্বীকৃতিসূচক। অর্থাৎ, তাঁর রাজ্যে তাদের কোন অংশ নেই। এতে তাদের কোন অংশ থাকলে এই ইয়াহুদীরা এত কৃপণ কেন যে, তারা মানুষকে বিশেষ করে মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে একটি ‘নাক্বীর’ পরিমাণও কিছু দেয় না। আর نَقِيْرٌ (নাক্বীর) বলা হয় খেজুরের আঁটির পিঠের বিন্দুকে। (ইবনে কাসীর)