ওয়া আন্না-মিন্নাসসা-লিহূনা ওয়া মিন্না-দূ না যা-লিকা কুন্না-তারইকা কিদাদা- ।উচ্চারণ
আর আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক লোক আছে নেককার আর কিছু লোক আছে তার চেয়ে নীচু পর্যায়ের। এভাবে আমরা বিভিন্ন মতে বিভক্ত ১১ ছিলাম। তাফহীমুল কুরআন
এবং আমাদের মধ্যে কতক নেককার এবং কতক সে রকম নয়। আর আমরা বিভিন্ন পথের অনুসারী ছিলাম। মুফতী তাকী উসমানী
এবং আমাদের কতক সৎ কর্মপরায়ণ এবং কতক এর ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী;মুজিবুর রহমান
আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক এটার ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী;ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের কতিপয় সৎকর্মশীল এবং কতিপয় এর ব্যতিক্রম। আমরা ছিলাম বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত’।আল-বায়ান
আর আমাদের কিছু সংখ্যক সৎকর্মশীল, আর কতক এমন নয়, আমরা ছিলাম বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত।তাইসিরুল
'আর নিশ্চয় আমাদের কেউ-কেউ সৎপথাবলন্বী আর আমাদের অন্যেরা এর বিপরীত। আমরা বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্ন পন্থী;মাওলানা জহুরুল হক
১১
অর্থাৎ আমাদের মধ্যে নৈতিক চরিত্রের দিক থেকেও ভাল ও মন্দ দু’প্রকারের জিন আছে এবং আকীদা-বিশ্বাসের দিক থেকেও মত ও পথ একটি নয়। এক্ষেত্রেও আমরা বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠীতে বিভক্ত। একথা বলে ঈমান আনয়নকারী এসব জিন নিজ জাতির জিনদের বুঝাতে চাচ্ছিল যে, নিঃসন্দেহে আমরা সত্য ও সঠিক পথ খুঁজে বের করার মুখাপেক্ষী। এর প্রয়োজনীয়তা আমরা অস্বীকার করতে পারি না।
অর্থাৎ জিনদের মধ্যে কতক তো স্বভাবগতভাবেই ভালো ছিল। সত্য কথা মেনে নেওয়ার যোগ্যতা ও প্রবণতা তাদের মধ্যে ছিল। আবার কতক ছিল দুষ্ট প্রকৃতির। তাছাড়া জিনদের সকলের ধর্মও এক ছিল না। তাদের মধ্যেও বিভিন্ন আকীদার লোক ছিল। কাজেই আমাদের সকলের আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে পথ-নির্দেশের প্রয়োজন ছিল। সে প্রয়োজনই মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমন দ্বারা পূর্ণ হয়েছে।
১১. এও যে, আমাদের কিছু সংখ্যক সৎকর্মপরায়ণ এবং কিছু সংখ্যক এর ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী(১);
(১) অর্থাৎ আমাদের মধ্যে নৈতিক চরিত্রের দিক থেকেও ভাল ও মন্দ দু' প্রকারের জিন আছে এবং আকীদা-বিশ্বাসের দিক থেকেও মত ও পথ একটি নয়। এ ক্ষেত্রেও আমরা বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠীতে বিভক্ত। (সা’দী)
(১১) এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক এর ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী। (1)
(1) قِدَدٌ অর্থ কোন বস্তুর খন্ড। صَارَ القَوْمُ قِدَدًا ঐ সময় বলা হয়, যখন তাদের অবস্থা এক অপর থেকে ভিন্ন (খন্ড-খন্ড) হয়। অর্থাৎ, আমরা বিভিন্ন দলে এবং বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত হয়ে আছি। অর্থাৎ, জ্বিনদের মধ্যেও মুসলিম, কাফের, ইয়াহুদী ও অগ্নিপূজক ইত্যাদি রয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, এদের মধ্যেও মুসলিমদের মত ক্বাদারিয়াহ, মুরজিয়াহ, এবং রাফেযাহ ইত্যাদি ফির্কা রয়েছে। (ফাতহুল ক্বাদীর)