ওয়া আন্না- জানান্নাআল্লান তাকূলাল ইনছুওয়াল জিন্নু‘আলাল্লা-হি কাযিবা- ।উচ্চারণ
আর “আমরা মনে করেছিলাম যে, মানুষ এবং জিন আল্লাহর সম্বন্ধে কখনো মিথ্যা বলতে পারে না।” ৬ তাফহীমুল কুরআন
এবং আমরা মনে করেছিলাম মানুষ ও জিন আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলবে না। মুফতী তাকী উসমানী
অথচ আমরা মনে করতাম মানুষ এবং জিন, আল্লাহ সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করবেনা।মুজিবুর রহমান
অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও আল্লাহ তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘অথচ আমরা মনে করতাম মানুষ এবং জিন আল্লাহ্ সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অথচ আমরা তো ধারণা করতাম যে, মানুষ ও জিন কখনো আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা আরোপ করবে না’।আল-বায়ান
আর আমরা ধারণা করতাম যে, মানুষ ও জ্বিন আল্লাহ সম্পর্কে কক্ষনো মিথ্যে কথা বলবে না।তাইসিরুল
'আর এই যে আমরা ভেবেছিলাম যে মানুষ ও জিন আল্লাহ্ সন্বন্ধে কখনো মিথ্যাকথা বলবে না’,মাওলানা জহুরুল হক
৬
অর্থাৎ তাদের ভ্রান্ত কথাবার্তা দ্বারা আমাদের বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ হলো, আমরা কোন সময় চিন্তাও করতে পারিনি যে, মানুষ কিংবা জিন আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলার দুঃসাহসও করতে পারে কিন্তু এখন এ কুরআন শুনে আমরা জানতে পেরেছি যে, প্রকৃত পক্ষে তারা ছিল মিথ্যাবাদী।
অর্থাৎ এ পর্যন্ত আমরা যেসব ভ্রান্ত বিশ্বাস পোষণ করতাম তার কারণ ছিল এই যে, সমস্ত মানুষ ও জিন জাতির বিশ্বাসও এ রকমই ছিল। আমাদের মনে হয়েছিল এতসব লোক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বিশ্বাস পোষণ করতে পারে না। কাজেই তাদের অনুসরণে আমরাও একই বিশ্বাস গ্রহণ করে নিয়েছিলাম।
৫. অথচ আমরা মনে করতাম মানুষ এবং জিন আল্লাহ সম্পর্কে কখনো মিথ্যা বলবে না।
(৫) অথচ আমরা মনে করতাম যে, মানুষ এবং জ্বিন আল্লাহ সম্বন্ধে কখনো মিথ্যা আরোপ করবে না। (1)
(1) এই জন্যই আমরা তাদের কথা সত্য বলে বিশ্বাস করে এসেছি এবং আল্লাহর ব্যাপারে এই আকীদা পোষণ করেছি। অতঃপর যখন আমরা কুরআন শুনলাম, তখন আমাদের কাছে এই আকীদা ও বিশ্বাসের ভ্রান্ত হওয়ার কথা পরিষ্কার হয়ে গেল।