ওয়া আন্নাহূতা‘আ- জাদ্দুরব্বিনা- মাত্তাখাযা সা-হিবাতাওঁ ওয়ালা- ওয়ালাদা- ।উচ্চারণ
আর “আমাদের রবের মর্যাদা অতীব সমুচ্চ। তিনি কাউকে স্ত্রী কিংবা সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেননি।” ৪ তাফহীমুল কুরআন
এবং এই (বিশ্বাস করেছি) যে, আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুচ্চ। তিনি কোন স্ত্রী গ্রহণ করেননি এবং কোন সন্তানও নয়।মুফতী তাকী উসমানী
এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের রবের মর্যাদা; তিনি গ্রহণ করেননি কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান।মুজিবুর রহমান
এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা ; তিনি গ্রহণ করেন নাই কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের রবের মর্যাদা সমুচ্চ। তিনি কোন সংগিনী গ্রহণ করেননি এবং না কোন সন্তান’।আল-বায়ান
আর আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা অতি উচ্চ, তিনি গ্রহণ করেননি কোন স্ত্রী আর কোন সন্তান।তাইসিরুল
'আর তিনি, -- সুউন্নত হোক আমাদের প্রভুর মহিমা, -- তিনি কোনো সহচরী গ্রহণ করেন নি, আর না কোনো সন্তান,মাওলানা জহুরুল হক
৪
এখান থেকে দু’টি বিষয় জানা গেল। এ জিনগুলো হয় ঈসায়ী বা খৃষ্ট ধর্মের অনুসারী ছিল অথবা অন্য এমন কোন ধর্মের অনুসারী ছিল যে ধর্মে মহান আল্লাহর স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে আছে বলে বিশ্বাস করা হতো। দুই, সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযের মধ্যে পবিত্র কুরআনের এমন কোন অংশ তিলাওয়াত করছিলেন যা শুনে তাদের কাছে নিজেদের আকীদার ভ্রান্তি ধরা পড়েছিল এবং তারা বুঝতে পেরেছিল যে, মহান আল্লাহর সমুন্নত ও অতি মর্যাদাবান সত্তার সাথে স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে সম্পর্কিত করা চরম অজ্ঞতা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ।
৩. আর নিশ্চয়ই আমাদের রবের মর্যাদা সমুচ্চ(১); তিনি গ্ৰহণ করেননি কোন সঙ্গিনী এবং না কোন সন্তান।
(১) جدّ শব্দের অর্থ শান অবস্থা, মান-মর্যাদা। আল্লাহ তা'আলার জন্যে বলা হয় وتعالى جدّه অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলার শান, মান-মর্যাদা, অনেক ঊর্ধ্বে। (কুরতুবী)
(৩) এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা; তিনি গ্রহণ করেননি কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান। (1)
(1) جَدٌّ এর অর্থ হল, মর্যাদা, মাহাত্ম্য, ঐশ্বর্য। অর্থাৎ, আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা এ থেকে অনেক ঊর্ধ্বে যে, তাঁর সন্তান-সন্ততি ও স্ত্রী থাকবে। অর্থাৎ, জ্বিনরা সেই মুশরিকদের কথাকে ভুল সাব্যস্ত করল, যারা আল্লাহর সাথে স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততির সম্পর্ক স্থাপন করত। জ্বিনরা এই উভয় দুর্বলতা থেকে প্রতিপালকের পবিত্রতার ঘোষণা করল।