ওয়া মাকারূ মাকরন কুব্বা-র- ।উচ্চারণ
এসব লোক সাংঘাতিক ষড়যন্ত্র-জাল বিস্তার করে রেখেছে। ১৬ তাফহীমুল কুরআন
এবং তারা অনেক বড়-বড় ষড়যন্ত্র করেছে। মুফতী তাকী উসমানী
তারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছিল।মুজিবুর রহমান
আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর এরা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছিল; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর তারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছে’।আল-বায়ান
আর তারা ষড়যন্ত্র করেছিল সাংঘাতিক ষড়যন্ত্র।তাইসিরুল
আর তারা এক বিরাট ষড়যন্ত্র এটেছিলঁ।মাওলানা জহুরুল হক
১৬
ষড়যন্ত্রের অর্থ হলো জাতির লোকদের সাথে নেতাদের ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা। নেতারা জাতির লোকদের হযরত নূহ আলাইহিস সালামের শিক্ষার বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করার চেষ্টা করতো। যেমন, তারা বলতোঃ “নূহ তো তোমাদের মতই একজন মানুষ। আল্লাহর কাছ থেকে তাঁর কাছে অহী এসেছে তা কি করে মেনে নেয়া যায়?” (সূরা আ’রাফ ৬৩; হূদ-২৭) “আমাদের নিম্ন শ্রেণীর লোকেরা না বুঝে শুনে নূহের আনুগত্য করছে। তাঁর কথা যদি সত্যিই মূল্যবান হতো তাহলে জাতির নেতা ও জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিবর্গ তাঁর প্রতি বিশ্বাস পোষণ করতো।” (হূদ-২৭) “আল্লাহ যদি পাঠাতেই চাইতেন তাহলে কোন ফেরেশতা পাঠাতেন।” (আল মু’মিনূন, ২৪) এ ব্যক্তি যদি আল্লাহর প্রেরিত রসূল হতেন, তাহলে তাঁর কাছে সবকিছুর ভাণ্ডার থাকতো, তিনি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানতেন এবং ফেরেশতাদের মত সব রকম মানবীয় প্রয়োজন ও অভাব থেকে মুক্ত হতেন। (সূরা হূদ, ৩১) নূহ এবং তাঁর অনুসারীদের এমন কি অলৌকিকত্ব আছে যার জন্য তাঁদের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নিতে হবে? (হূদ, ২৭) এ ব্যক্তি আসলে তোমাদের মধ্যে তাঁর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। (আল মু’মিনূন, ২৫) প্রায় এ রকম কথা বলেই কুরাইশ নেতারা লোকদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত করতো।
ইশারা সেই সব ষড়যন্ত্রের দিকে, যা হযরত নূহ আলাইহিস সালামের শত্রুগণ তাঁর বিরুদ্ধে চালাচ্ছিল।
২২. আর তারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছে(১);
(১) ষড়যন্ত্রের অর্থ হলো জাতির লোকদের সাথে নেতাদের ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা। নেতারা জাতির লোকদের নূহ আলাইহিস সালামের শিক্ষার বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করার চেষ্টা করতো। যেমন, তারা বলতো “তোমরা কি আশ্চর্য হচ্ছো যে, তোমাদের মতই একজন মানুষের নিকট তোমাদের রবের কাছ থেকে বাণী এসেছে?” (সূরা আল-আ'রাফ: ৬৩) “আমাদের নিম্ন শ্রেণীর লোকেরা না বুঝে শুনে নূহের আনুগত্য করছে। তার কথা যদি সত্যিই মূল্যবান হতো তাহলে জাতির নেতা ও জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিবর্গ তার প্রতি বিশ্বাস পোষণ করতো।” (হূদ-২৭) “আল্লাহ যদি পাঠাতেই চাইতেন তাহলে কোন ফেরেশতা পাঠাতেন।” (সূরা আল-মু'মিনুনঃ ২৪) এ ব্যক্তি যদি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল হতেন, তাহলে তার কাছে সবকিছুর ভাণ্ডার থাকতো, তিনি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানতেন এবং ফেরেশতাদের মত সব রকম মানবীয় প্রয়োজন ও অভাব থেকে মুক্ত হতেন। (সূরা হূদঃ ৩১) নূহ এবং তার অনুসারীদের এমন কি অলৌকিকত্ব আছে যার জন্য তাদের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নিতে হবে? এ ব্যক্তি আসলে তোমাদের মধ্যে তার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। (সূরা আল-মুমিনুন: ২৫) প্ৰায় এ রকম কথা বলেই কুরাইশ নেতারা লোকদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত করতো।
(২২) আর তারা বড় রকমের ষড়যন্ত্র করেছে। (1)
(1) এই ষড়যন্ত্র কি ছিল? কেউ কেউ বলেন, (ষড়যন্ত্র হল) তাদের কিছু লোককে নূহ (আঃ)-কে হত্যা করার ব্যাপারে প্ররোচিত করা। কেউ কেউ বলেন, মাল-ধন ও সন্তান-সন্ততির কারণে তাদের আত্মবঞ্চনার শিকার হওয়া। এমন কি কেউ কেউ বলল যে, যদি তারা হকপন্থী না হত, তাহলে তারা এই নিয়ামত কিভাবে পেত? আবার কারো নিকট (ষড়যন্ত্র বলতে,) তাদের বড়দের এ কথা বলা যে, তোমরা নিজেদের উপাস্যের উপাসনা ত্যাগ করবে না। পক্ষান্তরে অনেকের নিকট তাদের কুফরীই ছিল বড় ষড়যন্ত্র।