ইউবাসসারূনাহুম ইয়াওয়াদ্দুল মুজরিমুলাও ইয়াফতাদী মিন ‘আযা- বি ইয়াওমিইযিম ব্বিানীহ।উচ্চারণ
অথচ তাদেরকে পরস্পরে দৃষ্টি সীমার মধ্যে রাখা হবে। ১১ অপরাধী সেদিনের আযাব থেকে মুক্তির বিনিময়ে তার সন্তান-সন্ততিকে, তাফহীমুল কুরআন
অথচ তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচর করে দেওয়া হবে। অপরাধী সে দিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য তার পুত্রকে মুক্তিপণ হিসেবে দিতে চাবে।মুফতী তাকী উসমানী
তাদেরকে করা হবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেদিনের শাস্তির বদলে দিতে চাবে তার সন্তান-সন্ততিকে,মুজিবুর রহমান
যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এদেরকে করা হবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টিগোচর করা হবে। অপরাধী চাইবে যদি সে সেদিনের শাস্তি থেকে তার সন্তান-সন্ততিকে পণ হিসেবে দিয়ে মুক্তি পেতে,আল-বায়ান
যদিও তাদেরকে রাখা হবে পরস্পরের দৃষ্টির সামনে, অপরাধী সেদিনের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য বিনিময়ে দিতে চাইবে তার সন্তানাদিকে,তাইসিরুল
তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,মাওলানা জহুরুল হক
১১
অর্থাৎ তারা একজন আরেকজনকে দেখতে পাবে না বলে জিজ্ঞেস করবে না তা নয়।   বরং অন্যের ব্যাপারে যা ঘটেছে তা প্রত্যেকেই নিজ চোখে দেখতে পাবে।  কিন্তু তা সত্ত্বেও সে তাকে জিজ্ঞেস করবে না।  কেননা, সে তখন নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে।
অর্থাৎ বন্ধু-বান্ধব, পিতামাতা, ভাইবোন, প্রিয়জন সকলেই একে অন্যকে চোখের সামনে দেখতে পাবে, চিনতেও পারবে। কিন্তু কিয়ামতের বিভীষিকার কারণে প্রত্যেকেই এমন ভীত-সন্ত্রস্ত ও আপনাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে যে, অন্যকে কিছু জিজ্ঞেস করা ও তার অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার অবকাশ হবে না। -অনুবাদক
১১. তাদেরকে করা হবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেদিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে,
(১১) (যদিও) তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টির সামনে রাখা হবে।(1) অপরাধী সেই দিনে শাস্তির বদলে দিতে চাইবে নিজ সন্তান-সন্ততিকে।
(1) কিন্তু সবাই নিজের নিজের চিন্তায় থাকবে। তাই চেনা-পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে না।