وَلَا يَسۡتَثۡنُونَ

ওয়ালা-ইয়াছতাছনূন।উচ্চারণ

তারা এ ব্যাপারে কোন ব্যতিক্রমের সম্ভাবনা স্বীকার করছিলো না। ১৩ তাফহীমুল কুরআন

এবং (একথা বলার সময়) তারা কোন ব্যতিক্রম রাখছিল না। মুফতী তাকী উসমানী

এবং তারা ইনশাআল্লাহ বলেনি।মুজিবুর রহমান

ইনশাআল্লাহ না বলে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং তারা ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলে নাই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।আল-বায়ান

তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।তাইসিরুল

আর তারা কোনো সংরক্ষণ করে নি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

অর্থাৎ নিজেদের ক্ষমতা ও যোগ্যতার ওপর তাদের এমন আস্থা ছিল যে, শপথ করে দ্বিধাহীন চিত্তে বলে ফেললো, কালকে আমরা অবশ্যই আমাদের বাগানের ফল আহরণ করবো। আল্লাহর ইচ্ছা থাকলে আমরা এ কাজ করবো এতটুকু কথা বলার প্রয়োজনও তারা বোধ করেনি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

يستثنون ক্রিয়াপদটি (استثناء = ব্যতিক্রম রাখা) হতে উৎপন্ন। তাদের সম্পর্কে যে বলা হয়েছে তারা কোন ‘ব্যতিক্রম রাখছিল না’-এর দু’টি ব্যাখ্যা হতে পারে। (ক) তাদের অভিপ্রায় ছিল সবটা ফসলই নিজেরা নিয়ে যাবে, কিছুই ব্যতিক্রম ও বাদ রাখবে না অর্থাৎ গরীবদেরকে কিছুই দেবে না। (খ) অনেক সময় এ শব্দটি দ্বারা ‘ইনশাআল্লাহ বলা’-ও বোঝানো হয়। এ হিসেবে অর্থ হবে, যখন তারা বলছিল, আমরা ভোর হওয়া মাত্র ফসল কাটব, তখন তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৮. এবং তারা ইনশাআল্লাহ বলেনি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৮) এবং তারা ‘ইন শাআল্লাহ’ বলল না।