ওয়া ইয়ারঝুকহু মিন হাইছুলা-ইয়াহতাছিবু ওয়া মাইঁ ইয়াতাওয়াক্কাল ‘আলাল্লা-হি ফাহুওয়া হাছবুহূ ইন্নাল্লা-হা বা-লিগু আমরিহী কাদ জা‘আলাল্লা-হু লিকুল্লি শাইয়িন কাদর-।উচ্চারণ
এবং এমন পন্থায় তাকে রিযিক দেবেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না। ১০ যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর কাজ সম্পূর্ণ করে থাকেন। ১১ আল্লাহ প্রতিটি জিনিসের জন্য একটা মাত্রা ঠিক করে রেখেছেন। তাফহীমুল কুরআন
এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযক দান করবেন, যা তার ধারণার বাইরে। যে-কেউ আল্লাহর উপর নির্ভর করে, আল্লাহই তার (কর্ম সম্পাদনের) জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ পূরণ করেই থাকেন। (অবশ্য) আল্লাহ সবকিছুর জন্য একটা পরিমাণ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। মুফতী তাকী উসমানী
আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস থেকে দান করবেন রিয্ক; যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই, আল্লাহ সব কিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।মুজিবুর রহমান
এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে দান করবেন রিযিক। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ র ওপর নির্ভর করে তার জন্যে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। আল্লাহ্ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই; আল্লাহ্ সমস্ত কিছুর জন্যে স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেনই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।আল-বায়ান
আর তাকে রিযক দিবেন (এমন উৎস) থেকে যা সে ধারণাও করতে পারে না। যে কেউ আল্লাহর উপর ভরসা করে, তবে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ নিজের কাজ সম্পূর্ণ করবেনই। আল্লাহ প্রতিটি জিনিসের জন্য করেছেন একটা সুনির্দিষ্ট মাত্রা।তাইসিরুল
আর তিনি তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করেন এমন দিক থেকে যা সে ধারণাও করে নি। আর যে আল্লাহ্র উপরে নির্ভর করে -- তার জন্য তবে তিনিই যথেষ্ট। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ তাঁর উদ্দেশ্য পরিপূর্ণকারী। আল্লাহ্ নিশ্চয়ই সব-কিছুর জন্য এক পরিমাপ ধার্য করে রেখেছেন।মাওলানা জহুরুল হক
১০
অর্থাৎ ইদ্দত পালনকালে তালাক প্রদত্ত স্ত্রীকে বাড়িতে রাখা, তার খরচপত্র বহন করা এবং বিদায় দান কালে তাকে মোহরানা ও কিছু ব্যবহার্য সামগ্রী দিয়ে বিদায় করার বিষয়টা নিঃসন্দেহে ব্যক্তির জন্য একটা আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। যে স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট ও বীতশ্রদ্ধ হওয়ার কারণে স্বামী তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে মনস্থির করে নিয়েছে সে তার জন্য অর্থ ব্যয় নিশ্চয়ই অপছন্দ করবে। তদুপরি স্বামী যদি অভাবী হয় তাহলে এই অর্থ ব্যয় তার জন্য আরো মনঃকষ্টের কারণ হবে। কিন্তু আল্লাহ ভীরু লোকদের এসব বরদাশত করা উচিত। তোমাদের মন সংকীর্ণ হলে হতে পারে। কিন্তু রিযিক দেয়ার জন্য আল্লাহর হাত সংকীর্ণ নয়। যদি তার নির্দেশ অনুসারে অর্থ ব্যয় করো তাহলে তিনি এমন সব পথে তোমাকে রিযিক দেবেন যে পথে রিযিক পাওয়ার কল্পনাও তুমি করতে পারোনি।
১১
অর্থাৎ কোন শক্তি আল্লাহর নির্দেশের বাস্তবায়ন রোধ করতে পারে না।
অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার উপর ভরসা করে, আল্লাহ তাআলা তার কাজ পূর্ণ করে দেন। তবে কাজ পূর্ণ করার ধরন ও তার সময় আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্ধারণ করেন। কেননা তিনি প্রতিটি জিনিসের এক মাপজোখকৃত পরিমাণ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। প্রকাশ থাকে যে, উপায় অবলম্বন করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বরং তা অবলম্বন করাও আল্লাহর হুকুম। কিন্তু ভরসা রাখতে হবে আল্লাহ তা‘আলার উপর, উপায়ের উপর নয়।
৩. এবং তিনি তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে দান করবেন রিযিাক। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।(১) আল্লাহ তার ইচ্ছে পূরণ করবেনই; অবশ্যই আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন সুনির্দিষ্ট মাত্ৰা।
(১) তিরমিযী ও ইবনে মাজায় বর্ণিত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রেওয়ায়েতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যদি তোমরা আল্লাহর ওপর যথাযথ ভরসা করতে, তবে আল্লাহ্ তোমাদেরকে পাখির ন্যায় রিযিক দান করতেন। পাখি সকাল বেলায় ক্ষুধার্ত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে যায় এবং সন্ধ্যায় উদরপূর্তি করে ফিরে আসে।” (মুসনাদে আহমাদ: ১/৩০, তিরমিযী: ২৩৪৪, ইবনে মাজাহঃ ৪১৬৪)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেনঃ আমার উম্মত থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে প্ৰবেশ করবে। তাদের অন্যতম গুণ এই যে, তারা আল্লাহর ওপর ভরসা করবে। (বুখারী: ৫৭০৫, মুসলিম: ২১৮, মুসনাদে আহমাদ: ১/৪০১)
(৩) এবং তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে রুযী দান করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই।(1) আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা। (2)
(1) অর্থাৎ, তিনি যা করতে চান, তা থেকে তাঁকে কেউ বাধা দিতে পারে না।
(2) কষ্টসাধ্য ও সহজসাধ্য সকল কর্মের জন্যই। নির্ধারিত সময়েই উভয় (সহজ ও কঠিন) জিনিসেরই পরিসমাপ্তি ঘটে। কেউ কেউ এর অর্থ নিয়েছেন, মাসিক ও ইদ্দত।