যা-লিকা ফাদলুল্লা-হি ইউ’তীহি মাইঁ ইয়াশূউ ওয়াল্লা-হু যুল ফাদলিল ‘আজীম।উচ্চারণ
এটা তাঁর মেহেরবানী, তিনি যাকে চান তা দান করেন। আল্লাহ মহাকরুণার অধিকারী। তাফহীমুল কুরআন
এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা এটা দান করেন। তিনি মহা অনুগ্রহশীল। মুফতী তাকী উসমানী
এটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি এটা দান করেন। আল্লাহতো মহা অনুগ্রহশীল।মুজিবুর রহমান
এটা আল্লাহর কৃপা, যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। আল্লাহ মহাকৃপাশীল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটা আল্লাহ্ র ই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি এটা দান করেন। আল্লাহ্ তো মহা অনুগ্রহশীল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী।আল-বায়ান
ওটা আল্লাহর অনুগ্রহ যা তিনি যাকে ইচ্ছে দান করেন; আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী।তাইসিরুল
এইটিই আল্লাহ্র অনুগ্রহ-প্রাচুর্য, -- এটি তিনি দান করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন। আর আল্লাহ্ বিরাট করুণাভান্ডারের অধিকারী।মাওলানা জহুরুল হক
ইয়াহুদীদের কামনা ছিল শেষ নবী যেন তাদেরই মধ্যে অর্থাৎ বনী ইসরাঈলের মধ্যে আসেন আর আরবের মূর্তিপূজারীরা বলত, আল্লাহ তাআলার যদি কোন নবী পাঠানোর দরকার হত, তবে আমাদের বড়-বড় নেতাদের মধ্য হতেই কাউকে বেছে নিলেন না কেন? (দেখুন সূরা যুখরুফ, ৪৩ : ৩১)। আল্লাহ তাআলা বলছেন, নবুওয়াত ও রিসালাত আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ। তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকেই দিয়ে থাকেন। এ বিষয়ে অন্য কারও কোনও রকম হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
৪. এটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছে তিনি এটা দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী।
(৪) এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, (1) যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
(1) ‘এটা’র ইঙ্গিত নবী (সাঃ)-এর নবুঅতের প্রতি অথবা ইসলাম, অহী, অথবা আরব-অনারব একীভূত করার প্রতি।