سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۖ وَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

ছাব্বাহা লিল্লা-হি মা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল হাকীম।উচ্চারণ

আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে তা সবই আল্লাহর তাসবীহ করেছে। তিনি মহাপরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী। তাফহীমুল কুরআন

যা কিছু আছে আকাশমণ্ডলী ও যা-কিছু আছে পৃথিবীতে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করেছে। তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। মুফতী তাকী উসমানী

আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান

নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই আল্লাহ্ র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও যমীনে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করছে। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।আল-বায়ান

আসমানে যা কিছু আছে আর যমীনে যা কিছু আছে (সবই) আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করে; তিনি মহাপরাক্রান্ত মহাবিজ্ঞানী।তাইসিরুল

আল্লাহ্‌র মহিমা ঘোষণা করছে যা-কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা-কিছু আছে পৃথিবীতে, আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

এটা এই ভাষণের সংক্ষিপ্ত ভূমিকা। ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কোরআন, সূরা হাদীদের তাফসীর, টীকা ১ ও ২। এ ধরনের ভূমিকা দিয়ে বক্তব্য শুরু করার কারণ হলো, পরে যা বলা হবে তা শোনা বা পড়ার আগে মানুষ যাতে একথা ভালভাবে বুঝে নেয়, যে আল্লাহ‌ তা’আলা অভাবহীন এবং অমুখাপেক্ষী। তাঁর প্রতি কারো ঈমান আনা, সাহায্য করা এবং ত্যাগ ও কুরবানী করার ওপর তাঁর কর্তৃত্ব নির্ভরশীল নয়। তিনি এর অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি যখন ঈমান গ্রহণকারীদের ঈমানের ব্যাপারে একনিষ্ঠ হওয়ার শিক্ষা দেন এবং বলেন সত্যকে উন্নতির করা জন্য জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করো তখন এ সব তাদের নিজেদের কল্যাণের জন্যই বলেন। তাঁর ইচ্ছা তাঁর নিজের শক্তি ও ব্যবস্থাপনার সাহায্যেই বাস্তব রূপ লাভ করে। কোন বান্দা তাঁর ইচ্ছা বাস্তবায়নের সামান্যতম তৎপরতাও যদি না চালায় বরং গোটা পৃথিবী সে পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে বদ্ধপরিকরও হয় তবুও তার নিজের শক্তি ও ব্যবস্থাপনা দ্বারা তা বাস্তবরূপ লাভ করে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘সৃষ্টি জগতের প্রতিটি জিনিস আল্লাহ তাআলার তাসবীহ পাঠ করে (অর্থাৎ তার পবিত্রতা ঘোষণা করে)’ এ কথাটি পূর্বে একাধিক স্থানে গত হয়েছে, যেমন সূরা নূর (২৪ : ৩৬, ৪১) ও সূরা হাশর (৫৯ : ২৪)। সূরা বনী ইসরাঈল (১৭ : ৪৪)-এ আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা তাদের তাসবীহ বুঝতে পার না। পূর্বে সূরা হাদীদ (৫৭), সূরা হাশর (৫৯) এবং সামনে সূরা জুমুআ (৬২) ও সূরা তাগাবুন (৬৪)-কে আল্লাহ তাআলা এই সত্য বর্ণনার মাধ্যমেই শুরু করেছেন যে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। বাহ্যত এর দ্বারা এ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা উদ্দেশ্য যে, তোমাদেরকে তাওহীদের উপর ঈমান আনয়ন ও ইবাদত-বন্দেগী করার নির্দেশ দানের ভেতর আল্লাহ তাআলার নিজের কোন ফায়দা নেই। কেননা তাঁর কোন কিছুর প্রতি ঠেকা নেই। তোমরা তাঁর ইবাদত কর আর নাই কর বিশ্বজগতের প্রতিটি বস্তু তাঁর সামনে নতশির হয়ে আছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

১. আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। আর তিনি প্রবলপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।