ওয়া ইন আরত্তুমুছ তিবদা-লা ঝাওজিম মাক-না ঝাওজিওঁ ওয়া আ-তাইতুম ইহদা-হুন্না কিনতা-রন ফালা-তা’খুযূমিনহু শাইআন আতা’খুযূনাহু বুহতা-নাওঁ ওয়া ইছমাম মুবীনা।উচ্চারণ
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর জায়গায় অন্য স্ত্রী আনার সংকল্প করেই থাকো, তাহলে তোমরা তাকে স্তুপীকৃত সম্পদ দিয়ে থাকলেও তা থেকে কিছুই ফিরিয়ে নিয়ো না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ও সুস্পষ্ট জুলুম করে তা ফিরিয়ে নেবে? তাফহীমুল কুরআন
আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর পরিবর্তে অন্য স্ত্রীকে বিবাহ করতে চাও এবং তাদের একজনকে অগাধ মাহর দিয়ে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত নিয়ো না। তোমরা কি অপবাদ দিয়ে এবং প্রকাশ্য গুনাহে লিপ্ত হয়ে তা (মাহর) ফেরত নেবে? #%২০%#মুফতী তাকী উসমানী
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক তাহলে তোমরা তন্মধ্য হতে কিছুই প্রতিগ্রহণ করনা; তাহলে কি তোমরা অপবাদ প্রয়োগ এবং প্রকাশ্য পাপ করে সেটা গ্রহণ করবে?মুজিবুর রহমান
যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না। তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমরা যদি এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর আর তাদের একজনকে অগাধ অর্থও দিয়ে থাক, তবুও এটা হতে কিছুই প্রতিগ্রহণ কর না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপাচরণ দিয়ে তা গ্রহণ করবে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রীকে বদলাতে চাও আর তাদের কাউকে তোমরা প্রদান করেছ প্রচুর সম্পদ, তবে তোমরা তা থেকে কোন কিছু নিও না। তোমরা কি তা নেবে অপবাদ এবং প্রকাশ্য গুনাহের মাধ্যমে?আল-বায়ান
যদি তোমরা এক স্ত্রী বদলিয়ে তদস্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণের ইচ্ছে কর এবং তাদের একজনকে অগাধ সম্পদও দিয়ে থাক, তবুও তাত্থেকে কিছুই ফিরিয়ে নিও না। তোমরা কি (স্ত্রীর নামে) মিথ্যে দুর্নাম রটিয়ে সুস্পষ্ট গুনাহ করে তা ফেরত নেবে?তাইসিরুল
আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর স্থলে আরেক স্ত্রী বদলে নিতে চাও, আর যদি এদের একজনকে একস্তূপ দিয়ে থাকো, তবে তা থেকে কিছুই নিও না। তোমরা কি তা নেবে কুৎসা রটিয়ে এবং ডাহা অন্যায় করে?মাওলানা জহুরুল হক
উপরে ১৯নং আয়াতে বলা হয়েছিল যে, স্ত্রীদেরকে তাদের মুক্তি লাভের জন্য মাহর ওয়াপস করতে বাধ্য করা কেবল সেই অবস্থায়ই বৈধ, যখন তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতায় (ব্যভিচারে) লিপ্ত হয়ে পড়বে। এ আয়াতে বলা হচ্ছে যে, তোমরা যদি মাহর ফেরত দেওয়ার জন্য তাদেরকে চাপ দাও, তবে তোমাদের পক্ষ হতে এটা তাদের প্রতি অপবাদ আরোপের নামান্তর হবে। তোমরা যেন বলতে চাচ্ছ, তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতা করেছে, যেহেতু মাহর ওয়াপস করতে বাধ্য করা এ অবস্থা ছাড়া অন্য কোনও অবস্থায় বৈধ নয়।
২০. আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর জায়গায় অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর এবং তাদের একজনকে অনেক অর্থও(১) দিয়ে থাক, তবুও তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা তা গ্রহণ করবে?
(১) এ আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, মাহর হিসাবে অনেক সম্পদ দেয়াও জায়েয। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বেশী পরিমাণে মাহর দিতে নিষেধ করতেন। তিনি বলতেনঃ তোমরা মহিলাদের মাহর নির্ধারণে সীমালংঘন করো না। কেননা, এটা যদি দুনিয়াতে সম্মানের ব্যাপার হত অথবা আল্লাহর নিকট তাকওয়ার বিষয় হত, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই এ কাজের সবেচেয়ে বেশী উপযুক্ত ছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার উকিয়ার বেশী তার কোন স্ত্রীকেও দেননি এবং কন্যাদের জন্যও গ্রহণ করেন নি। এমনকি কখনো কখনো মানুষ স্ত্রীর মাহর দিতে গিয়ে নিজেই নিজের শক্র হয়ে দাঁড়ায়। (আবু দাউদঃ ২১০৬, তিরমিযীঃ ১১১৪)
(২০) আর যদি এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর অর্থও দিয়ে থাক, তবুও তা থেকে কিছুই গ্রহণ করো না,(1) তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা তা গ্রহণ করবে?
(1) স্বামী নিজ ইচ্ছায় তালাক দিলে স্ত্রীর কাছ থেকে মোহর ফেরৎ নিতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। قِنْطَارٌ বলা হয় ধন-ভান্ডার এবং প্রচুর সম্পদকে। অর্থাৎ, মোহর যতটা পরিমাণই হোক না কেন তা ফেরৎ নিতে পারবে না। যদি এ রকম কর, তাহলে তা যুলুম এবং প্রকাশ্য পাপ হবে।