নাহনুকাদ্দারনা-বাইনাকুমুল মাওতা ওয়ামা-নাহনুবিমাছবূকীন।উচ্চারণ
আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যুকে বন্টন করেছি। ২৫ তাফহীমুল কুরআন
আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যুর ফায়সালা করে রেখেছি এবং এমন কেউ নেই, যে আমাকে ব্যর্থ করে দিতে পারে মুফতী তাকী উসমানী
আমি তোমাদের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই –মুজিবুর রহমান
আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই-ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারণ করেছি এবং আমাকে অক্ষম করা যাবে না,আল-বায়ান
তোমাদের মধ্যে মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি, আর আমি কিছুমাত্র অক্ষম নইতাইসিরুল
আমরাই তোমাদের মধ্যে মৃত্যু ধার্য করে রেখেছি, আর আমরা প্রতিহত হব না, --মাওলানা জহুরুল হক
২৫
অর্থাৎ তোমাদেরকে সৃষ্টি করা যেমন আমার ইখতিয়ারে। তেমনি তোমাদের মৃত্যুও আমার ইখতিয়ারে। কে মাতৃগর্ভে মারা যাবে, কে ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্র মারা যাবে এবং কে কোন বয়সে উপনীত হয়ে মারা যাবে সে সিদ্ধান্ত আমিই নিয়ে থাকি। যার মৃত্যুর জন্য আমি যে সময় ঠিক করে দিয়েছি তার পূর্বে দুনিয়ার কোন শক্তিই তাকে মারতে পারে না এবং সে সময়ের পর কেউ তাকে এক মুহূর্ত জীবিত রাখতেও পারে না। যাদের মৃত্যুর সময় হাজির হয় তারা বড় বড় হাসপাতালে বড় বড় ডাক্তারের চোখের সামনে মৃত্যুরবণ করে। এমনকি ডাক্তার নিজেও তার মৃত্যুর সময় মরে যায়। কেউ কখনো মৃত্যুর সময় জানতে পারেনি, ঘনিয়ে আসা মৃত্যুকে প্রতিরোধ করতে পারেনি, কার মৃত্যু কিসের মধ্যে কখন কোথায় কিভাবে সংঘটিত হবে তাও কেউ জানে না।
৬০. আমরা তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারিত করেছি(১) এবং আমাদেরকে অক্ষম করা যাবে না—
(১) অর্থাৎ তোমাদেরকে সৃষ্টি করা যেমন আমার ইখতিয়ারে তেমনি তোমাদের মৃত্যুও আমার ইখতিয়ারে। (কুরতুবী) কে মাতৃগর্ভে মারা যাবে, কে ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্র মারা যাবে এবং কে কোন বয়সে উপনীত হয়ে মারা যাবে সে সিদ্ধান্ত আমিই নিয়ে থাকি। (ফাতহুল কাদীর)
(৬০) আমি তোমাদের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত করেছি(1) এবং আমি অক্ষম নই--(2)
(1) অর্থাৎ, প্রত্যেক ব্যক্তির মৃত্যুকাল আমি নির্ধারিত করে দিয়েছি। তা কেউ অতিক্রম করতে পারবে না। সুতরাং কেউ শৈশবে, কেউ যৌবনে এবং কেউ বার্ধক্যে মৃত্যুবরণ করে।
(2) অর্থাৎ, আমি অপারগ ও ব্যর্থ নই, বরং আমি সক্ষম।