ফাইযান শাককাতিছ ছামাউ ফাক-নাত ওয়ারদাতান কাদ্দিহা-ন।উচ্চারণ
অতঃপর (কি হবে সেই সময়) যখন আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে এবং লাল চামড়ার মত লোহিত বর্ণ ধারণ করবে? ৩৪ তাফহীমুল কুরআন
(সেই সময় অবশ্যম্ভাবী) যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং তা লাল চামড়ার মত লাল-গোলাপী হয়ে যাবে।মুফতী তাকী উসমানী
যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে সেইদিন ওটা রক্ত-রঙ্গে রঞ্জিত চর্মের রূপ ধারণ করবে;মুজিবুর রহমান
যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে সেদিন তা রক্ত-রঙ্গে রঞ্জিত চর্মের রূপ ধারণ করবে; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে দিন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, অতঃপর তা রক্তিম গোলাপের ন্যায় লাল চামড়ার মত হবে।আল-বায়ান
যখন আকাশ দীর্ণ বিদীর্ণ হবে আর লাল চামড়ার মত রক্তবর্ণ ধারণ করবেতাইসিরুল
আর যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং হয়ে যাবে রংকরা চামড়ার মতো লাল, --মাওলানা জহুরুল হক
৩৪
এখানে কিয়ামতের দিনের কথা বলা হয়েছে। আসমান বিদীর্ণ হওয়ার অর্থ মহাকাশ বা মহাবিশ্বের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ না থাকা, মহাকাশের সমস্ত সৌরজগতের বিক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়া, মহাজগতের সময় নিয়ম-শৃংখলা ধ্বংস হয়ে যাওয়া। আরো বলা হয়েছে, সে সময় আসমান লাল চামড়ার মত বর্ণধারণ করবে। অর্থাৎ সেই মহাপ্রলয়ের সময় যে ব্যক্তি পৃথিবী থেকে আসমানের দিকে তাকাবে তার মনে হবে গোটা উর্ধজগতে যেন আগুন লেগে গিয়েছে।
৩৭. যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে সেদিন তা রক্তিম গোলাপের মত লাল চামড়ার রূপ ধারণ করবে(১);
(১) এখানে কিয়ামতের দিনের কথা বলা হয়েছে। আসমান বিদীর্ণ হওয়ার অর্থ মহাকাশ বা মহাবিশ্বের মধ্যকারী পারস্পরিক আকর্ষণ বা ভারাসম্যের নীতি অবশিষ্ট না থাকা, মহাকাশের সমস্ত সৌরজগতের বিক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়া। আরো বলা হয়েছে, সে সময় আসমান লাল চামড়ার মত বৰ্ণধারণ করবে। অর্থাৎ সেই মহাধ্বংসের সময় যে ব্যক্তি পৃথিবী থেকে আসমানের দিকে তাকাবে তার মনে হবে গোটা ঊর্ধ্বজগতে যেন আগুন লেগে গিয়েছে। (দেখুন, কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর; সা'দী)
(৩৭) যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে, সেদিন ওটা (লাল চামড়া বা) তেলের মত লাল (গোলাপের) রূপ ধারণ করবে।(1)
(1) কিয়ামতের দিন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে পড়বে। ফিরিশতাগণ পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। সেই দিন আকাশ জাহান্নামের আগুনের প্রচন্ড তাপের কারণে গলে রঙানো চামড়ায় মত লাল হয়ে যাবে। دِهَانٌ তেল অথবা লাল চামড়া।