আল্লা-তাঝিরু ওয়া-ঝিরতুওঁবিঝর উখর-।উচ্চারণ
একথা যে, “কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।” ৩৭ তাফহীমুল কুরআন
সে সহীফাসমূহে যা ছিল, তা এই যে, কোন বহনকারী অন্য কারও (গুনাহের) বোঝা বহন করতে #%২১%# পারে না।মুফতী তাকী উসমানী
ওটা এই যে, কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবেনা।মুজিবুর রহমান
কিতাবে এই আছে যে, কোন ব্যক্তি কারও গোনাহ নিজে বহন করবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তা এই যে, কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তা এই যে, কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।আল-বায়ান
(সে খবর এই) যে, কোন বোঝা বহনকারী বইবে না অপরের বোঝা।তাইসিরুল
যথা কোনো ভারবাহী অন্যের বোঝা বহন করবে না,মাওলানা জহুরুল হক
৩৭
এ আয়াত থেকে তিনটি বড় মূলনীতি পাওয়া যায়। এক, প্রত্যেক ব্যক্তি নিজে তার কাজের জন্য নিজেই দায়ী। দুই, একজনের কাজের দায়দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়া যেতে পারে না তবে সেই কাজ সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে তার কোন ভূমিকা থাকলে ভিন্ন কথা। তিন, কেউ চাইলেও অন্য কারো কাজের দায়দায়িত্ব নিজে গ্রহণ করতে পারে না। আর প্রকৃত অপরাধীকে এ কারণে ছেড়ে দেয়া যেতে পারে না যে, তার শাস্তি ভোগ করার জন্য অন্য কেউ এগিয়ে আসছে।
অদ্যাবধি বাইবেলের হিযকীল পুস্তকে এ মূলনীতিটি সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে (দেখুন হিযকীল ১৮:২০)।
৩৮. তা এই যে(১), কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না,
(১) এ আয়াত থেকে তিনটি বড় মূলনীতি পাওয়া যায়। কেয়ামতের দিন এক ব্যক্তির শাস্তি অপরের ঘাড়ে চাপানো হবে না এবং অপরের শাস্তি নিজে বরণ করার ক্ষমতাও কারও হবে না। (দেখুন, মুয়াসসার) অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে, (وَإِنْ تَدْعُ مُثْقَلَةٌ إِلَىٰ حِمْلِهَا لَا يُحْمَلْ مِنْهُ شَيْءٌ) (সূরা ফাতির: ১৮) অর্থাৎ কোন শক্তি যদি পাপের বোঝায় ভারাক্রান্ত হয়ে অপরকে অনুরোধ করে যে, আমার কিছু বোঝা তুমি বহন কর, তবে তার বোঝার কিয়দংশও বহন করার সাধ্য কারও হবে না।
(৩৮) তা এই যে, কোন বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না।