وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِ لِيَجۡزِيَ ٱلَّذِينَ أَسَـٰٓـُٔواْ بِمَا عَمِلُواْ وَيَجۡزِيَ ٱلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ بِٱلۡحُسۡنَى

ওয়া লিল্লা-হি মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি লিইয়াজঝিইয়াল্লাযীনা আছাউ বিমা-‘আমিলূওয়া ইয়াজঝিইয়াল্লাযীনা আহছানূবিলহুছনা-।উচ্চারণ

যমীন ও আসমানের প্রতিটি জিনিসের মালিক একমাত্র আল্লাহ‌ ২৮ -যাতে ২৯ আল্লাহ্‌ অন্যায়কারীদেরকে তাদের কাজের প্রতিদান দেন এবং যারা ভাল নীতি ও আচরণ গ্রহণ করেছে তাদের উত্তম প্রতিদান দিয়ে পুরস্কৃত করেন। তাফহীমুল কুরআন

যা-কিছু আকাশমণ্ডলীতে ও যা-কিছু পৃথিবীতে আছে তা আল্লাহরই। সুতরাং যারা মন্দ কাজ করেছে, তিনি তাদেরকেও তাদের কাজের প্রতিফল দেবেন এবং যারা ভালো কাজ করেছে তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করবেন।মুফতী তাকী উসমানী

আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই। যারা মন্দ কাজ করে তাদেরকে তিনি দেন মন্দ ফল এবং যারা সৎ কাজ করে তাদেরকে দেন উত্তম পুরস্কার।মুজিবুর রহমান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর, যাতে তিনি মন্দকর্মীদেরকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেন এবং সৎকর্মীদেরকে দেন ভাল ফল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আকাশমণ্ডলীতে যা কিছু আছে ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহ্ র ই। যারা মন্দ কর্ম করে তাদেরকে তিনি দেন মন্দ ফল এবং যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে দেন উত্তম পুরস্কার। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আসমানসমূহে যা রয়েছে এবং যমীনে যা রয়েছে, তা আল্লাহরই। যাতে তিনি তাদের কাজের প্রতিফল দিতে পারেন যারা মন্দ কাজ করে এবং তাদেরকে তিনি উত্তম পুরস্কার দিতে পারেন যারা সৎকর্ম করে ।আল-বায়ান

যা আছে আকাশে আর যা আছে যমীনে সব আল্লাহরই- যাতে তিনি যারা মন্দ কাজ করে তাদেরকে তাদের কাজের প্রতিফল দেন আর যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে দেন শুভ প্রতিফল।তাইসিরুল

আর মহাকাশমন্ডলে যা-কিছু আছে এবং যা-কিছু আছে পৃথিবীতে তা আল্লাহ্‌রই, যেন যারা মন্দ কাজ করেছে তাদের তিনি প্রতিফল দিতে পারেন যা তারা করেছে সেজন্য, আর যারা সৎকাজ করেছে তাদের তিনি ভালভাবে প্রতিদান দিতে পারেন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৮

অন্য কথায় কোন মানুষের পথভ্রষ্ট বা সুপথপ্রাপ্ত হওয়ার ফয়সালা যেমন এ পৃথিবীতে হবে না তেমনি এর ফয়সালা দুনিয়ার মানুষের মতামতের ওপর ছেড়ে দেয়াও হয়নি। এর ফয়সালা একমাত্র আল্লাহ‌র হাতে। তিনিই যমীন ও আসমানের মালিক এবং দুনিয়ার মানুষ ভিন্ন ভিন্ন যেসব পথে চলেছে তার কোন্‌টি হিদায়াতের পথ এবং কোন্‌টি গোমরাহীর পথ তা কেবল তিনিই জানেন। অতএব আরবের এসব মুশরিক এবং মক্কার কাফেররা যে তোমাকে বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট বলে আখ্যায়িত করছে আর নিজেদের জাহেলিয়াতকে হিদায়াত বলে মনে করছে সেজন্য তুমি মোটেই পরোয়া করবে না। এরা যদি নিজেদের এ ভ্রান্ত ধারণা মধ্যে ডুবে থাকতে চায় তাহলে তাদের ডুবে থাকতে দাও। তাদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করে সময় নষ্ট করা এবং মাথা ঘামানোর কোন প্রয়োজন নেই।

২৯

আগে থেকেই যে বক্তব্য চলছিলো এখান থেকে পুনরায় তার ধারাবাহিকতা শুরু হচ্ছে। সুতরাং মাঝখানে পূর্বাপর প্রসঙ্গহীন কথাটা বাদ দিলে বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় এরূপঃ “তাকে তার আপন অবস্থায় চলতে দাও। যাতে আল্লাহ‌ অন্যায়কারীকে তার কাজের প্রতিফল দান করেন।”

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩১. আর আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও যমীনে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই। যাতে তিনি তাদের কাজের প্রতিফল দিতে পারেন যারা মন্দ কাজ করে এবং তাদেরকে তিনি উত্তম পুরস্কার দিতে পারেন যারা সৎকাজ করে,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩১) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই। যাতে তিনি যারা মন্দ কর্ম করে তাদেরকে দেন মন্দ ফল এবং যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে দেন উত্তম পুরস্কার। (1)

(1) অর্থাৎ, হিদায়াত ও ভ্রষ্টতা তাঁরই হাতে। তিনি যাকে চান হিদায়াত দানে ধন্য করেন এবং যাকে চান তাকে ভ্রষ্টতার গহ্বরে পতিত করেন। আর এটা এই জন্য, যাতে তিনি সৎ লোকদেরকে তাদের সৎকর্মের এবং অসৎ লোকদেরকে তাদের অসৎকর্মের প্রতিদান ও প্রতিফল দেন। (فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأرضِ وَللهِ مَا) এই বাক্যটি পূর্বাপরের সাথে সম্পর্কহীন পৃথক বাক্য (জুমলাহ মু’তারিযাহ) এবং لِيَجْزِيَ এর সম্পর্ক পূর্বে আলোচিত কথার সাথে। (ফাতহুল কাদীর)