ইয ইয়াগশাসসিদরতা মা -ইয়াগশা-।উচ্চারণ
সে সময় সিদরাকে আচ্ছাদিত করছিলো এক আচ্ছাদনকারী জিনিস। ১২ তাফহীমুল কুরআন
তখন সেই কুল গাছটিকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল সেই জিনিস যা তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। মুফতী তাকী উসমানী
যখন বৃক্ষটি, যদ্বারা আচ্ছাদিত হবার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত,মুজিবুর রহমান
যখন বৃক্ষটি দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়ার, তদ্দ্বারা আচ্ছন্ন ছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন বৃক্ষটি, যা দিয়ে আচ্ছাদিত হওয়ার তা দিয়ে ছিল আচ্ছাদিত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল।আল-বায়ান
যখন গাছটি যা দিয়ে ঢেকে থাকার তা দিয়ে ঢাকা ছিল, (যার বর্ণনা মানুষের বোধগম্য নয়)তাইসিরুল
দেখো! যা আচ্ছাদন করে তা ঢেকে দিয়েছিল সিদরাহ্-গাছকে,মাওলানা জহুরুল হক
১২
অর্থাৎ তার অবস্থাও প্রকৃত বর্ণনার অতীত। সেটা ছিল এমন আলোকোচ্ছটা মানুষ যার কল্পনাও করতো না এবং মানুষের কোন ভাষা তার বর্ণনা দিতেও সক্ষম নয়।
একথাও একটি আরবী বাগধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে। তরজমার মাধ্যমে এর প্রকৃত মর্ম তুলে আনা কঠিন। বোঝানো হচ্ছে যে, যে জিনিস সে গাছটিকে আচ্ছন্ন করেছিল তা বর্ণনার অতীত। হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ঘটনার যে ব্যাখ্যা করেছেন, তা দ্বারা জানা যায় যে, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখার জন্য অসংখ্য ফেরেশতা সোনার প্রজাপতি আকারে সেই গাছের উপর একত্র হয়েছিল।
১৬. যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল(১),
(১) অর্থাৎ যখন বদরিকা বৃক্ষকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল আচ্ছন্নকারী বস্তু। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তখন বদরিকা বৃক্ষের উপর স্বর্ণ নির্মিত প্রজাপতি চতুর্দিক থেকে এসে পতিত হচ্ছিল। (মুসলিম: ১৭৩, মুসনাদে আহমাদ: ১/৩৮৭, ৪২২) মনে হয়, আগন্তুক মেহমান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সম্মানার্থে সেদিন বদরিকা বৃক্ষকে বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়েছিল। (কুরতুবী)
(১৬) যখন (বদরী) বৃক্ষটিকে, যা আচ্ছাদিত করার ছিল তা আচ্ছাদিত করল, (1)
(1) এখানে ‘সিদরাতুল মুন্তাহা’র সেই দৃশ্য ও অবস্থার বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে, যা নবী করীম (সাঃ) মি’রাজের রাতে দর্শন করেছিলেন। সোনার প্রজাপতি তার চতুস্পার্শেব উড়ে বেড়াচ্ছিল। ফিরিশতামন্ডলীও সে বৃক্ষকে ঘিরে রেখেছিলেন এবং মহান প্রভুর জ্যোতির দৃশ্যও ছিল সেখানে। (ইবনে কাসীর প্রভৃতি) এই স্থানেই নবী করীম (সাঃ)-কে তিনটি জিনিস প্রদান করা হয়। আর তা হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামায, সূরা বাক্বারার শেষের আয়াতগুলো এবং সেই মুসলিমের ক্ষমার প্রতিশ্রুতি, যে শিরকের মলিনতা থেকে পবিত্র থাকবে। (মুসলিমঃ কিতাবুল ঈমান, সিদরাতুল মুন্তাহা পরিচ্ছেদ)