ওয়া ইয়ঁইয়ারও কিছফাম মিনাছছামাই ছা-কিতাইঁ ইয়াকূলূছাহা-বুম মার কূম।উচ্চারণ
এরা যদি আসমানের একটি অংশ পতিত হতে দেখে তাহলেও বলবে, এ তো ধাবমান মেঘরাশি। ৩৬ তাফহীমুল কুরআন
তারা যদি আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখে, তবে বলবে, এটা জমাট মেঘ। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী
তারা আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলেও বলবেঃ এটাতো এক পূঞ্জীভুত মেঘ।মুজিবুর রহমান
তারা যদি আকাশের কোন খন্ডকে পতিত হতে দেখে, তবে বলে এটা তো পুঞ্জীভুত মেঘ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা আকাশের কোন খণ্ড ভাঙ্গিয়া পড়তে দেখলে বলবে, ‘এটা তো এক পুঞ্জীভ‚ত মেঘ।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর কোন আকাশখন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলে তারা বলবে, ‘এটি তো এক পুঞ্জীভূত মেঘ’!আল-বায়ান
আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলে তারা বলত- ‘এটা তো পুঞ্জীভূত মেঘ। (তাদেরকে আল্লাহর যতই বিস্ময়কর নিদর্শন দেখানো হোক না কেন, তারা ঈমান আনবে না।)তাইসিরুল
আর যদি তারা দেখে আকাশের এক টুকরো ভেঙ্গে পড়ছে, তাহলে তারা বলবে -- "এক পুঞ্জীভূত মেঘমালা।"মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
একথার উদ্দেশ্য এক দিকে কুরাইশ নেতাদের হঠকারিতার মুখোস খুলে দেয়া, অন্যদিকে রসূলুল্লাহ ﷺ এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীদের সান্ত্বনা দেয়া। নবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের মনে বারবার এ আকাঙ্ক্ষা জাগতো যে, এসব লোককে আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কোন মু’জিযা দেখানো হোক যার দ্বারা মুহাম্মাদের ﷺ নবুওয়াতের সত্য বুঝতে পারবে। তাই বলা হয়েছে, এরা যদি নিজ চোখে কোন মু’জিযাও দেখে তবুও তার কোন না কোন অপব্যাখ্যা করে কুফরীর ওপর অবিচল থাকার অজুহাত খুঁজে নেবে। কারণ, তাদের মন ঈমান আনার জন্য প্রস্তুত নয়। কুরআন মজীদের আরো কয়েকটি স্থানেও তাদের এ হঠকারিতার উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন সূরা আনআমে বলা হয়েছে, আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাও পাঠাতাম, মৃত ব্যক্তিরা এদের সাথে কথা বলতো এবং এদের চোখের সামনে সারা দুনিয়ার সবকিছু এনে জড়ো করে দিতাম তবুও এরা ঈমান আনতো না। (আয়াত ১১) সূরা হিজরে বলা হয়েছে, আমি যদি তাদের জন্য আসমানের কোন দরজা খুলেও দিতাম আর এরা প্রকাশ্য দিবালোকে সে দিকে উঠতে থাকতো তারপরও একথাই বলতো, আমাদের চোখ প্রতারিত হচ্ছে, আমাদেরকে যাদু করা হয়েছে। (আয়াত ১৫)
মক্কার মুশরিকগণ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিত্য-নতুন মুজিযা দেখানোর দাবি জানাত। যেমন বলত, আমাদেরকে আকাশের একটা খণ্ড ভেঙ্গে এনে দেখাও। আল্লাহ তাআলা বলছেন, তাদের এসব দাবি-দাওয়া সত্য সন্ধানের প্রেরণা থেকে উদ্ভূত নয়। সত্য লাভের কোন ইচ্ছাই আসলে তাদের নেই। তারা এসব দাবি করছে কেবল জিদ ও বিদ্বেষবশত। তাদের দাবি অনুযায়ী তাদেরকে এ রকম কোন মুজিযা দেখানো হলেও তারা তাতে বিশ্বাস করবে না। বরং তারা বলে দেবে, এটা আকাশের কোন খণ্ড নয়; বরং জমাট বাঁধা মেঘের খণ্ড।
৪৪. আর তারা আকাশের কোন খণ্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলে বলবে, এটা তো এক পুঞ্জিভূত মেঘ।
(৪৪) তারা আকাশের কোন খন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলে বলবে, এটা তো এক পুঞ্জীভূত মেঘ।(1)
(1) অর্থাৎ, তবুও তারা নিজেদের কুফরী ও শত্রুতা থেকে ফিরে আসবে না। বরং আরো ধৃষ্টতা প্রকাশ করে বলবে যে, এটা আযাব নয়, বরং পুঞ্জীভূত মেঘ উড়ে আসছে। যেমন কোন কোন সময় এ রকম হয়ে থাকে।