فَٰكِهِينَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمۡ رَبُّهُمۡ وَوَقَىٰهُمۡ رَبُّهُمۡ عَذَابَ ٱلۡجَحِيمِ

ফা-কিহীনা বিমাআ-তা-হুম রব্বুহুম ওয়া ওয়াক-হুম রব্বুহুম ‘আযা-বাল জাহীম।উচ্চারণ

এবং তাদের রব তাদের যা কিছু দান করবেন তা মজা করে উপভোগ করতে থাকবে। আর তাদের রব তাদেরকে দোযখের আযাব থেকে বাঁচিয়ে নেবেন। ১২ তাফহীমুল কুরআন

তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যা-কিছু দান করবেন এবং তাদের প্রতিপালকই তাদেরকে যেভাবে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন, তারা তা উপভোগ করবে। মুফতী তাকী উসমানী

তাদের রাব্ব তাদেরকে যা দিবেন তারা তা উপভোগ করবে এবং তিনি তাদেরকে রক্ষা করবেন জাহান্নামের শাস্তি হতে।মুজিবুর রহমান

তারা উপভোগ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদের দেবেন এবং তিনি জাহান্নামের আযাব থেকে তাদেরকে রক্ষা করবেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যা দিবেন তারা তা উপভোগ করবে এবং তাদের রব তাদেরকে রক্ষা করবেন জাহান্নামের আযাব হতে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাদের রব তাদেরকে যা দিয়েছেন তা উপভোগ করবে, আর তাদের রব তাদেরকে বাঁচাবেন জ্বলন্ত আগুনের আযাব থেকে।আল-বায়ান

তারা ভোগ করবে তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন, আর তাদের প্রতিপালক তাদেরকে জাহান্নামের ‘আযাব থেকে রক্ষা করবেন।তাইসিরুল

তাদের প্রভু যা তাদের দিয়েছেন সেজন্য তারা সুখভোগ করতে থাকবে, আর তাদের প্রভু তাদের রক্ষা করবেন ভয়ংকর আগুনের শাস্তি থেকে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১২

কোন ব্যক্তির জান্নাতে প্রবেশের কথা বলার পর তাকে দোযখ থেকে বাঁচিয়ে নেয়ার কথা বলার বাহ্যত কোন প্রয়োজন থাকে না। কিন্তু কুরআন মজীদের কয়েকটি জায়গায় এ দু’টি কথা আলাদা করে বলার কারণ হলো, কোন ব্যক্তির দোযখের শাস্তি থেকে রক্ষা পেয়ে যাওয়াটিই একটা বিরাট নিয়ামত। “আল্লাহ তাকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করেছেন” এ বাণীটি মূলত একটা মহাসত্যের প্রতি ইঙ্গিত। মহাসত্যটি হলো, কোন ব্যক্তির দোযখের শাস্তি থেকে রক্ষা পেয়ে যাওয়া কেবল আল্লাহর দয়া ও মেহেরবানীতে সম্ভব। অন্যথায় মানবিক দূর্বলতা প্রত্যেক ব্যক্তির আমলে এমন সব অপূর্ণতার সৃষ্টি করে যে, আল্লাহ তা’আলা যদি তাঁর মহানুভবতা দিয়ে তা উপেক্ষা না করেন এবং মুহাসাবা বা হিসেব-নিকেশ নিতে শুরু করেন তাহলে কেউ-ই পাকড়াও থেকে বাঁচতে পারে না। তাই জান্নাতে প্রবেশাধিকার পাওয়া আল্লাহর যত বড় নিয়ামত, দোযখ থেকে ব্যক্তিকে রক্ষা করে নেয়া তার চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘আল্লামা আলুসী (রহ.) আয়াতটির বিন্যাসগত যে বিশ্লেষণ দিয়েছেন সেই আলোকেই এর তরজমা করা হয়েছে। তিনি বলেন, وَوَقٰهُمْ رَبُّهُمْ عَذَابَ الْجَحِيْمِ -এর عطف হয়েছে اتاهم -এর উপর, যদি ما শব্দটিকে مصدربة (ক্রিয়ামূল বোধক) ধরা হয় (বাক্যটির বিশ্লিষ্ট রূপ এ রকম فاكهين بايتائهم ربهم ووقايتهم عذاب الجحيم

তাফসীরে জাকারিয়া

১৮. তাদের রব তাদেরকে যা দিয়েছেন তারা তা উপভোগ করবে এবং তাদের রব তাদেরকে রক্ষা করেছেন জলন্ত আগুনের শাস্তি থেকে,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৮) তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যা দেবেন, তারা তা সানন্দে উপভোগ করবে(1) এবং তিনি তাদেরকে রক্ষা করবেন জাহান্নামের শাস্তি হতে।

(1) অর্থাৎ, জান্নাতের প্রাসাদ, পোশাক-পরিচ্ছদ, পানাহার, বাহন, সুন্দরী রূপসী স্ত্রীগণ (হুরে ঈন) এবং অন্যান্য আরো অনেক নিয়ামত লাভ করে তারা বড়ই আনন্দিত হবে। কারণ, এ নিয়ামতগুলো দুনিয়ার নিয়ামতের তুলনায় বহুগুণ শ্রেয় হবে এবং তা হবে, مَا لَا عَيْنٌ رَأَتْ وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلَا خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَر এর বাস্তব প্রমাণ। অর্থাৎ, তা হবে অতুলনীয়, বর্ণনাতীত ও কল্পনাতীত।