إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَٰقِعٞ

ইন্না ‘আযা-বা রব্বিকা লাওয়া-কি‘।উচ্চারণ

তোমার রবের আযাব অবশ্যই আপতিত হবে তাফহীমুল কুরআন

তোমার প্রতিপালকের আযাব অবশ্যম্ভাবী। মুফতী তাকী উসমানী

তোমার রবের শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,মুজিবুর রহমান

আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমার প্রতিপালকের শাস্তি তো অবশ্যম্ভাবী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রবের আযাব অবশ্যম্ভাবী।আল-বায়ান

তোমার প্রতিপালকের ‘আযাব অবশ্যই সংঘটিত হবে।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভুর শাস্তি অবশ্যাবী --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

পূর্বের সূরায় কুরআন মাজীদের কসমসমূহ সম্পর্কে যে টীকা লেখা হয়েছে, এখানেও তা দেখে নেওয়া চাই। এখানে আল্লাহ তাআলা কসম করেছেন চারটি জিনিসের। (এক) তূর পাহাড়ের। এ পাহাড়ে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে হযরত মূসা আলাইহিস সালামের কথোপকথন হয়েছিল এবং আল্লাহ তাআলা তাকে তাওরাত দান করেছিলেন। এর দ্বারা ইশারা করা হয়েছে যে, আখেরাতে অবাধ্যদের শাস্তি দানের ঘোষণাটি অভিনব কিছু নয়; বরং তূর পাহাড়ে হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে যে কিতাব দেওয়া হয়েছিল, তাও একথার সাক্ষ্য দেয়। (দুই) দ্বিতীয় কসম করা হয়েছে একখানি কিতাবের, যা খোলা পাতায় লেখা। কোন কোন মুফাসসির বলেন, এর দ্বারা তাওরাত বোঝানো হয়েছে। সে হিসেবে আখেরাতের আযাবের সাথে এ কসমের সম্পর্কও ঠিক সেই রকমেরই যেমনটা তূর পাহাড় সম্পর্কে বলা হয়েছে। তবে অপর কতক মুফাসসিরের মতে এর দ্বারা আমলনামা বোঝানো উদ্দেশ্য। সে হিসেবে এর ব্যাখ্যা এই যে, সদা-সর্বদা মানুষের যে আমলনামা লেখা হচ্ছে তা প্রমাণ করে একদিন না একদিন হিসাব-নিকাশ হবেই এবং তখন অবাধ্যদেরকে অবশ্যই তাদের অপরাধের শাস্তি ভোগ করতে হবে। (তিন) তৃতীয় কসম করা হয়েছে ‘বায়তুল মামুর’-এর। এটা ঊর্ধ্ব জগতের একটি ঘর, ঠিক দুনিয়ার বাইতুল্লাহ শরীফের মত। ঊর্ধ্ব জগতের এ ঘর হল ফেরেশতাদের ইবাদতখানা। এ ঘরের কসম করে বলা হচ্ছে, ফেরেশতাগণ যদিও মানুষের মত বিধি-বিধানপ্রাপ্ত নয়, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা ইবাদতে মশগুল থাকে। মানুষকে তো বিধি-বিধান দেওয়াই হয়েছে এজন্য যে, তারা আল্লাহ তাআলার ইবাদতে লিপ্ত থাকবে। অন্যথায় তারা শাস্তির উপযুক্ত হয়ে যাবে। (চার) চতুর্থ কসম করা হয়েছে উঁচু ছাদের অর্থাৎ আকাশের। (পাঁচ) আর পঞ্চম কসমটি হল পরিপ্লুত সাগরের। এ কসম দু’টি দ্বারা ইশারা করা হয়েছে, শাস্তি ও পুরস্কারের বিষয়টি না থাকলে উপরে আকাশ ও নিচে সাগর বিশিষ্ট এ জগত সৃষ্টি অহেতুক হয়ে যায়। এর দ্বারা আরও বোঝানো হচ্ছে যে, যেই মহান সত্তা এত বড় বড় বস্তু সৃষ্টি করতে সক্ষম, নিশ্চয়ই তিনি মানুষকে পুনর্জীবিত করারও ক্ষমতা রাখেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

৭. নিশ্চয় আপনার রবের শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭) তোমার প্রতিপালকের শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,