وَفِي ٱلسَّمَآءِ رِزۡقُكُمۡ وَمَا تُوعَدُونَ

ওয়া ফিছছামাই রিঝকুকুম ওয়ামা-তূ‘আদূন।উচ্চারণ

আসমানেই রয়েছে তোমাদের রিযিক এবং সে জিনিসও যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেয়া হচ্ছে। ২০ তাফহীমুল কুরআন

আসমানেই আছে তোমাদের রিযক এবং তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাও। মুফতী তাকী উসমানী

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযকের উৎস ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।মুজিবুর রহমান

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সমস্ত কিছু। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিয্ক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।আল-বায়ান

এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।তাইসিরুল

আর আকাশে রয়েছে তোমাদের জীবিকা, আর যা তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২০

এখানে আসমান অর্থ উর্ধ্বজগত। মানুষকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার এবং কাজ করার জন্য যা কিছু দেয়া হয় রিযিক অর্থে তার সবকিছুই বুঝায়। আর সমস্ত আসমানী কিতাব ও এ কুরআন কিয়ামত হাশর ও পুনরুত্থান, হিসেব-নিকেশ ও জবাবদিহি, পুরস্কার ও শাস্তি এবং জান্নাত ও জাহান্নামের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে مَا تُوعَدُونَ বলে সেসবকেই বুঝানো হয়েছে। আল্লাহর এ বাণীর অর্থ হচ্ছে দুনিয়ায় তোমাদের কাকে কি দিতে হবে তার ফায়সালা ঊর্ধ্বজগত থেকেই হয়। তাছাড়া জবাবদিহি ও কর্মফল দেয়ার জন্য কখন তলব করা হবে সে ফায়সালাও সেখান থেকেই হবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এখানে আসমান দ্বারা ঊর্ধ্বজগত বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ তোমাদের রিযকের ফায়সালাও ঊর্ধ্বজগতে হয়ে থাকে এবং তোমাদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়ে থাকে তার ফায়সালাও সেখানেই হয়।

তাফসীরে জাকারিয়া

২২. আর আসমানে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।(১)

(১) অর্থাৎ আসমানে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত বিষয় রয়েছে। এর নির্মল ও সরাসরি তাফসীর এরূপ বৰ্ণিত আছে যে, আকাশে থাকা অর্থ “লওহে-মাহফুযে” লিপিবদ্ধ থাকা। বলাবাহুল্য প্রত্যেক মানুষের রিযিক, প্রতিশ্রুত বিষয় এবং পরিণাম সবই লওহে-মাহফুযে লিপিবদ্ধ আছে। তাছাড়া ‘আসমান’ বলে ঊর্ধ্বজগতও উদ্দেশ্য হতে পারে। মানুষকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার এবং কাজ করার জন্য যা কিছু দেয়া হয় তার সবকিছুই রিযিক। আর সমস্ত আসমানী কিতাব ও এ কুরআনে কিয়ামত, হাশর ও পুনরুত্থান, হিসেবা-নিকেশ ও জবাবদিহি, পুরস্কার ও শাস্তি এবং জান্নাত ও জাহান্নামের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে (وَمَا تُوعَدُونَ) বলে সেসবকেই বুঝানো হয়েছে। আল্লাহর এ বাণীর অর্থ হচ্ছে, দুনিয়ায় তোমাদের কাকে কি দিতে হবে তার ফায়সালা ঊর্ধ্বজগত থেকেই হয়। তাছাড়া জবাবদিহি ও কর্মফল দেয়ার জন্য কখন তলব করা হবে সে ফায়সালাও সেখান থেকেই হবে (দেখুন: কুরতুবী)।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২২) আকাশে রয়েছে তোমাদের রুযী ও প্রতিশ্রুত সবকিছু। (1)

(1) অর্থাৎ, বৃষ্টিও আকাশ থেকে হয়, (সূর্যও আছে আকাশে,) যার দ্বারা তোমাদের জীবিকা উৎপন্ন হয়। আর জান্নাত ও জাহান্নাম এবং প্রতিদান ও শাস্তির ব্যাপারটাও আসমানে আছে, যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।