ওয়াকাম আহলাকনা-কাবলাহুম মিন কারনিন হুম আশাদ্দুমিনহুম বাতশান ফানাক্কাবূফিল বিলা-দি হাল মিম্মাহীস।উচ্চারণ
আমি তাদের আগে আরো বহু জাতিকে ধ্বংস করেছি। তারা ওদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিধর ছিল এবং তারা সারা দুনিয়ার দেশগুলো তন্ন তন্ন করে ঘুরেছে। ৪৬ অথচ তারা কি কোন আশ্রয়স্থল পেলো? ৪৭ তাফহীমুল কুরআন
আমি তাদের (অর্থাৎ মক্কাবাসী কাফেরদের) আগে কত জাতিকে ধ্বংস করেছি, যারা শক্তিতে তাদের চেয়ে প্রবল ছিল। তারা নগরে-নগরে ঘুরে বেড়িয়েছিল। #%১৮%# তাদের কি পালানোর কোন জায়গা ছিল?মুফতী তাকী উসমানী
আমি তাদের পূর্বে আরও কত মানব গোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি যারা ছিল তাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, তারা দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করে ফিরত। পরে তাদের অন্য কোন আশ্রয়স্থল রইলনা।মুজিবুর রহমান
আমি তাদের পূর্বে বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি, তারা এদের অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী ছিল এবং দেশে-বিদেশে বিচরণ করে ফিরত। তাদের কোন পলায়ন স্থান ছিল না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তাদের পূর্বে আরও কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি যারা ছিল এদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, এরা দেশে দেশে ঘুরে বেড়াইত ; এদের কোন পলায়নস্থল রইল কি ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তাদের পূর্বে বহু প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা পাকড়াও করার ক্ষেত্রে এদের তুলনায় ছিল প্রবলতর, তারা দেশ-বিদেশ চষে বেড়াত। তাদের কি কোন পলায়নস্থল ছিল?আল-বায়ান
তাদের পূর্বে আমি কত জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রবল, যার ফলে তারা দুনিয়া চষে বেড়াত; তারা পালানোর কোন জায়গা পেয়েছিল কি?তাইসিরুল
আর তাদের আগে আমরা কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি, তারা এদের চাইতে ছিল শক্তিতে বেশি প্রবল, ফলে তারা দেশে- বিদেশে অভিযান চালাত। কোনো আশ্রয়স্থল আছে কি?মাওলানা জহুরুল হক
৪৬
অর্থাৎ তারা শুধু নিজেদের দেশেই শক্তিমান ছিল না পৃথিবীর অন্য অনেক দেশেও প্রবেশ করে দখল জমিয়েছিলো এবং ভুপৃষ্ঠের দূর-দূরান্ত পর্যন্ত তাদের লুটতরাজের অপকর্ম বিস্তার লাভ করেছিলো।
৪৭
অর্থাৎ যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদেরকে পাকড়াও করার সময় সমুপস্থিত হলো তখন কি তাদের শক্তি তাদেরকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলো? পৃথিবীতে কোথাও কি তারা আশ্রয় লাভ করেছিলো? তাহলে কোন ভারসায় তোমরা এ আশা পোষণ করো যে, আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তোমরা কোথাও আশ্রয় পেয়ে যাবে?
অর্থাৎ খুবই সমৃদ্ধশালী ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে তারা নগরে-নগরে ঘুরে বেড়াত। আয়াতটির এক অর্থ এ রকমও হতে পারে যে, তারা শাস্তি থেকে আত্মরক্ষার্থে বিভিন্ন শহরে দৌড়াদৌড়ি করেছিল, কিন্তু তারা আল্লাহর ধরা থেকে বাঁচতে পারেনি।
৩৬. আর আমরা তাদের আগে বহু প্ৰজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যারা ছিল প্রবলতর, তারা দেশে দেশে ঘুরে বেড়াত; তাদের কোন পলায়নস্থল ছিল কি?
(৩৬) আমি তাদের পূর্বে আরো কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি, যারা ছিল তাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, তারা দেশে-বিদেশে ভ্রমণ করে ফিরত,(1) তাদের জন্য নিষ্কৃতির কোন পথ রইল না।
(1) فَنَقَّبُوْا فِي الْبِلاَدِ (দেশ-বিদেশে বিচরণ করে ফিরত) এর একটি অর্থ এই বর্ণনা করা হয়েছে যে, ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে তারা বিভিন্ন শহরে মক্কাবাসীদের চেয়েও বেশী ভ্রমণ করত। কিন্তু যখন আমার আযাব এল, তখন তারা না কোথাও আশ্রয় পেল, আর না পালাবার কোন পথ।