উদখুলূহা-বিছালা-মিন যা-লিকা ইয়াওমুল খুলূদ ।উচ্চারণ
বেহেশতে ঢুকে পড় শান্তির সাথে। ৪৪ সেদিন অনন্ত জীবনের দিন হবে। তাফহীমুল কুরআন
তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তির সাথে। সেটা হবে অনন্ত জীবনের দিন।মুফতী তাকী উসমানী
তাদেরকে বলা হবেঃ শান্তির সাথে তোমরা তাতে প্রবেশ কর; এটা অনন্ত জীবনের দিন।মুজিবুর রহমান
তোমরা এতে শান্তিতে প্রবেশ কর। এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাদেরকে বলা হবে, ‘শান্তির সঙ্গে তোমরা এতে প্রবেশ কর ; তা অনন্ত জীবনের দিন।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তাতে শান্তির সাথে প্রবেশ কর। এটাই স্থায়িত্বের দিন।আল-বায়ান
(তাদেরকে বলা হবে) ‘শান্তির সঙ্গে এতে প্রবেশ কর, এটা চিরস্থায়ী জীবনের দিন।’তাইসিরুল
এতে প্রবেশ করো প্রশান্তির সাথে। এই তো চিরস্থায়ী দিন।মাওলানা জহুরুল হক
৪৪
মূল আয়াতাংশ হচ্ছে ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ । سلام শব্দটিকে যদি নিরাপত্তা অর্থে গ্রহণ করা হয় তাহলে তার অর্থ হবে, সব রকম দুঃখ, দুশ্চিন্তা, চিন্তা ও বিপদাপদ থেকে নিরাপদ হয়ে এ জান্নাতে প্রবেশ করো। তবে যদি শান্তি অর্থেই গ্রহণ করা হয় তাহলে অর্থ হবে, এ জান্নাতে এসো, আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে তোমাকে সালাম।
যে গুণাবলী থাকলে কোন ব্যক্তি জান্নাতলাভের উপযুক্ত হয় এসব আয়াতে আল্লাহ তা’আলা সে গুণাবলী বর্ণনা করেছেন। ঐগুলো হচ্ছেঃ (১) তাকওয়া, (২) আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন, (৩) আল্লাহর সাথে নিজের সম্পর্কের সযত্ন পাহারাদারী, (৪) আল্লাহকে না দেখে এবং তাঁর ক্ষমা পরায়ণতায় বিশ্বাসী হয়েও তাঁকে ভয় করা এবং (৫) অনুরক্ত হৃদয়-মন নিয়ে আল্লাহর কাছে পৌঁছা অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত অনুরক্ত থাকার আচরণ করে যাওয়া।
৩৪. তাদেরকে বলা হবে, শান্তির সাথে তোমরা তাতে প্ৰবেশ কর; এটা অনন্ত জীবনের দিন।
(৩৪) (তাদেরকে বলা হবে,) শান্তির সাথে তোমরা তাতে প্রবেশ কর; এটা অনন্ত জীবনের দিন।