أَلۡقِيَا فِي جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِيدٖ

আলকিয়া-ফী জাহান্নামা কুল্লা কাফফা-রিন ‘আনীদ।উচ্চারণ

নির্দেশ দেয়া হলোঃ “জাহান্নামে নিক্ষেপ করো, ২৮ প্রত্যেক কট্টর কাফেরকে ২৯ ---যে সত্যের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করতো, তাফহীমুল কুরআন

(হুকুম দেওয়া হবে) তোমরা দু’জন #%১২%# প্রত্যেক ঘোর কাফের ও সত্যের চরম শত্রুকে জাহান্নামে নিক্ষেপ কর,মুফতী তাকী উসমানী

আদেশ করা হবেঃ তোমরা উভয়েই নিক্ষেপ কর জাহান্নামে, প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে –মুজিবুর রহমান

তোমরা উভয়েই নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক অকৃতজ্ঞ বিরুদ্ধবাদীকে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আদেশ করা হবে, তোমরা উভয়ে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা জাহান্নামে নিক্ষেপ কর প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে,আল-বায়ান

(নির্দেশ দেয়া হবে) তোমরা উভয়ে প্রত্যেক অবাধ্য কাফিরকে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।তাইসিরুল

"তোমরা দুজনে জাহান্নামে ফেলে দাও প্রত্যেক অবিশ্বাসীকে, বিদ্রোহাচারীকে, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৮

মূল আয়াতের বাক্যাংশ হচ্ছে أَلْقِيَا فِي جَهَنَّمَ “তোমরা দু’জন তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করো।” বক্তব্যের ধারাবাহিকতাই বলে দিচ্ছে যে, কবর থেকে উঠতেই অপরাধীকে যে দু’জন ফেরেশতা গ্রেফতার করেছিলো এবং আদালতে হাজির করেছিলো তাদের লক্ষ্য করে এ নির্দেশ দেয়া হবে।

২৯

মূল আয়াতে كَفَّارٍ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। শব্দটির দু’টি অর্থ। একটি অর্থ হচ্ছে চরম অকৃজ্ঞ। অপরটি হচ্ছে, চরম সত্য প্রত্যাখানকারী।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ সেই ফেরেশতাদ্বয়কে হুকুম দেওয়া হবে, যারা তার সঙ্গে এসেছিল।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৪. আদেশ করা হবে, তোমরা উভয়ে(১) জাহান্নামে নিক্ষেপ কর প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে-

(১) ألقيا শব্দটি দ্বিবাচক পদ। আয়াতে কোনো ফেরেশতাদ্বয়কে সম্বোধন করা হয়েছে। বাহ্যতঃ পূর্বোক্ত চালক ও সাক্ষী ফেরেশতাদ্বয়কে সম্বোধন করা হয়েছে। (ইবন কাসীর, ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৪) (আদেশ করা হবে,) তোমরা উভয়ে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক উদ্ধত অবিশ্বাসীকে।