ওয়া জাআত কুল্লুনাফছিম্মা‘আহা-ছাইকূ ওঁ ওয়া শাহীদ।উচ্চারণ
প্রত্যেক ব্যক্তি এমন অবস্থায় এসে হাজির হলো যে, তাদের সাথে হাঁকিয়ে নিয়ে আসার মত একজন এবং সাক্ষ্য দেয়ার মত একজন ছিল। ২৫ তাফহীমুল কুরআন
সে দিন প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে আসবে যে, তার সাথে থাকবে একজন চালক ও একজন সাক্ষী। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে। তার সাথে থাকবে চালক ও তার কর্মের সাক্ষী।মুজিবুর রহমান
প্রত্যেক ব্যক্তি আগমন করবে। তার সাথে থাকবে চালক ও কর্মের সাক্ষী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে, তার সঙ্গে থাকবে চালক ও সাক্ষী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে, তার সাথে থাকবে একজন চালক ও একজন সাক্ষী।আল-বায়ান
(সেদিন) প্রত্যেক ব্যক্তি আসবে এমন অবস্থায় যে একজন (ফেরেশতা) তাকে হাঁকিয়ে নিয়ে আসবে আর একজন (ফেরেশতা) থাকবে সাক্ষ্যদাতা হিসেবে।তাইসিরুল
তখন প্রত্যেক সত্ত্বা চলে আসবে, তার সঙ্গে থাকবে এক চালক ও এক সাক্ষী।মাওলানা জহুরুল হক
২৫
সম্ভবত এর দ্বারা সেই দু’জন ফেরেশতাকে বুঝানো হয়েছে যারা পৃথিবীতে ঐ ব্যক্তির সমস্ত কথা ও কাজের রেকর্ড প্রস্তুত করতে নিযুক্ত ছিল। কিয়ামতের দিন সিংগায় ফুৎকারের আওয়াজ উত্থিত হওয়ার সাথে সাথে প্রত্যেক মানুষ যখন তার কবর থেকে উঠবে তৎক্ষণাৎ উক্ত দু’ফেরেশতা এসে তাকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিয়ে নেবে। একজন তাকে আল্লাহ তা’আলার আদালতের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাবে এবং অন্যজন তার ‘আমলনামা’ সাথে নিয়ে যাবে।
অর্থাৎ মানুষ যখন কবর থেকে বের হয়ে হাশরের মাঠের দিকে যাবে, তখন প্রত্যেকের সাথে দু’জন ফেরেশতা থাকবে। তাদের মধ্যে একজন তাকে হাঁকিয়ে হাশরের ময়দানের দিকে নিয়ে যাবে আর অন্য ফেরেশতা হিসাব-নিকাশের সময় তার কর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, এ দু’জন সেই ফেরেশতা, যারা দুনিয়ায় তার আমলনামা লিখত।
২১. আর সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে, তার সঙ্গে থাকবে চালক ও সাক্ষী।(১)
(১) এই আয়াতের পূর্বে কেয়ামত কায়েম হওয়ার কথা আছে। আলোচ্য আয়াতে হাশরের ময়দানে মানুষের হাযির হওয়ার একটি বিশেষ অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। হাশরের ময়দানে প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন ফেরেশতা থাকবে। سائق সেই ব্যক্তিকে বলা হয়, যে জন্তুদের অথবা কোনো দলের পেছনে থেকে তাকে কোনো বিশেষ জায়গায় পৌছে দেয়। شهيد এর অর্থ সাক্ষী। سائقٌ যে ফেরেশতা হবে এ ব্যাপারে সবাই একমত। شهيد সম্পর্কে তফসিরবিদগণের উক্তি বিভিন্নরূপ। কারও কারও মতে সে-ও একজন ফেরেশতাই হবে। এভাবে প্রত্যেকের সাথে দুইজন ফেরেশতা থাকবে। একজন তাকে হাশরের ময়দানে পৌছাবে এবং অপরজন তার কর্মের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে। এই ফেরেশতাদ্বয় ডান ও বামে বসে আমল লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতাও হতে পারে। এবং অন্য দুই ফেরেশতাও হতে পারে। কারও কারও মতে, সে হবে মানুষের আমল এবং কেউ খোদ মানুষও বলেছেন। তবে ফেরেশতা হওয়াই আয়াতের বাহ্যিক অর্থ থেকে বোঝা যায়। (দেখুন: ইবন কাসীর, ফাতহুল কাদীর)
(২১) সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে, তার সাথে থাকবে এক চালক ও সাক্ষী। (1)
(1) سَائِقٌ (চালক) شَهِيْدٌ (সাক্ষী) এর ব্যাপারে মতভেদ আছে। ইমাম ত্বাবারীর নিকট এঁরা হলেন দু’জন ফিরিশতা। একজন মানুষকে হাশরের ময়দান পর্যন্ত হাঁকিয়ে নিয়ে আসবেন এবং অপরজন সাক্ষ্য দেবেন।