وَمَغَانِمَ كَثِيرَةٗ يَأۡخُذُونَهَاۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمٗا

ওয়া মাগা-নিমা কাছীরতাইঁ ইয়া’খুযূনাহা- ওয়া ক-নাল্লা-হু ‘আঝীঝান হাকীমা-।উচ্চারণ

এবং প্রচুর গনীমতের সম্পদ দান করেছেন যা তারা অচিরেই লাভ করবে। ৩৪ আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী। তাফহীমুল কুরআন

এবং বিপুল পরিমাণ গনীমতের মালও, যা তারা হস্তগত করবে। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুফতী তাকী উসমানী

এবং বিপুল পরিমাণ যুদ্ধ লদ্ধ সম্পদ যা তারা হস্তগত করবে; আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মুজিবুর রহমান

এবং বিপুল পরিমাণে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, যা তারা লাভ করবে। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধে লভ্য সম্পদ, যা এরা হস্তগত করবে ; আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দিয়ে যা তারা গ্রহণ করবে; আর আল্লাহ হলেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।আল-বায়ান

আর বিপুল পরিমাণ গানীমাত যা তারা লাভ করবে। আল্লাহ মহা পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।তাইসিরুল

আর প্রচুর যুদ্ধেলব্ধ সম্পদ, তারা তা হস্তগত করবে। আর আল্লাহ্ হচ্ছেন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৪

এটা খায়বার বিজয় ও সেখানকার গনীমতের সম্পদের প্রতি ইঙ্গিত। আর এ আয়াত এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে যে, আল্লাহ‌ তা’আলা এ পুরস্কারটি কেবল তাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন যারা বাইয়াতে রিদওয়ানে শরীক ছিলেন। এ বিজয় ও গনীমতের সম্পদে তাদের ছাড়া আর করো শরীক হওয়ার অধিকার ছিল না। এ কারণে ৭ম হিজরী সনের সফর মাসে রসূলুল্লাহ ﷺ খায়বার আক্রমণের জন্য যাত্রা করলেন তখন তিনি কেবল তাদেরকেই সঙ্গে নিলেন। এতে সন্দেহ নেই যে, পরে নবী (সা.) হাবশা থেকে প্রত্যাবর্তনকারী মুহাজির এবং দাওস ও আশয়ারী গোত্রের কোন কোন সাহাবীকেও খায়বারের গনীমতের মাল থেকে কিছু অংশ দিয়েছিলেন। তবে তা হয় খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) থেকে নয়তো বাইয়াতে রিদওয়ানে অংশ গ্রহণকারীদের সম্মতিক্রমে দিয়েছিলেন। কাউকে তিনি ঐ সম্পদের হকদার বানাননি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯. আর বিপুল পরিমান গণীমতে(১), যা তারা হস্তগত করবে; এবং আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশালী, হিকমতওয়ালা।

(১) এতে খাইবরের যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বোঝানো হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর, কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৯) এবং বিপুল পরিণাম যুদ্ধলব্ধ সম্পদ যা তারা হস্তগত করবে।(1) আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

(1) এগুলো হল গনীমতের সেই সম্পদাদি যা খায়বার থেকে লব্ধ হয়েছিল। এই অঞ্চলটি বড় উর্বর ও শস্য-শ্যামল অঞ্চল ছিল। এরই ফলে মুসলিমরা সেখান থেকে বিপুল পরিমাণে ধন-সম্পদ অর্জন করেন। যেগুলো কেবল হুদাইবিয়ায় অংশ গ্রহণকারীদের মাঝেই বণ্টন করা হয়।