ইন্নামাল হায়া-তুদ্দুনইয়া-লা‘ইবুওঁ ওয়া লাহ উওঁ ওয়া ইন তু’মিনূওয়া তাত্তাকূইউ’তিকুম উজূরকুম ওয়ালা-ইয়াছআলকুম আম ওয়া-লাকুম।উচ্চারণ
দুনিয়ার এ জীবন তাতো খেল তামাশা মাত্র। ৪২ তোমরা যদি ঈমানদার হও এবং তাকওয়ার পথে চলতে থাক তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদেরকে তোমাদের ন্যায্য প্রতিদান অবশ্যই দিবেন। আর তিনি তোমাদের সম্পদ চাইবেন না। ৪৩ তাফহীমুল কুরআন
পার্থিব জীবন তো খেল-তামাশা মাত্র। তোমরা যদি ঈমান আন ও তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তিনি তোমাদেরকে তোমাদের পুরস্কার দান করবেন এবং তিনি তোমাদের কাছে তোমাদের অর্থ-সম্পদ চাবেন না।মুফতী তাকী উসমানী
পার্থিব জীবনতো শুধু ক্রীড়া-কৌতুক। যদি তোমরা ঈমান আন ও তাকওয়া অবলম্বন কর তাহলে আল্লাহ তোমাদের পুরস্কার দিবেন এবং তিনি তোমাদের ধন সম্পদ চাননা।মুজিবুর রহমান
পার্থিব জীবন তো কেবল খেলাধুলা, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও এবং সংযম অবলম্বন কর, আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দেবেন এবং তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চাইবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
পার্থিব জীবন তো কেবল ক্রীড়া-কৌতুক, যদি তোমরা ঈমান আন, তাকওয়া অবলম্বন কর, আল্লাহ্ তোমাদেরকে তোমাদের পুরস্কার দিবেন এবং তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চান না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দুনিয়ার জীবন তো কেবল খেল-তামাশা ও অর্থহীন কথাবার্তা। আর যদি তোমরা ঈমান আন এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তিনি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দিবেন এবং তিনি তোমাদের কাছে ধন-সম্পদ চাইবেন না।আল-বায়ান
দুনিয়ার এ জীবন তো খেলা আর তামাশা মাত্র। তোমরা যদি ঈমান আন, আর আল্লাহকে ভয় করে চল, তিনি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিফল দিবেন (আর এর বিপরীতে) তিনি তোমাদের কাছে তোমাদের মাল ধন চাইবেন না।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ এই দুনিয়ার জীবন শুধু খেলাধূলা ও আমোদ-প্রমোদ। আর যদি তোমরা ঈমান আনো ও ধর্মভীরুতা অবলন্বন কর তবে তিনি তোমাদের প্রদান করবেন তোমাদের পুরস্কার, আর তিনি তোমাদের থেকে তোমাদের ধনসম্পদ চাইবেন না।মাওলানা জহুরুল হক
৪২
অর্থাৎ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার অবস্থা কয়েকদিনের মন ভুলানোর চেয়ে অধিক কিছু নয়। এখানকার সফলতা ও বিফলতা সত্যিকার ও স্থায়ী কোন কিছু নয় যা গুরুত্বের দাবী রাখে। প্রকৃত জীবন হচ্ছে আখেরাতের জীবন। সে জীবনের সফলতার জন্য মানুষের চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। (অধিক জানার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন সূরা আনকাবুত, টীকা ১০২)।
৪৩
অর্থাৎ তিনি অভাব শূন্য। তাঁর নিজের জন্য তোমাদের থেকে নেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি যিনি তোমাদেরকে তার পথে কিছু ব্যয় করতে বলেন, তা নিজের জন্য বলেন না, বরং তোমাদেরই কল্যাণের জন্য বলেন।
৩৬. দুনিয়ার জীবন তো শুধু খেল-তামাশা ও অর্থহীন কথাবার্তা। আর যদি তোমরা ঈমান আন এবং তাকওয়া অবলম্বন কর তবে আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের পুরস্কার দেবেন এবং তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চান না।(১)
(১) আয়াতে বাহ্যিক অর্থ এই যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের কাছে তোমাদের ধনসম্পদ চান না। এর অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তোমাদের ধনসম্পদ তোমাদের কাছ থেকে নিজের কোন উপকারের জন্যে চান না; বরং তোমাদেরই উপকারের জন্যে চান। এই আয়াতেও (يُؤْتِكُمْ أُجُورَكُمْ) শব্দ দ্বারা এই উপকারের উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ তোমাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার জন্যে বলার কারণ এই যে, তোমরা সওয়াবের প্রতি সর্বাধিক মুখাপেক্ষী হবে। তখন এই ব্যয় তোমাদেরই কাজে লাগবে এবং সেখানে তোমাদেরকে এর প্রতিদান দেয়া হবে। এর নজীর হচ্ছে এই আয়াত: (مَا أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍ) অর্থাৎ আল্লাহ বলেনঃ আমি তাদের কাছে নিজের জন্যে কোন জীবনোপকরণ চাই না। আমার এর প্রয়োজনও নেই। (দেখুন: ইবন কাসীর বাগভী, কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর)
(৩৬) পার্থিব জীবন তো শুধু খেল-তামাশা মাত্র।(1) যদি তোমরা বিশ্বাস কর ও আল্লাহ-ভীরুতা অবলম্বন কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে পুরস্কার দেবেন। আর তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চান না। (2)
(1) অর্থাৎ, একটি ধোঁকা ও প্রতারণা মাত্র। এর কোন জিনিসের না আছে ভিত্তি, না আছে তার স্থায়িত্ব এবং না আছে তার কোন মূল্য।
(2) অর্থাৎ, তিনি তোমাদের ধন-সম্পদের মুখাপেক্ষী নন। আর এ জন্যই তিনি তোমাদের কাছে যাকাত হিসাবে তোমাদের নিকট সমস্ত ধন-সম্পদ চাননি; বরং তা থেকে অতি সামান্যতম অংশ চান। অর্থাৎ শতকরা আড়াই ভাগ মাত্র। আবার তাও এক বছর পূর্ণ হবার পর প্রয়োজনের অতিরিক্ত (নিসাব পরিমাণ) হলে। উপরন্তু এর উদ্দেশ্যও আল্লাহর সেই বান্দাদের সাহায্য-সহযোগিতা করা, যারা তোমাদেরই ভাই। তিনি এ দিয়ে তাঁর রাজত্বের প্রয়োজন পূরণ করেন না।