ফাকাইফা ইযা-তাওয়াফফাতহুমুল মালাইকাতুইয়াদরিবূনা উজূহাহুম ওয়াআদবা-রহুম।উচ্চারণ
সে সময় কী অবস্থা হবে যখন ফেরেশতারা তাদের রূহ কবজ করবে এবং তাদের মুখ ও ফিটের ওপর আঘাত করতে করতে নিয়ে যাবে। ৩৭ এসব হওয়ার কারণ হচ্ছে, তাফহীমুল কুরআন
ফেরেশতাগণ যখন তাদের চেহারায় ও পেছন দিকে আঘাত করতে করতে তাদের জান কবজ করবে, তখন তাদের দশা কী হবে?মুফতী তাকী উসমানী
মালাইকা/ফেরেশতারা যখন তাদের মুখমণ্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে তখন তাদের দশা কেমন হবে!মুজিবুর রহমান
ফেরেশতা যখন তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
ফেরেশতারা যখন এদের মুখমণ্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন এদের দশা কেমন হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন ফেরেশতারা তাদের মুখমণ্ডল ও পৃষ্ঠদেশসমূহে আঘাত করতে করতে তাদের জীবনাবসান ঘটাবে?আল-বায়ান
তখন কেমন দশা হবে যখন ফেরেশতারা তাদের মুখে আর পিঠে মারতে মারতে তাদের জান বের করবে।তাইসিরুল
কিন্ত কেমন হবে যখন ফিরিশ্তারা তাদের মুখে ও তাদের পিঠে আঘাত হানতে হানতে তাদের মৃত্যু ঘটাবে?মাওলানা জহুরুল হক
৩৭
অর্থাৎ পৃথিবীতে তারা এ কর্মপন্থা অবলম্বন করেছে এজন্য যাতে নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারে এবং কুফর ও ইসলামের যুদ্ধের বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুর পরে আল্লাহর পাকড়াও থেকে কোথায় গিয়ে রক্ষা পাবে? সে সময় তাদের কোন কৌশলই তাদেরকে ফেরেশতাদের মারের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
যেসব আয়াত দ্বারা স্পষ্টভাবে ‘বরযখ’ অর্থাৎ কবরের আযাব প্রমাণিত হয় এটি তার একটি। এ আয়াত থেকে পরিষ্কার জানা যায় যে, মৃত্যুর সময় থেকেই কাফের ও মুনাফিকদের আযাব শুরু হয়ে যায়। কিয়ামতে তাদের মোকাদ্দমার ফয়সালা হওয়ার পর যে শাস্তি দেয়া হবে এ আযাব তা থেকে ভিন্ন জিনিস। আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন আন নিসা, ৯৭ আয়াত; আল আনআম, ৯৩-৯৪; আল আনফাল, ৫০; আন নাহল, ২৮-৩২; আল মু’মিনূন। ৯৯-১০০; ইয়াসীন, ২৬-২৭ এবং টীকা ২২-২৩ এবং আল মু’মিন, ৪৬, টীকা ৬২ সহ।
২৭. সুতরাং কেমন হবে তাদের দশা! যখন ফেরেশতারা তাদের চেহারা ও পৃষ্ঠাদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে।
(২৭) ফিরিশতারা যখন তাদের মুখমন্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করে তাদের প্রাণ হরণ করবে, তখন (তাদের দশা) কেমন হবে? (1)
(1) এখানে কাফেরদের সেই সময়কার অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে, যখন ফিরিশতাগণ তাদের আত্মা বের করবেন। মৃত্যুর সময় কাফের ও মুনাফিকদের আত্মা ফিরিশতার হাত থেকে বাঁচার জন্য দেহের মধ্যে লুকোচুরি করতে লাগে এবং এদিক ওদিক পালাবার চেষ্টা করে। সে সময় ফিরিশতাগণ তা কঠোরভাবে ধরে সজোরে টানেন এবং মারেন। এই বিষয়টি ইতিপূর্বে সূরা আনআমের ৯৩নং আয়াতে এবং সূরা আনফালের ৫০নং আয়াতেও উল্লিখিত হয়েছে।