তা-‘আতুওঁ ওয়া কাওলুম মা‘রূফুন ফাইযা-‘আঝামাল আমরু ফালাও সাদাকুল্লা-হা লাক-না খাইরল্লাহুম।উচ্চারণ
(তাদের মুখে) আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি এবং ভাল ভাল কথা। কিন্তু যখন অলংঘনীয় নির্দেশ দেয়া হলো তখন যদি তারা আল্লাহর সাথে কৃত নিজেদের অঙ্গীকারের ব্যাপারে সত্যবাদী প্রমাণিত হতো তাহলে তা তাদের জন্যই কল্যাণকর হতো। তাফহীমুল কুরআন
তারা আনুগত্য জাহির করে ও ভালো-ভালো কথা বলে। #%১৩%# যখন (জিহাদের) আদেশ চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন যদি তারা আল্লাহর সাথে সত্যবাদিতার পরিচয় দিত, তবে তাদের জন্য ভালো হত।মুফতী তাকী উসমানী
আনুগত্য ও ন্যায় সঙ্গত বাক্য ওদের জন্য উত্তম ছিল; সুতরাং জিহাদের সিদ্ধান্ত হলে যদি তারা আল্লাহর প্রতি প্রদত্ত অঙ্গীকার পূরণ করত তাহলে তাদের জন্য এটা মঙ্গলজনক হত।মুজিবুর রহমান
তাদের আনুগত্য ও মিষ্ট বাক্য জানা আছে। অতএব, জেহাদের সিন্ধান্ত হলে যদি তারা আল্লাহর প্রতি পদত্ত অংগীকার পূর্ণ করে, তবে তাদের জন্যে তা মঙ্গলজনক হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আনুগত্য ও ন্যায়সংগত বাক্য এদের জন্যে উত্তম ছিল; সুতরাং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হল, যদি এরা আল্লাহ্ র প্রতি প্রদত্ত অঙ্গীকার পূরণ করত তবে তাদের জন্যে এটা অবশ্যই মঙ্গলজনক হত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আনুগত্য ও ন্যায়সঙ্গত কথা (তাদের জন্য) উত্তম। অতঃপর যখন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়, তখন যদি তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা সত্যে পরিণত করত, তবে তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত।আল-বায়ান
(আল্লাহর) আনুগত্য করা ও ন্যায়সঙ্গত কথা বলা। অতঃপর যুদ্ধের সিন্ধান্ত হলে তারা যদি আল্লাহর নিকট দেয়া অঙ্গীকার পূর্ণ করত, তবে তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত।তাইসিরুল
আনুগত্য ও সদয়বাক্য! অতএব যখন ব্যাপারটি সন্বন্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে যায় তখন তারা যদি আল্লাহ্র প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকে তাহলে সেটিই তো তাদের জন্য মঙ্গলজনক।মাওলানা জহুরুল হক
এর অন্য অর্থ হতে পারে, (হে মুহাম্মদ!) তোমার প্রতি আন্তরিক আনুগত্য এবং তোমার সাথে উত্তম ও ন্যায়নিষ্ঠ কথাই তাদের পক্ষে উত্তম। -অনুবাদক
২১. আনুগত্য ও ন্যায়সংগত বাক্য; অতঃপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে যদি তারা আল্লাহ্র প্রতি প্রদত্ত অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করত তবে তাদের জন্য তা অবশ্যই কল্যাণকর হত।
(২১) আনুগত্য করা ও ন্যায়সঙ্গত কথা বলা।(1) সুতরাং জিহাদের সিদ্ধান্ত হলে(2) যদি তারা আল্লাহকে দেওয়া অঙ্গীকার পূরণ করত, (3) তাহলে তাদের জন্য এটা মঙ্গলজনক হত। (4)
(1) অর্থাৎ, জিহাদের নির্দেশ পেয়ে বিচলিত না হয়ে তাদের জন্য এটাই উত্তম ছিল, শুনে আনুগত্য করার মনোভাব প্রদর্শন করা এবং নবী করীম (সাঃ)-এর ব্যাপারে কোন অসভ্য কথা না বলে উত্তম কথা বলা। أوْلَى শব্দের অর্থ এখানে أَجْدَرُ (উত্তম)। আর এই অর্থকেই ইবনে কাসীর (রঃ) গ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ أولى শব্দটিকে হুমকি ও ভীতি প্রদর্শনমূলক শব্দ অর্থাৎ, বদ্দুআমূলক শব্দ বলে গণ্য করেছেন। مَعْنَاهُ قَارَبَهُ مَا يُهْلِكُهُ (তাদের ধ্বংস অতি নিকটেই) অর্থাৎ, তাদের ভীরুতা ও মুনাফিক্বীই তাদের ধ্বংসের কারণ হবে। এই হিসাবে طَاعَةٌ وَقَوْلٌ مَّعْرُوْفٌ হবে সম্পূর্ণ এক নতুন বাক্য; যার উদ্দেশ্যপদ এটি এবং বিধেয়পদ হবে خَيْرٌ لَكُمْ যা এখানে ঊহ্য আছে। (ফাতহুল ক্বাদীর, আয়সারুত তাফাসীর)
(2) অর্থাৎ, জিহাদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এবং তার সময় এসে গেলে।
(3) অর্থাৎ, এখনও যদি তারা মুনাফিক্বী ত্যাগ করে নিজেদের নিয়তকে আল্লাহর জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করে নিত। অথবা রসূল (সাঃ)-এর সামনে তাঁর সঙ্গী হয়ে জিহাদ করার যে অঙ্গীকার করেছিল, তাতে যদি আল্লাহর নিকট তারা সত্যতার প্রমাণ দিত।
(4) অর্থাৎ, মুনাফিক্বী ও বিরুদ্ধাচরণের স্থলে তওবা ও আন্তরিকতা প্রদর্শন মঙ্গলজনক হত।