আফামান ক-না ‘আলা-বাইয়িনাতিম মির রব্বিহী কামান ঝুইয়িনা লাহূছূ উআ‘মালিহী ওয়াত্তাবা‘ঊআহওয়া-আহুম।উচ্চারণ
এমনকি কখনো হয়, যে ব্যক্তি তার রবের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট হিদায়াতের ওপর আছে সে ঐ সব লোকের মত হবে যাদের মন্দ কাজকর্মকে সুদৃশ্য বানিয়ে দেয়া হয়েছে এবং তারা নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসারী হয়ে গিয়েছে? ১৯ তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং (বল তো), যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের পক্ষ হতে এক উজ্জ্বল পথে রয়েছে, সে কি তাদের মত হতে পারে যাদের দুষ্কর্মকে তাদের দৃষ্টিতে শোভন করে তোলা হয়েছে এবং যারা তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে থাকে?মুফতী তাকী উসমানী
যে ব্যক্তি তার রাব্ব হতে প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার ন্যায় যার নিকট নিজের মন্দ কাজগুলি শোভন প্রতীয়মান হয় এবং যারা নিজ খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে?মুজিবুর রহমান
যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত নিদর্শন অনুসরণ করে, সে কি তার সমান, যার কাছে তার মন্দ কর্ম শোভনীয় করা হয়েছে এবং যে তার খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে ব্যক্তি তার প্রতিপালক-প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তার ন্যায়, যার নিকট নিজের মন্দ কর্মগুলি শোভন প্রতীয়মান হয় এবং যারা নিজ খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ব্যক্তি তার রবের পক্ষ থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত, যার মন্দ আমল তার জন্য চাকচিক্যময় করে দেয়া হয়েছে এবং যারা তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে?আল-বায়ান
যে ব্যক্তি তার প্রতিপালক থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত যার কাছে তার মন্দ কর্ম সুশোভিত করা হয়েছে আর তারা নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে।তাইসিরুল
যে তার প্রভুর কাছ থেকে এক স্পষ্ট প্রমাণের উপরে রয়েছে সে কি তবে তার মতো যার কাছে তার মন্দ কার্যকলাপকে চিত্তাকর্ষক করা হয়েছে? ফলে তারা নিজেদের কামনা-বাসনারই অনুসরণ করে।মাওলানা জহুরুল হক
১৯
অর্থাৎ এটা কি করে সম্ভব যে, নবী এবং তাঁর অনুসারীগণ যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা স্পষ্ট ও সোজা পথ লাভ করেছেন এবং পূর্ণ দূরদৃষ্টির আলোকে তাঁরা তার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তখন সেসব লোকদের সাথে চলবেন যারা পুরনো জাহেলিয়াতকে আঁকড়ে ধরে আছে, যারা নিজেদের গোমরাহীকে হিদয়াত এবং কুকর্মকে উত্তম মনে করেছে এবং যারা কোন যুক্তি প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং নিজেদের প্রবৃত্তির ইচ্ছানুসারে কোনটি হক ও কোনটি বাতিল তার ফয়সালা করে থাকে। তাই এ দুই গোষ্ঠির জীবন এখন দুনিয়াতে এক রকম হতে পারে না, তেমনি আখেরাতেও তাদের পরিণাম এক রকম হতে পারে না।
১৪. যে ব্যক্তি তার রব প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তার ন্যায় যার কাছে নিজের মন্দ কাজগুলো শোভন করে দেয়া হয়েছে এবং যারা নিজ খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেছে?
(১৪) যে ব্যক্তি তার প্রতিপালক হতে (আগত) সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তার মত, যার নিকট নিজের মন্দ কর্মগুলো শোভনীয় প্রতীয়মান হয় এবং যারা নিজেদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে? (1)
(1) ‘মন্দ কর্ম’ বলতে শিরক ও অবাধ্যতাকে বুঝানো হয়েছে। এর অর্থও তা-ই যা পূর্বে বহু স্থানে উল্লিখিত হয়েছে। আর তা হল, মু’মিন ও কাফের, মুশরিক ও তাওহীদবাদী এবং সৎলোক ও অসৎলোক সমান হতে পারে না। একজনের জন্যে আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম প্রতিদান এবং জান্নাতের নিয়ামতসমূহ। পক্ষান্তরে অপরজনের জন্য রয়েছে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি। পরের আয়াতে উভয়ের পরিণামের কথা বর্ণনা করা হচ্ছে। প্রথমে সেই জান্নাতের বৈশিষ্ট্য ও তার সৌন্দর্যের কথা, যার প্রতিশ্রুতি আল্লাহভীরু পরহেজগার বান্দাদেরকে দেওয়া হয়েছে।