কুল্লিলা-হু ইউহঈকুম ছু ম্মা ইয়াজমা‘উকুম ইলা-ইয়াওমিল কিয়া-মাতি লা-রইবা ফীহি ওয়ালা-কিন্না আকছারন্না-ছি লা-ইয়া‘লামূন।উচ্চারণ
হে নবী, এদের বলো, আল্লাহই তোমাদের জীবন দান করেন এবং তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটান। ৩৭ তিনিই আবার সেই কিয়ামতের দিন তোমাদের একত্রিত করবেন যার আগমনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। ৩৮ কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানে না। ৩৯ তাফহীমুল কুরআন
বলে দাও, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন তারপর কিয়ামতের দিন তোমাদের সকলকে সমবেত করবেন, #%১০%# যে বিষয়ে কোন রকম সন্দেহ নেই, কিন্তু অধিকাংশ লোকে বোঝে না।মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন ও তোমাদের মৃত্যু ঘটান। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামাত দিবসে একত্রিত করবেন যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানেনা।মুজিবুর রহমান
আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘আল্লাহ্ই তোমাদেরকে জীবন দান করেন ও তোমাদের মৃত্যু ঘটান। এরপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামত দিবসে একত্র করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আল্লাহই তোমাদের জীবন দেন তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান। তারপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামতের দিনে একত্র করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই; কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানে না।আল-বায়ান
বল- আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন অতঃপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে ক্বিয়ামতের দিন একত্রিত করবেন যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।তাইসিরুল
তুমি বলো -- "আল্লাহ্ই তোমাদের জীবন দান করেন, তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান, তারপর তিনি তোমাদের একত্রিত করবেন কিয়ামতের দিনে -- তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্ত অধিকাংশ লোকেই জানে না।"মাওলানা জহুরুল হক
৩৭
তারা বলতো, কালের প্রবাহ ও সময়ের বিবর্তনের আপনা থেকেই মৃত্যু আসে। এটা তাদের সেই কথার জবাব। বলা হচ্ছে, না তোমরা আকস্মিকভাবে জীবন লাভ করে থাকো, না আপনা থেকেই তোমাদের মৃত্যু সংঘটিত হয়। একজন আল্লাহ আছেন, যিনি তোমাদের জীবন দান করেন এবং তিনিই তা কেড়ে নেন।
৩৮
তারা বলতো, আমাদের বাপ-দাদাদের জীবিত করে আনো, এটা তারই জবাব। এতে বলা হচ্ছে, তা এখন হবে না এবং বিচ্ছিন্নভাবেও হবে না। বরং সব মানুষকে একত্রিত করার জন্য একটি দিন নির্দিষ্ট আছে।
৩৯
অর্থাৎ অজ্ঞতা এবং চিন্তা ও দৃষ্টির সংকীর্ণতাই মানুষের আখেরাত অস্বীকৃতির মূল কারণ। তা না হলে প্রকৃতপক্ষে আখেরাত সংঘটিত হওয়া নয়, না হওয়াই বিবেক ও যুক্তি-বুদ্ধির পরিপন্থী।কোন ব্যক্তি যদি সঠিকভাবে বিশ্ব-জাহানের ব্যবস্থাপনা ও নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা করে তাহলে সে আপনা থেকেই অনুভব করবে যে, আখেরাত সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।
অর্থাৎ আখেরাতে বিশ্বাসের মানে হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষকে একত্র করবেন। এমন নয় যে, তিনি এ দুনিয়াতেই মৃতদেরকে জীবিত করবেন। সুতরাং আখেরাতের আকীদার বিপরীতে তোমাদের এই দাবি বিলকুল অবান্তর যে, ‘আমাদের বাপ-দাদাদেরকে জীবিত করে আন। বাকি এই প্রশ্ন যে, মৃতদের পুনরায় জীবিত হওয়া তো অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার, এর উত্তর হল, যেই আল্লাহ তোমাদেরকে প্রথমবার সম্পূর্ণ নাস্তি হতে সৃষ্টি করেছেন, তার পক্ষে তোমাদের জান কবয করার পর পুনরায় সৃষ্টি করা কঠিন হবে কেন? বিশেষত যখন এই মহা বিশ্বের রাজত্ব কেবল তারই হাতে?
২৬. বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান। তারপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামতের দিনে একত্র করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষ তা জানে না।
(২৬) বল, ‘আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন অতঃপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।’