হা-যা-হুদাওঁ ওয়াল্লাযীনা কাফারূবিআ-য়া-তি রব্বিহিম লাহুম ‘আযা-বুম মির রিজঝিন আলীম।উচ্চারণ
এই কুরআন পুরাপুরি হেদায়াতের কিতাব। সেই লোকদের জন্য কঠিন জ্বালাদায়ক আযাব রয়েছে। যারা নিজেদের রব-এর আয়াতগুলোকে মেনে নিতে অস্বীকার করছে। তাফহীমুল কুরআন
এটা (অর্থাৎ কুরআন আদ্যোপান্ত) হেদায়াত। যারা নিজ প্রতিপালকের আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে তাদের জন্য আছে মহা মুসিবতের মর্মন্তুদ শাস্তি।মুফতী তাকী উসমানী
কুরআন সৎ পথের দিশারী; যারা তাদের রবের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।মুজিবুর রহমান
এটা সৎপথ প্রদর্শন, আর যারা তাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এই কুরআন সৎপথের দিশারী; যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে, এদের জন্যে রয়েছে অতিশয় মর্মন্তুদ শাস্তি।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এই (কুরআন) হিদায়াত দানকারী। আর যারা তাদের রবের আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক আযাব।আল-বায়ান
এ (কুরআন) সঠিক পথের দিশারী। যারা তাদের পালনকর্তার নিদর্শনগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য আছে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।তাইসিরুল
এই হচ্ছে পথনির্দেশ, আর যারা তাদের প্রভুর বাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্য রয়েছে কলুষতার দরুন মর্মন্তুদ শাস্তি।মাওলানা জহুরুল হক
১১. এ কুরআন সৎপথের দিশারী; আর যারা তাদের রবের আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করে, তাদের জন্য রয়েছে খুবই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
(১১) এ (কুরআন)(1) সৎপথের দিশারী। যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় কষ্টদায়ক শাস্তি। (2)
(1) هٰذَا (এ) অর্থাৎ, কুরআন সৎপথের দিশারী। কারণ, এর অবতীর্ণ হওয়ার উদ্দেশ্যই হল মানুষকে কুফরী ও শিরকের অন্ধকার থেকে বের করে ঈমানের আলোয় নিয়ে আসা। তাই এটা যে পূর্ণ হিদায়াত ও সৎপথের দিশারী গ্রন্থ, তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এ থেকে হিদায়াত তো সে-ই পাবে, যে এর জন্য স্বীয় বক্ষকে উন্মুক্ত করে দেবে। অন্যথা সে ব্যক্তি কিভাবে পথ পাবে, যে পথের খোঁজই করে না?
(2) أَلِيْمٌ হল عَذَابٌ এর ‘সিফাত’ (বিশেষণ)। কেউ কেউ একে رِجْزٌ এর সিফাত বলেছেন। رِجْزٌ মানে عَذَابٌ شَدِيْدٌ (কঠিন শাস্তি)।