۞وَلَمَّا ضُرِبَ ٱبۡنُ مَرۡيَمَ مَثَلًا إِذَا قَوۡمُكَ مِنۡهُ يَصِدُّونَ

ওয়ালাম্মা-দুরিবাবনুমারইয়ামা মাছালান ইযা-কাওমুকা মিনহু ইয়াসিদ্দূন।উচ্চারণ

আর যেই মাত্র ইবনে মারয়ামের উদাহরণ দেয়া হলো তোমার কওম হৈ চৈ শুরু করে দিলো তাফহীমুল কুরআন

যখন (ঈসা) ইবনে মারয়ামের উদাহরণ দেওয়া হল, অমনি তোমার সম্প্রদায় তা নিয়ে হৈ-চৈ শুরু করে দিল। #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী

যখন মারইয়াম তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয় তখন তোমার সম্প্রদায় শোরগোল শুরু করে দেয়।মুজিবুর রহমান

যখনই মরিয়ম তনয়ের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা হল, তখনই আপনার সম্প্রদায় হঞ্জগোল শুরু করে দিলমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যখন মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার সম্প্রদায় তাতে শোরগোল আরম্ভ করে দেয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যখনই মারইয়াম পুত্রকে দৃষ্টান্তস্বরূপ পেশ করা হয়, তখন তোমার কওম শোরগোল শুরু করে দেয়।আল-বায়ান

যখন মারইয়াম-পুত্র ‘ঈসার দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়, তখন তোমার জাতির লোকেরা হট্টগোল শুরু করে দেয়,তাইসিরুল

আর যখন মরিয়মের পুত্রের দৃষ্টান্ত ছোঁড়া হয় তখন দেখো, তোমার স্বজাতি তাতে শোরগোল তোলে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

মূর্তিপূজকদেরকে লক্ষ করে যখন সূরা আম্বিয়ার এক আয়াতে বলা হল, ‘নিশ্চিতভাবে জেনে রেখ, তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে যে উপাস্যদের পূজা তোমরা কর, সকলেই জাহান্নামের ইন্ধন (২১ : ৯৮), তখন এক কাফের তার উপর প্রশ্ন তুলল, বহু লোক হযরত ঈসা আলাইহিস সালামেরও উপাসনা করে। এ আয়াতের দাবি অনুযায়ী তিনিও কি তবে জাহান্নামের ইন্ধন? অথচ মুসলিমদের বিশ্বাস তিনি আল্লাহ তাআলার একজন মনোনীত নবী ছিলেন। তার এ কথা শুনে অন্যান্য কাফেরগণ আনন্দে হল্লা করে উঠল যে, এই ব্যক্তি বড় খাসা প্রশ্ন করেছে। অথচ তার প্রশ্নটি ছিল একেবারেই অবান্তর। কেননা আয়াতের সম্বোধন ছিল মূর্তিপূজকদের প্রতি, খ্রিস্টানদের প্রতি নয় এবং তাতে মূর্তি ছাড়া এমন লোকও আয়াতের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যারা মানুষকে নিজেদের উপাসনা করতে বলত। সুতরাং হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের কথা এর মধ্যে আসেই না। সে ঘটনার পটভূমিতেই আলোচ্য আয়াতসমূহ নাযিল হয়েছিল। এর শানে নুযুল সম্পর্কে অন্য রকম বর্ণনাও আছে। যেমন, এক কাফের বলেছিল, হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে যেমন আল্লাহর পুত্র সাব্যস্ত করা হয়েছে, তেমনি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও একদিন নিজেকে আল্লাহর পুত্র বলে ঘোষণা করবেন। তার সে মন্তব্যেও অন্যান্য কাফেরগণ খুশীতে চিৎকার করে উঠেছিল। তার জবাবে এ আয়াত নাযিল হয়। তবে উভয় বর্ণনার মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নেই। অসম্ভব নয় যে, উভয় ঘটনাই ঘটেছিল এবং আল্লাহ তাআলা এ আয়াতের মাধ্যমে একত্রে উভয়েরই জবাব দিয়েছেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৭. আর যখনই মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত পেশ করা হয়, তখন আপনার সম্প্রদায় তাতে শোরগোল আরম্ভ করে দেয়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৭) যখন মারয়্যাম-তনয় (ঈসা)র দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার সম্প্রদায় শোরগোল আরম্ভ করে দেয়,