أَمۡ أَنَا۠ خَيۡرٞ مِّنۡ هَٰذَا ٱلَّذِي هُوَ مَهِينٞ وَلَا يَكَادُ يُبِينُ

আম আনা খাইরুম মিন হা-যাল্লাযী হুওয়া মাহীনুওঁ ওয়ালা-ইয়াক-দুইউবীন।উচ্চারণ

আমিই উত্তম না এই ব্যক্তি যে হীন ও নগণ্য ৪৭ এবং নিজের বক্তব্যও স্পষ্ট করে বর্ণনা করতে পারে না। ৪৮ তাফহীমুল কুরআন

বরং আমিই ওই ব্যক্তি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ, যে অতি হীন এবং পরিষ্কার করে কথা বলাও যার পক্ষে কঠিন।মুফতী তাকী উসমানী

আমি কি শ্রেষ্ঠ নই এই ব্যক্তি হতে যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলতে অক্ষম?মুজিবুর রহমান

আমি যে শ্রেষ্ট এ ব্যক্তি থেকে, যে নীচ এবং কথা বলতেও সক্ষম নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলতেও অক্ষম ! ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি কি এই ব্যক্তি থেকে শ্রেষ্ঠ নই, যে হীন এবং স্পষ্ট বর্ণনা করতে প্রায় অক্ষম’?আল-বায়ান

আমি কি এ লোক থেকে শ্রেষ্ঠ নই যে নীচ, যে নিজের কথাটিও স্পষ্ট করে বলতে অক্ষম!তাইসিরুল

"বস্তুতঃ আমি বেশি ভাল এর চেয়ে যে স্বয়ং হীন-ঘৃণ্য, ও স্পষ্টবাদিতার যার ক্ষমতা নেই।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৭

অর্থাৎ যার কাছে না আছে অর্থ-সম্পদ না আছে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব।

৪৮

কোন কোন মুফাসসিরের ধারণা, বাল্যকাল থেকেই হযরত মূসার (আ) কথায় যে তোতলামি ছিল সে বিষয়েই ফেরাউনের এই আপত্তি। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। সূরা তোহাতে একথা বলা হয়েছে যে, হয়রত মূসাকে (আ) যে সময় নবুওয়াতের পদ-মর্যাদার ভূষিত করা হচ্ছিলো তখন তিনি আল্লাহর কাছে এই বলে প্রার্থনা করেছিলেন যে আমার কথার জড়তা দূর করে দিন যাতে মানুষ ভালভাবে আমার কথা বুঝতে পারে। সেই সময়ই তাঁর অন্যান্য প্রার্থনার সাথে এই প্রার্থনাও মঞ্জুর করা হয়েছিলো (আয়াতে ২৭ থেকে ৩৬)। তাছাড়া কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে হযরত মূসার (আ) যেসব বক্তৃতা উদ্ধৃত করা হয়েছে তা তাঁর পূর্ণ মাত্রার সাবলীল ভাষার প্রতি ইঙ্গিত করে। অতএব, ফেরাউনের আপত্তির কারণ তাঁর কথার তোতলামি ছিল না। বরং তার আপত্তির বিষয় ছিল এই যে, এ ব্যক্তি অজানা কি সব এলোমেলো কথাবার্তা বলে যার উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় কখনো আমাদের বোধগম্য হয়নি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫২. নাকি আমি এ ব্যক্তি হতে শ্ৰেষ্ঠ নই, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলতেও প্রায় অক্ষম!

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫২) আমি যে এ ব্যক্তি হতে শ্রেষ্ঠ, যে নীচ(1) এবং স্পষ্ট কথা বলতেও অক্ষম? (2)

(1) أَمْ এখানে ‘ইযরাব’ অর্থাৎ, بَلْ (বরং) অর্থে ব্যবহার হয়েছে। আবার কারো নিকট أَمْ ‘ইস্তিফহামিয়া’ (প্রশ্নবোধক) শব্দ।

(2) এখানে মূসা (আঃ)-এর তোতলা হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। আর এ কথা সূরা ত্বাহা ২৭ আয়াতেও আলোচিত হয়েছে।