ওয়া ইয়া‘লামাল্লাযীনা ইউজা-দিলূনা ফীআ-য়া-তিনা- মা-লাহুম মিম মাহীস।উচ্চারণ
আমার নিদর্শনসমূহ নিয়ে যারা বিতর্ক করে সেই সময় তারা জানতে পারবে, তাদের আশ্রয় লাভের কোন জায়গা নেই। ৫৪ তাফহীমুল কুরআন
এবং যারা আমার আয়াতসমূহে বিতর্ক সৃষ্টি করে, তারা বুঝতে পারত, তাদের জন্য নিষ্কৃতির কোন স্থান নেই।মুফতী তাকী উসমানী
আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বির্তক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই।মুজিবুর রহমান
এবং যারা আমার ক্ষমতা সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা যেন জানে যে, তাদের কোন পলায়নের জায়গা নেই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বিতর্ক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিষ্কৃতি নেই।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যারা আমার নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে বাক বিতন্ডা করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন আশ্রয়স্থল নেই।আল-বায়ান
(আর ওগুলোকে ধ্বংস করা হয়) এজন্যও যে, আমার আয়াত নিয়ে যারা বিতর্ক করে তারা যেন জেনে নেয় যে, তাদের (আল্লাহর কাছ থেকে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার জন্য) কোন আশ্রয়স্থল নেই।তাইসিরুল
আর যেন যারা আমাদের নিদর্শনগুলো সন্বন্ধে তর্কবিতর্ক করে তারা জানতে পারে। তাদের জন্য কোনো আশ্রয়স্থল নেই।মাওলানা জহুরুল হক
৫৪
কুরাইশদেরকে তাদের বাণিজ্যিক কায়কারবারের উদ্দেশ্যে হাবশা এবং আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চলের দিকে যেতে হতো। এসব সফরে তারা পালের জাহাজ ও নৌকায় লোহিত সাগর পাড়ি দিত যা একটি ভয়ানক সাগর। প্রায়ই তা ঝঞ্ঝা বিক্ষুদ্ধ থাকে এবং তার পানির নীচে বিপুল সংখ্যক পাহাড় বিদ্যমান। বিক্ষুব্ধ সমুদ্রে এসব পাহাড়ের সাথে জাহাজের ধাক্কা খাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ এখানে সে অবস্থা চিত্রিত করেছেন নিজেদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে কুরাইশরা তা ভালভাবে উপলব্ধি করতে পারতো।
৩৫. আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বিতর্ক করে তারা যেন জানয়ে পারে যে, তাদের কোন আশ্ৰয়স্থল নেই।
(৩৫) যাতে আল্লাহর নিদর্শনাবলী সম্পর্কে যারা বিতর্ক করে(1) তারা জানতে পারে যে, তাদের কোন নিষ্কৃতি নেই।(2)
(1) অর্থাৎ, তা অস্বীকার করে।
(2) অর্থাৎ, পালিয়ে আল্লাহর আযাব থেকে তারা নিষ্কৃতি লাভ করতে পারবে না।