ওয়া ইযা আন‘আমনা-‘আলাল ইনছা-নি আ‘রদা ওয়া নাআ-বিজা-নিবিহী ওয়া ইযা-মাছছাহুশ শাররু ফাযূদুআইন ‘আরীদ।উচ্চারণ
আমি যখন মানুষকে নিয়ামত দান করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং গর্বিত হয়ে ওঠে। ৬৭ কিন্তু যখনই কোন অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন লম্বা চওড়া দোয়া করতে শুরু করে। ৬৮ তাফহীমুল কুরআন
আমি মানুষের প্রতি যখন কোন অনুগ্রহ করি, তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও পার্শ্ব পরিবর্তন করে দূরে সরে যায়। আবার তাকে যখন কোন অমঙ্গল স্পর্শ করে, তখন সে লম্বা-চওড়া দুআকারী হয়ে যায়।মুফতী তাকী উসমানী
যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও দূরে সরে যায় এবং তাকে অনিষ্টতা স্পর্শ করলে সে তখন দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়।মুজিবুর রহমান
আমি যখন মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আর যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সুদীর্ঘ দোয়া করতে থাকে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও দূরে সরিয়া যায় এবং তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করলে সে তখন দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে বিমুখ হয় এবং দূরে সরে যায়; আর যখন অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে দীর্ঘ দোআকারী হয়।আল-বায়ান
আমি যখন মানুষকে নি‘মাত দেই তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আর পাশ কেটে (আমার থেকে দূরে) সরে যায়। আর যখন মন্দ তাকে স্পর্শ করে, তখন সে লম্বা-চওড়া দু‘আ করতে থাকে।তাইসিরুল
আর যখন আমরা মানুষের উপরে অনুগ্রহ বর্ষণ করি সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও এর আশপাশ থেকে দূরে সরে যায়, কিন্ত যখন দুঃখকষ্ট তাকে স্পর্শ করে তখন দেখো! সে দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়।মাওলানা জহুরুল হক
৬৭
অর্থাৎ আমার আনুগত্য ও দাসত্ব পরিত্যাগ করে এবং আমার সামনে মাথা নত করাকে নিজের অপমান মনে করতে থাকে।
৬৮
কুরআন মজীদে এ বিষয় সম্পর্কিত আরো কতিপয় আয়াত আমরা পেয়েছি। বিষয়টি পুরোপুরি বুঝার জন্য নিচে বর্ণিত স্থানসমূহ দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, সূরা ইউনুস, আয়াত ১২; সূরা হূদ, আয়াত ৯ ও ১০ টীকাসহ; বনী ইসরাঈল, আয়াত ৮৩, সূরা-রূম, আয়াত ৩৩ থেকে ৩৬ টীকাসহ; আয যুমার, আয়াত ৮, ৯ ও ৪৯।
৫১. আর যখন আমরা মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও দূরে সরে যায়। আর যখন তাকে অকল্যাণ স্পর্শ করে তখন সে দীর্ঘ প্রার্থনাকারী হয়।
(৫১) মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করলে, সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও অহংকারে দূরে সরে যায়(1) এবং তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করলে, সে তখন দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়। (2)
(1) অর্থাৎ, সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সত্যের অনুসরণ করা থেকে দূরে সরে যায় এবং ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে থাকে।
(2) অর্থাৎ, আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি ও অনুনয়-বিনয় সহকারে লম্বা-চওড়া দু’আ করে; যাতে ঐ বিপদ ও অনিষ্ট দূর করে দেন। এমন মানুষ দুঃখ ও বিপদে আল্লাহকে স্মরণ করে, কিন্তু সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁকে ভুলে বসে। অভাব-অনটনের সময় সে তাঁর কাছে ফরিয়াদ করে, কিন্তু ধনবত্তা ও সচ্ছলতার সময় তাঁকে স্মরণ করে না।