ওয়া ইয়াওমা ইউহশারু আ‘দাউল্লা-হি ইলান্না-রি ফাহুম ইউঝা‘ঊন।উচ্চারণ
আর সেই সময়ের কথাও একটু চিন্তা করো যখন আল্লাহর এসব দুশমনকে দোযখের দিকে যাওয়ার জন্য পরিবেষ্টিত করা হবে। ২৩ তাদের অগ্রবর্তীদেরকে পশ্চাদবর্তীদের আগমন করা পর্যন্ত থামিয়ে রাখা হবে। ২৪ তাফহীমুল কুরআন
সেই দিনকে স্মরণ রাখ, যে দিন আল্লাহর শত্রুদেরকে একত্র করে আগুনের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে আর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে জাহান্নাম অভিমুখে সমবেত করা হবে সেদিন তাদেরকে বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।মুজিবুর রহমান
যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে নেওয়া হবে। এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যেদিন আল্লাহ্ র শত্রুদেরকে জাহান্নামের দিকে সমবেত করা হবে সেদিন এদেরকে বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যেদিন আল্লাহর দুশমনদেরকে আগুনের দিকে সমবেত করা হবে তখন তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিন্যস্ত করা হবে।আল-বায়ান
যে দিন আল্লাহর দুশমনদেরকে জাহান্নামের দিকে সমবেত করা হবে, তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিন্যস্ত করা হবে।তাইসিরুল
আর সেই দিন যখন আল্লাহ্র শত্রুদের সমবেত করা হবে আগুনের দিকে, ফলে ওদের দল বাঁধা হবে, --মাওলানা জহুরুল হক
২৩
মূল উদ্দেশ্য একথা বলা যে আল্লাহর আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তাদের পরিবেষ্টন করে আনা হবে। কিন্তু এ বিষয়টিকেই এ ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, দোযখের দিকে যাওয়ার জন্য পরিবেষ্টন করে আনা হবে। কেননা দোযখে যাওয়াই তাদের শেষ পরিণাম।
২৪
অর্থাৎ এক একটি বংশ ও প্রজন্মের হিসাব-নিকাশ করে একটার পর একটা সিদ্ধান্ত দেয়া হবে তা নয়। বরং আগের ও পরের সমস্ত বংশ ও প্রজন্মকে একই সময়ে একত্র করা হবে এবং এক সাথেই তাদের হিসাব-নিকাশ নেয়া হবে। কারণ, কোন মানুষ তার জীবনে ভাল মন্দ যে কাজই করুক না কেন তার জীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথে তার প্রভাব শেষ হয় না, বরং তার মৃত্যুর পরও দীর্ঘদিন পর্যন্ত চলতে থাকে। এক্ষেত্রে সৃষ্ট প্রভাবের জন্য সে-ই দায়ী। অনুরূপ একটি প্রজন্ম তার সময়ে যা কিছুই করে পরবর্তী প্রজন্মসমূহের মধ্যে তার প্রভাব শতাব্দীর পর শতাদ্বী ধরে চলতে থাকে। এই উত্তরাধিকারের জন্য মূলত সে-ই দায়ী হয়। ভুল-ত্রুটি নির্ণয় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার এই সমস্ত প্রভাব ও ফলাফল পর্যালোচনা করা এবং তার সাক্ষ্য প্রমাণ তুলে ধরা অপরিহার্য। এ কারণেই কিয়ামতের দিন প্রজন্মসমূহ একের পর এক আসতে থাকবে এবং তাদেরকে অবস্থান করানো হতে থাকবে। যখন আগের ও পরের সবাই এসে একত্রিত হবে তখনি কেবল আদালতের কার্যত্রুম শুরু হবে। (আরো ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, আল আ’রাফ, টীকা ৩০)।
অর্থাৎ একেক ধরনের অপরাধীদেরকে একেকটি দলে ভাগ করে দেওয়া হবে। তারপর তাদেরকে জাহান্নামের কাছে অপেক্ষায় রাখা হবে যাতে সমস্ত দল সেখানে সমবেত হয়ে যায় (-অনুবাদক, তাফসীরে উসমানী থেকে গৃহীত)।
১৯. আর যেদিন আল্লাহ্র শত্রুদেরকে আগুনের দিকে সমবেত করা হবে, সেদিন তাদেরকে বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।
(১৯) (স্মরণ কর,) যেদিন(1) আল্লাহর শত্রুদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করার জন্য সমবেত করা হবে এবং ওদেরকে বিভিন্ন দলে বিন্যস্ত করা হবে, (2)
(1) এখানে اذْكُر ঊহ্য আছে। অর্থাৎ, (সেই দিনকে স্মরণ কর,) যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে জাহান্নামের ফিরিশতারা একত্রিত করবেন। অর্থাৎ, প্রথম থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত সকল শত্রুরা একত্রিত হবে।
(2) يُوزَعون অর্থাৎ, তাদেরকে থামিয়ে থামিয়ে প্রথম থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত সকলকে একত্রিত করা হবে। (ফাতহুল ক্বাদীর) এই শব্দের আরো ব্যাখ্যা জানার জন্য দ্রষ্টব্য সূরা নামলের ১৭নং আয়াতের টীকা।