ওয়া আম্মা-ছামূদুফাহাদাইনা-হুম ফাছতাহাব্বুল ‘আমা-‘আলাল হুদা-ফাআখাযাতহুম সা-‘ইকাতুল ‘আযা-বিল হূনি বিমা-ক-নূইয়াকছিবূন।উচ্চারণ
আর আমি সামূদের সামনে সত্য পথ পেশ করেছিলাম কিন্তু তারা পথ দেখার চেয়ে অন্ধ হয়ে থাকা পছন্দ করলো। অবশেষে তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের ওপর লাঞ্ছনাকর আযাব ঝাঁপিয়ে পড়লো। তাফহীমুল কুরআন
আর ছামূদের ঘটনা হল আমি তাদেরকে সরল পথ দেখিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সরল পথ অবলম্বনের চেয়ে বিভ্রান্ত থাকাকেই বেশি পছন্দ করল। সুতরাং তারা যা অর্জন করেছিল তার ফলে তাদেরকে আঘাত হানল লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্র।মুফতী তাকী উসমানী
আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার এই যে, আমি তাদেরকে পথ নির্দেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা সৎ পথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করেছিল। অতঃপর তাদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আঘাত হানলো তাদের কৃতকর্মের পরিণাম স্বরূপ।মুজিবুর রহমান
আর যারা সামূদ, আমি তাদেরকে প্রদর্শন করেছিলাম, অতঃপর তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধ থাকাই পছন্দ করল। অতঃপর তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদেরকে অবমাননাকর আযাবের বিপদ এসে ধৃত করল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি এদেরকে পথনির্দেশ করেছিলাম, কিন্তু এরা সৎপথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করেছিল। এরপর এদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্র আঘাত হানিল এদের কৃতকর্মের পরিণামস্বরূপ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর সামূদ সম্প্রদায়, আমি তাদেরকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা সঠিক পথে চলার পরিবর্তে অন্ধ পথে চলাই পছন্দ করেছিল। ফলে তাদের অর্জনের কারণেই লাঞ্ছনাদায়ক আযাবের বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল।আল-বায়ান
আর সামূদের অবস্থা এই যে, আমি তাদেরকে সঠিক পথে চলার নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সঠিক পথে চলার পরিবর্তে অন্ধ হয়ে থাকাকেই পছন্দ করে ছিল। তখন তাদের কৃতকর্মের কারণে অপমানজনক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল।তাইসিরুল
আর ছামূদের ক্ষেত্রে -- আমরা তো তাদের পথ দেখিয়েছিলাম কিন্ত তারা পথ দেখার পরিবর্তে অন্ধত্ব ভালবেসেছিল, কাজেই তারা যা অর্জন করেছিল সেজন্য এক লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদের পাকড়াও করেছিল।মাওলানা জহুরুল হক
১৭. আর সামূদ সম্প্রদায়, আমরা তাদেরকে পথনির্দেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধপথে চলা পছন্দ করেছিল। ফলে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদের পাকড়াও করল; তারা যা অর্জন করেছিল তার জন্য।
(১৭) আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি ওদেরকে পথনির্দেশ করেছিলাম;(1) কিন্তু ওরা সৎপথের পরিবর্তে ভ্রান্তপথ অবলম্বন করেছিল।(2) অতঃপর ওদের কৃতকর্মের পরিণামস্বরূপ ওদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আঘাত হানল। (3)
(1) অর্থাৎ, তাদেরকে তাওহীদের দাওয়াত দিয়েছিলাম, তার প্রমাণাদি তাদের সামনে স্পষ্ট করেছিলাম এবং তাদের নবী সালেহ-এর মাধ্যমে তাদের উপর হুজ্জত কায়েম করেছিলাম।
(2) অর্থাৎ, তারা বিরোধিতা করে ও মিথ্যা ভাবে। এমনকি শেষ পর্যন্ত তারা সেই উটনীকেও যবাই করে দেয়, যাকে মু’জিযা স্বরূপ তাদের দাবী অনুযায়ী পাহাড় থেকে বের করা হয়েছিল এবং তা ছিল নবীর সত্যতার দলীল।
(3) صَاعِقَةٌ বলা হয় কঠিন আযাবকে। এই কঠিন আযাব তাদের উপর বিকট শব্দ এবং ভূমিকম্প আকারে আসে। যাতে তাদেরকে লাঞ্ছনা ও অপমান সহ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।