فَلَمۡ يَكُ يَنفَعُهُمۡ إِيمَٰنُهُمۡ لَمَّا رَأَوۡاْ بَأۡسَنَاۖ سُنَّتَ ٱللَّهِ ٱلَّتِي قَدۡ خَلَتۡ فِي عِبَادِهِۦۖ وَخَسِرَ هُنَالِكَ ٱلۡكَٰفِرُونَ

ফালাম ইয়াকুইয়ানফা‘উহুম ঈমা-নুহুম লাম্মা-রআও বা’ছানা- ছুন্নাতাল্লা-হিল্লাতী কাদ খালাত ফী ‘ইবা-দিহী ওয়া খাছির হুনা-লিকাল ক-ফিরূন।উচ্চারণ

কিন্তু আমার আযাব দেখার পর তাদের ঈমান গ্রহণ কোন উপকারে আসার নয়। কারণ, এটাই আল্লাহর সুনির্ধারিত বিধান যা সবসময় তাঁর বান্দাদের মধ্যে চালু ছিল। সেসময় কাফেররা ক্ষতির মধ্যে পড়ে গেল। সে সময় কাফেররা ক্ষতির মধ্যে পড়ে গেল। তাফহীমুল কুরআন

কিন্তু তারা যখন আমার আযাব দেখে ফেলল, তখন আর তাদের ঈমান তাদের কোন উপকারে আসার ছিল না। জেনে রেখ, এটাই আল্লাহর রীতি, যা তার বান্দাদের মধ্যে পূর্ব থেকে চলে আসছে। আর সেক্ষেত্রে কাফেরগণ হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত।মুফতী তাকী উসমানী

তারা যখন আমার শাস্তি প্রত্যক্ষ করল তখন তাদের ঈমান তাদের কোন উপকারে এলোনা। আল্লাহর এই বিধান পূর্ব হতেই তার বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে এবং সেই ক্ষেত্রে কাফিরেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।মুজিবুর রহমান

অতঃপর তাদের এ ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করল। আল্লাহর এ নিয়মই পূর্ব থেকে তাঁর বান্দাদের মধ্যে প্রচলিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাফেররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা যখন আমার শাস্তি প্রত্যক্ষ করল তখন এদের ঈমান এদের কোন উপকারে এলো না। আল্লাহ্ র এই বিধান পূর্ব হতেই তাঁর বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে এবং সেই ক্ষেত্রে কাফিররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তারা যখন আমার আযাব দেখল তখন তাদের ঈমান তাদের কোন উপকার করল না। এটা আল্লাহর বিধান, তাঁর বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে। আর তখনই কাফিররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আল-বায়ান

তারা যখন আমার শাস্তি দেখল তখন তাদের ঈমান (গ্রহণ) তাদের কোন উপকারে আসল না। আল্লাহর (এ) বিধান তাঁর বান্দাহদের উপর (বহু) পূর্ব হতেই (কার্যকর হয়ে) চলে আসছে। আর এ ক্ষেত্রে কাফিররাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তাইসিরুল

কিন্ত যখন তারা আমাদের দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করেছে তখন তাদের বিশ্বাসস্থাপনা তাদের কোনো উপকারে আসবে না। আল্লাহর রীতি যেটি বলবৎ হয়ে রয়েছে তাঁর বান্দাদের মধ্যে, আর অবিশ্বাসীরা তখনই নাস্তানাবুদ হবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৫. কিন্তু তারা যখন আমার শাস্তি দেখল তখন তাদের ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না।(১) আল্লাহর এ বিধান পূর্ব থেকেই তাঁর বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে এবং তখনই কাফিররা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে।

(১) অর্থাৎ আযাব সম্মুখে আসার পর তারা ঈমান আনছে। এ সময়কার ঈমান আল্লাহর কাছে গ্ৰহনীয় ও ধর্তব্য নয়। হাদীসে আছে- মুমূর্ষ অবস্থা ও মৃত্যু কষ্ট শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা বান্দার তওবা কবুল করেন। মৃত্যু কষ্ট শুরু হলে আর তাওবা কবুল হয় না। (তিরমিযী: ৩৫৩৭, ইবনে মাজাহঃ ৪২৫৩)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৫) কিন্তু ওরা যখন আমার শাস্তি প্রত্যক্ষ করল, তখন ওদের বিশ্বাস ওদের কোন উপকারে এল না। আল্লাহর এ বিধান (পূর্ব হতেই) তাঁর দাসদের মধ্যে অনুসৃত হয়ে আসছে।(1) আর তখন অবিশ্বাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হল। (2)

(1) অর্থাৎ, এটাই আল্লাহর নিয়ম চলে আসছে যে, আযাব প্রত্যক্ষ করার পর ঈমান অগ্রহণযোগ্য। এ বিষয়টা কুরআন কারীমের বিভিন্ন স্থানে আলোচিত হয়েছে।

(2) অর্থাৎ, আযাব প্রত্যক্ষ করার পর তাদের কাছে এ কথা পরিষ্কার হয়ে গেল যে, এখন ক্ষতি ও ধ্বংস ছাড়া আমাদের ভাগ্যে অন্য কিছু নেই।