হুওয়াল্লাযী ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু ফাইযা-কাদাআমরন ফাইন্নামা-ইয়াকূলুলাহূ কুন ফাইয়াকূন।উচ্চারণ
তিনিই প্রাণ সঞ্চারকারী এবং তিনিই মৃত্যুদানকারী। তিনি কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে শুধু একটি নির্দেশ দেন যে, তা হয়ে যাক, আর তখনি তা হয়ে যায়। তাফহীমুল কুরআন
তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং তিনি যখন কোনও বিষয়ে ফায়সালা করেন, তখন কেবল বলেন, ‘হয়ে যাও’, অমনি তা হয়ে যায়।মুফতী তাকী উসমানী
তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং যখন তিনি কিছু করা স্থির করেন তখন তিনি বলেনঃ হও, এবং তা হয়ে যায়।মুজিবুর রহমান
তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। যখন তিনি কোন কাজের আদেশ করেন, তখন একথাই বলেন, হয়ে যা’-তা হয়ে যায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং যখন তিনি কিছু করা স্থির করেন তখন তিনি এর জন্যে বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দেন। আর তিনি যখন কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি এজন্য বলেন ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।আল-বায়ান
তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান। যখন কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত করেন, তার জন্য তিনি বলেন- হও, তখন তা হয়ে যায়।তাইসিরুল
তিনিই সেইজন যিনি জীবনদান করেন ও মৃত্যু ঘটান, সুতরাং তিনি যখন কোনো ব্যাপারের বিধান করেন তখন শুধুমাত্র তিনি সে-সন্বন্ধে বলেন -- 'হও’, ফলে তা হয়ে যায়।মাওলানা জহুরুল হক
৬৮. তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং যখন তিনি কিছু করা স্থির করেন তখন তিনি তার জন্য বলেন ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।
(৬৮) তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান(1) এবং যখন তিনি কিছু করা স্থির করেন, তখন তিনি বলেন, ‘হও’ এবং তা হয়ে যায়।(2)
(1) জীবিত করা ও মারা তাঁরই এখতিয়ারাধীন ব্যাপার। তিনি প্রাণহীন শুক্রবিন্দুকে বিভিন্ন স্তরের উপর দিয়ে অতিক্রম করিয়ে একজন জীবন্ত মানুষের আকৃতি দান করেন। অতঃপর নির্দিষ্ট এক সময়ে জীবন্ত এই মানুষটির প্রাণ কেড়ে নিয়ে মৃত্যুর কোলে ঘুম পাড়িয়ে দেন।
(2) তাঁর মহাশক্তির অবস্থা হল এই যে, তাঁর كُنْ (হও) শব্দ দ্বারা সেই জিনিস অস্তিত্বে চলে আসে, যা (হওয়ার) তিনি ইচ্ছা করেন।