ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ كَانَت تَّأۡتِيهِمۡ رُسُلُهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِ فَكَفَرُواْ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُۚ إِنَّهُۥ قَوِيّٞ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ

যা-লিকা বিআন্নাহুম ক-নাত্তা’তীহিম রুছুলুহুম বিলবাইয়িনা-তি ফাকাফারূফাআখাযাহুমুল্লা-হু ইন্নাহূকাবিওউন শাদীদুল ‘ইক-ব।উচ্চারণ

তাদের এহেন পরিণতির কারণ হলো তাদের কাছে তাদের রসূল স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ ৩৪ নিয়ে এসেছিলো আর তারা তা মানতে অস্বীকার করেছিলো। অবশেষে আল্লাহ‌ তাদের পাকড়াও করলেন। নিঃসন্দেহে তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কঠোর শাস্তিদাতা। তাফহীমুল কুরআন

তা এ কারণে যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আসলে তারা তাদেরকে অস্বীকার করত। ফলে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেন। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী, শাস্তিদানে কঠোর।মুফতী তাকী উসমানী

এটা এ জন্য যে, তাদের নিকট তাদের রাসূলগণ নিদর্শনসহ এলে তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিলেন। তিনিতো শক্তিশালী, শাস্তি দানে কঠোর।মুজিবুর রহমান

এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করত, অতঃপর তারা কাফের হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তাদের ধৃত করেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিধর, কঠোর শাস্তিদাতা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এটা এইজন্যে যে, এদের নিকট এদের রাসূলগণ নিদর্শনসহ আসলে এরা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে আল্লাহ্ এদেরকে শাস্তি দিলেন। তিনি তো শক্তিশালী, শাস্তিদানে কঠোর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এটি এ কারণে যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আসত, কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করত। ফলে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করলেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিমান, আযাবদানে কঠোর।আল-বায়ান

এটা এজন্য যে, রসূলগণ তাদের কাছে স্পষ্ট (নিদর্শন) নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন। তিনি প্রবল শক্তিধর, শাস্তিদানে কঠোর।তাইসিরুল

এমনটাই! কেন না তাদের ক্ষেত্রে -- তাদের রসূলগণ তাদের কাছে এসেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্ত তারা অবিশ্বাস করেছিল, কাজেই আল্লাহ্ তাদের পাকড়াও করলেন। নিঃসন্দেহ তিনি মহাশক্তিশালী, প্রতিফলদানে কঠোর।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৪

স্পষ্ট নিদর্শন বলতে তিনটি জিনিস বুঝানো হয়েছে। এক, এমন সুস্পষ্ট চিহ্ন ও নিদর্শন যা তাঁদের আল্লাহ‌ তা’আলা কর্তৃক আদিষ্ট হওয়ার প্রমাণ। দুই, এমন সব উজ্জল প্রমাণ যা তাঁদের আনীত শিক্ষার সত্যতা প্রমাণ করছিলো। তিন, জীবনের বিভিন্ন বিষয় ও সমস্যা সম্পর্কে এমন সব সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা যা দেখে যে কোন যুক্তিবাদী মানুষ বুঝতে পারতো যে, কোন স্বার্থপর মানুষ এরূপ পবিত্র শিক্ষা দিতে পারে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২২. এটা এ জন্যে যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আসত অতঃপর তারা কুফরী করেছিল। ফলে আল্লাহ্ তাদেরকে পাকড়াও করলেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিশালী, শাস্তিদানে কঠোর।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২২) এ এজন্য যে, ওদের নিকট ওদের রসূলগণ নিদর্শনাবলী সহ আসার পর ওরা (তাদেরকে) প্রত্যাখ্যান করেছিল।(1) ফলে আল্লাহ ওদেরকে শাস্তি দিলেন। নিশ্চয়ই তিনি শক্তিশালী, কঠোর শাস্তিদাতা।

(1) এখানে তাদের ধ্বংসের কারণ বর্ণনা করা হচ্ছে। আর তা হল, আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করা এবং নবীদেরকে মিথ্যা ভাবা। এখন তো নবুঅত ও রিসালাতের ধারা বন্ধ, তথাপি বিশ্বজাহানে ও মানুষের মাঝে আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শনাবলী (চতুর্দিকে) বিস্তৃত রয়েছে। এ ছাড়াও ওয়ায-নসীহত এবং দাওয়াত ও তবলীগের মাধ্যমে উলামা ও সত্যের প্রতি আহবানকারীগণ তার বিশ্লেষণ ও দিক নির্দেশনার জন্য বিদ্যমান রয়েছেন। কাজেই আজও যে আল্লাহর নিদর্শনাবলী থেকে বিমুখ হবে এবং দ্বীন ও শরীয়তের ব্যাপারে উদাসীনতা প্রদর্শন করবে, তাদের পরিণামও রিসালাতের অস্বীকারকারী ও তা মিথ্যাজ্ঞানকারীদের থেকে ভিন্ন হবে না।