যা-লিকুম বিআন্নাহূইযা-দু‘ইয়াল্লা-হু ওয়াহদাহূকাফারতুম ওয়া ইয়ঁইউশরক বিহী তু’মিনূ ফালহুকমুলিল্লা-হিল ‘আলিইয়িল কাবীর।উচ্চারণ
(জবাব দেয়া হবে) এ অবস্থা যার মধ্যে তোমরা আছো, তা এ কারণে যে, যখন একমাত্র আল্লাহর দিকে ডাকা হতো তখন তোমরা তা মানতে অস্বীকার করতে। কিন্তু যখন তাঁর সাথে অন্যদেরকেও শামিল করা হতো তখন মেনে নিতে। এখন তো ফায়সালা মহান ও মর্যাদাবান আল্লাহর হাতে। ১৮ তাফহীমুল কুরআন
(উত্তর দেওয়া হবে,) তোমাদের এ অবস্থার কারণ হল, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা তাকে অস্বীকার করতে। আর যদি তার সাথে অন্য কাউকে শরীক করা হত, তোমরা তাতে বিশ্বাস করতে। অতএব এখন ফায়সালা কেবল আল্লাহরই, যিনি সমুচ্চ, সুমহান।মুফতী তাকী উসমানী
তোমাদের এই পার্থিব শাস্তি এ জন্য যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত তখন তোমরা তাঁকে অস্বীকার করতে এবং আল্লাহর শরীক স্থির করা হলে তোমরা তা বিশ্বাস করতে। বস্তুতঃ মহান আল্লাহরই সমস্ত কর্তৃত্ব।মুজিবুর রহমান
তোমাদের এ বিপদ এ কারণে যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা কাফের হয়ে যেতে যখন তার সাথে শরীককে ডাকা হত তখন তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করতে। এখন আদেশ তাই, যা আল্লাহ করবেন, যিনি সর্বোচ্চ, মহান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘তোমাদের এই শাস্তি তার জন্য যে, যখন এক আল্লাহ্কে ডাকা হত তখন তোমরা তাঁকে অস্বীকার করতে এবং আল্লাহ্ র শরীক স্থির করা হলে তোমরা তা বিশ্বাস করতে।’ বস্তুত সমুচ্চ, মহান আল্লাহ্ র ই সমস্ত কর্তৃত্ব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
[তাদেরকে বলা হবে] ‘এটা তো এজন্য যে, যখন আল্লাহকে এককভাবে ডাকা হত তখন তোমরা তাঁকে অস্বীকার করতে আর যখন তাঁর সাথে শরীক করা হত তখন তোমরা বিশ্বাস করতে। সুতরাং যাবতীয় কর্তৃত্ব সমুচ্চ, মহান আল্লাহর’।আল-বায়ান
(তখন তাদেরকে উত্তর দেয়া হবে) তোমাদের এ শাস্তির কারণ এই যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা তা মেনে নিতে অস্বীকার করতে। আর যখন অন্যদেরকে তাঁর অংশীদার গণ্য করা হত, তখন তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করতে। হুকুম দেয়ার মালিক আল্লাহ- যিনি সর্বোচ্চ, সর্বশ্রেষ্ঠ।তাইসিরুল
"এটিই তোমাদের, কেননা যখন আল্লাহ্কে তাঁর একত্ব সন্বন্ধে ঘোষণা করা হতো তখন তোমরা অবিশ্বাস করতে, আর যদি তাঁর সঙ্গে অংশী দাঁড় করানো হতো তাহলে তোমরা বিশ্বাস করতে। বস্তুতঃ হুকুম আল্লাহ্র -- মহোচ্চ, মহামহিম।মাওলানা জহুরুল হক
১৮
অর্থাৎ যে আল্লাহর প্রভুত্ব মেনে নিতে তোমরা রাজি ছিলে না সেই একমাত্র অল্লাহর হাতেই এখন ফায়সালা। আর ইলাহী ক্ষমতা ও কর্তৃত্বে যাদেরকে অংশীদার বানাতে তোমরা জিদ ধরেছিলে, ফায়সালার ক্ষেত্রে এখন তাদের কোন হাত নেই। (একথাটা বুঝার জন্য সূরা যুমারের ৪৫ আয়াত এবং তার ৬৪ নং টীকার প্রতিও লক্ষ্য রাখতে হবে) এ আয়াতংশের মধ্যে আপনা থেকে এ অর্থও অন্তর্ভুক্ত হয়ে আছে যে, এখন আযাবের এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন পথও নেই। কারণ, তোমরা শুধু আখেরাত অস্বীকার করেছিলে তাই নয়, বরং তোমাদের স্রষ্টা ও পালনকর্তা আল্লাহর প্রতিও ছিল তোমাদের চরম বিদ্রূপভাব। তাছাড়া তাঁর সাথে অন্যদের শরীক করা ছাড়া তোমরা আদৌ কোন মানসিক তৃপ্তি লাভ করতে পারতে না।
১২. এটা এজন্যে যে, যখন একমাত্র আল্লাহকে ডাকা হত তখন তোমরা কুফরী করতে, আর যখন তাঁর সাথে শির্ক করা হত তখন তোমরা তাতে বিশ্বাস করতে। সুতরাং যাবতীয় কর্তৃত্ব সমুচ্চ, মহান আল্লাহরই।
(১২) ওদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের এ শাস্তি তো এ জন্যে যে, যখন এককভাবে আল্লাহকে আহবান করা হত, তখন তোমরা (তাঁকে) অস্বীকার করতে। আর তাঁর শরীক স্থির করা হলে তোমরা বিশ্বাস করতে।(1) সুতরাং সুউচ্চ, মহান আল্লাহরই সমস্ত কর্তৃত্ব।’(2)
(1) এখানে তাদের জাহান্নাম থেকে নিষ্কৃতি না পাওয়ার কারণ বর্ণনা করা হয়েছে যে, তোমরা দুনিয়াতে আল্লাহর তাওহীদের অস্বীকারকারী ছিলে এবং শিরক ছিল তোমাদের বাঞ্ছনীয় জিনিস। কাজেই এখন জাহান্নামের চিরন্তন শাস্তি ব্যতীত তোমাদের জন্য অন্য কিছুই নেই।
(2) সেই এক আল্লাহরই নির্দেশ যে, এখন তোমাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের চিরস্থায়ী আযাব এবং তা থেকে বের হওয়ার কোন পথ নেই।