কুল লিল্লা-হিশশাফা-‘আতুজামী‘আন লাহূমুলকুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ছু ম্মা ইলাইহি তুর জা‘ঊন।উচ্চারণ
বলো, সুপারিশ সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর ইখতিয়ারাধীন। ৬৩ আসমান ও যমীনের বাদশাহীর মালিক তিনিই। তোমাদেরকে তাঁরই দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তাফহীমুল কুরআন
বল, সমস্ত সুপারিশ তো আল্লাহরই এখতিয়ারে। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব তাঁরই হাতে। পরিশেষে তাঁরই কাছে তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ সুপারিশ ইখতিয়ারে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই। অতঃপর তাঁরই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হবে।মুজিবুর রহমান
বলুন, সমস্ত সুপারিশ আল্লাহরই ক্ষমতাধীন, আসমান ও যমীনে তাঁরই সাম্রাজ্য। অতঃপর তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই ইখ্তিয়ারে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহরই, এরপর তাঁরই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হবে।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহর মালিকানাধীন। আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব একমাত্র তাঁরই। তারপর তোমরা তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে’।আল-বায়ান
বল- শাফা‘আত সম্পূর্ণ আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। আকাশ ও পৃথিবীর রাজত্ব তাঁরই, অতঃপর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে।তাইসিরুল
বলো -- "সুপারিশ সর্বতোভাবে আল্লাহ্রই জন্যে। মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব তাঁরই, তারপর তাঁরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।"মাওলানা জহুরুল হক
৬৩
অর্থাৎ সুপারিশ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা তো দূরের কথা নিজে নিজেই আল্লাহর দরবারে সুপারিশকারী হিসেবে যাবে সে শক্তিও কারো নেই। যাকে ইচ্ছা সুপারিশের অনুমতি দেয়া ও যাকে ইচ্ছা না দেয়া এবং যার জন্য ইচ্ছা সুপারিশ করতে দেয়া আর যার জন্য ইচ্ছা করতে না দেয়া সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর ইখাতিয়ারে। (শাফা’আত সম্পর্কে ইসলামী আকীদা ও শিরকমূলক আকীদার পার্থক্য বুঝার জন্য নিম্নোদ্বৃত স্থানসমূহে দেখুন। তাফহীমুল কুরআন, আল বাকারাহ, টীকা ২৮১ ; আল আন’আম, টীকা ৩৩ ; ইউনুস টীকা ৫ ও ২৪ ; হূদ, টীকা ৮৪ ও ১০৬ ; আর রা’দ, টীকা ১৯ ; আন নাহল, টীকা ৬৪, ৬৫, ৭৯ ; ত্বা-হা, টীকা ৮৫ ও ৮৬ ; আল আম্বিয়া, টীকা ২৭ ; আল হাজ্জ, টীকা ১২৫ আস সাবা, টীকা ৪০)
৪৪. বলুন, সকল সুপারিশ আল্লাহরই মালিকানাধীন, আসমানসমূহ ও যমীনের মালিকানা তাঁরই, তারপর তারই কাছে তোমাদেরকে প্রত্যাবর্তিত করা হবে।
(৪৪) বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই এখতিয়ারে,(1) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই, অতঃপর তাঁরই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হবে।’
(1) অর্থাৎ, সমস্ত ধরনের সুপারিশের মালিক হলেন একমাত্র আল্লাহ। তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ সুপারিশ করতে পারবে না। অতএব কেবল এক আল্লাহরই ইবাদত কেন করা হয় না, যাতে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যান এবং সুপারিশের জন্য কোন মাধ্যম খোঁজার প্রয়োজনই না পড়ে।