وَٱلَّذِي جَآءَ بِٱلصِّدۡقِ وَصَدَّقَ بِهِۦٓ أُوْلَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُتَّقُونَ

ওয়াল্লাযী জাআ বিসসিদকিওয়া সাদ্দাকা বিহীউলাইকা হুমুল মুত্তাকূন।উচ্চারণ

আর যে ব্যক্তি সত্য নিয়ে এসেছে এবং যারা তাকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে তারাই আযাব থেকে রক্ষা পাবে। ৫২ তাফহীমুল কুরআন

আর যে ব্যক্তি সত্য কথা নিয়ে আসে এবং নিজেও তা বিশ্বাস করে, এরূপ লোকই মুত্তাকী। #%১৭%#মুফতী তাকী উসমানী

যারা সত্য এনেছে এবং যারা সত্যকে সত্য বলে মেনেছে তারাইতো মুত্তাকী।মুজিবুর রহমান

যারা সত্য নিয়ে আগমন করছে এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে; তারাই তো খোদাভীরু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যারা সত্য এনেছে এবং যারা সত্যকে সত্য বলে মেনেছে তারাই তো মুত্তাকী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যে সত্য নিয়ে এসেছে এবং যে তা সত্য বলে মেনে নিয়েছে, তারাই হল মুত্তাকী।আল-বায়ান

যারা সত্য নিয়ে আগমণ করেছে এবং সত্যকে সত্য হিসেবে মেনে নিয়েছে, তারাই তো মুত্তাকী।তাইসিরুল

আর যারা সত্য নিয়ে এসেছে ও একে সত্য বলে স্বীকার করেছে এরাই খোদ মুত্তাকী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫২

৫২) অর্থাৎ কিয়ামতের দিন আল্লাহ‌ তা’আলার আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের হবে তাতে কোন্ লোকেরা শাস্তি লাভ করবে তা তোমরা আজই শুনে নাও। তাতে নিশ্চিতভাবে সে লোকেরাই শাস্তি পাবে যারা এ মিথ্যা আকীদা গড়ে নিয়েছিল যে, আল্লাহর সত্তা, গুণাবলী, ইখতিয়ার এবং অধিকারে অন্য কিছু সত্তাও শরীক আছে। তাদের আরো বড় অপরাধ ছিল এই যে, তাদের সামনে সত্য পেশ করা হয়েছে কিন্তু তারা তা মানেনি। বরং যিনি সত্য পেশ করেছেন উল্টো তাকেই মিথ্যাবাদী বলে আখ্যায়িত করেছে।

পক্ষান্তরে যিনি সত্য এনেছেন আর যারা তা সত্য বলে মেনে নিয়েছে আল্লাহর আদালতে তাদের শাস্তি পাওয়ার কোন প্রশ্ন ওঠে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ আল্লাহভীরুদের পরিচয় হল, তারা সদা সত্য বলে, সত্য উপস্থিত করে এবং অন্যের উপস্থাপিত সত্যকে বিশ্বাস করে। আয়াতটির আরেক অর্থ হতে পারে, ‘যে ব্যক্তি সত্য কথা নিয়ে আসে (অর্থাৎ নবী-রাসূল) এবং যে তা বিশ্বাস করে (অর্থাৎ নবীর অনুসারী) এই উভয় শ্রেণীর লোকই মুত্তাকী। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৩. আর যে সত্য নিয়ে এসেছে এবং যে তা সত্য বলে মেনেছে তারাই তো মুত্তাকী।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৩) যারা সত্য এনেছে(1) এবং সত্যকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে,(2) তারাই তো আল্লাহ-ভীরু।

(1) এ থেকে নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে বুঝানো হয়েছে। যিনি সত্য দ্বীন নিয়ে আগমন করেছেন। কারো কারো নিকট এ কথাটি সাধারণ এবং এর লক্ষ্য এমন সকল ব্যক্তি, যারা তাওহীদের দাওয়াত দেয় এবং আল্লাহর শরীয়তের প্রতি মানুষকে পথপ্রদর্শন করে।

(2) কেউ কেউ এ থেকে আবূ বাকার (রাঃ)-কে বুঝিয়েছেন। যিনি সর্ব প্রথম রসূল (সাঃ)-এর সত্যায়ন করেছেন এবং তাঁর উপর ঈমান এনেছেন। আবার কেউ কেউ এটাকে সাধারণ গণ্য করেছেন। যা সেই সমস্ত মু’মিনকে শামিল করে, যারা রসূল (সাঃ)-এর রিসালতের প্রতি ঈমান রাখে এবং তাঁকে সত্য নবী বলে মনে করে।