আনতুম ‘আনহু মু‘রিদূন।উচ্চারণ
যা শুনে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও।” ৫৮ তাফহীমুল কুরআন
যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে রেখেছ। #%২৯%#মুফতী তাকী উসমানী
যা হতে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ।মুজিবুর রহমান
যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘যা হতে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তোমরা তা থেকে বিমুখ হয়ে আছ।’আল-বায়ান
যাত্থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ।তাইসিরুল
"এ থেকে তোমরা বিমুখ হচ্ছ।মাওলানা জহুরুল হক
৫৮
৫ আয়াতে কাফেরদের যে কথা বলা হয়েছে এটি তার জবাব। সেখানে বলা হয়েছেঃ “এ ব্যক্তি কি সমস্ত খোদার পরিবর্তে একজন খোদা বানিয়েছে? এ তো বড়ই অদ্ভুত কথা।” এর জবাবে বলা হচ্ছে, তোমরা যতই নাক সিটকাওনা কেন, অবশ্যই এটি একটি সত্য, এর সংবাদ আমি তোমাদের দিচ্ছি এবং তোমাদের নাক সিটকাবার ফলে এ সত্য বদলে যেতে পারে না।
এ জবাবে কেবলমাত্র সত্যের বর্ণনাই নেই বরং তার সত্য হবার প্রমাণও এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে। মুশরিকরা বলতো, অনেক উপাস্যের মধ্যে আল্লাহও একজন। তোমরা সমস্ত উপাস্যদেরকে খতম করে দিয়ে একজনকে মাত্র উপাস্য করে নিলে কেমন করে? এর জবাবে বলা হয়েছে, একমাত্র আল্লাহই প্রকৃত উপাস্য ও মাবুদ। কারণ তিনি সবার ওপর আধিপত্য বিস্তারকারী, আকাশ, পৃথিবীর মালিক এবং বিশ্ব-জাহানের সমস্ত জিনিস তাঁর মালিকানাধীন। তাঁকে বাদ দিয়ে এ বিশ্ব-জাহানে যেসব সত্তাকে তোমরা মাবুদ বানিয়ে রেখেছো তাদের মধ্যে কোন একটি সত্তাও এমন নেই, যে তাঁর অধীন ও গোলাম নয়। এসব কর্তৃত্বাধীন ও গোলাম সত্তা সেই সর্বময় কর্তৃত্বকারী ও প্রাধান্য বিস্তারকারী সত্তার কর্তৃত্বে শরীক হতে পারে কেমন করে? কোন্ অধিকারে এদেরকে মাবুদ ও উপাস্য গণ্য করা যেতে পারে?
নবীদের ঘটনাবলী ও কিয়ামতের অবস্থাদি বর্ণনার পর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হচ্ছে, কাফেরদেরকে বলুন, তোমরা এসব ঘটনার মধ্যে চিন্তা করলে এর ভেতর আমার নবুওয়াতের প্রমাণ পাবে। কেননা আমার কাছে এসব বিষয়ে জ্ঞান লাভের আর কোন মাধ্যম নেই। আমি যা কিছু বলছি নিঃসন্দেহে তা ওহীর মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। কিন্তু তোমরা তো ওহী দ্বারা প্রাপ্ত এ উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখছ।
৬৮. যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ।
(৬৮) যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ।