بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فِي عِزَّةٖ وَشِقَاقٖ

বালিল্লাযীনা কাফারূফী ‘ইঝঝাতিওঁ ওয়াশিক-ক।উচ্চারণ

বরং এরাই, যারা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে, প্রচণ্ড অহংকার ও জিদে লিপ্ত হয়েছে। তাফহীমুল কুরআন

যারা কুফর অবলম্বন করেছে, তারা কেবল (এ কারণেই তা অবলম্বন করেছে যে, তারা) আত্মম্ভরিতা ও হঠকারিতায় লিপ্ত রয়েছে। মুফতী তাকী উসমানী

কিন্তু কাফিরেরা ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবে আছে।মুজিবুর রহমান

বরং যারা কাফের, তারা অহংকার ও বিরোধিতায় লিপ্ত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কিন্তু কাফিররা ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবিয়া আছে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত কাফিররা আত্মম্ভরিতা ও বিরোধিতায় রয়েছে।আল-বায়ান

কিন্তু কাফিররা আত্মম্ভরিতা আর বিরোধিতায় নিমজ্জিত।তাইসিরুল

কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা আ‌ত্মাভিমানে ও দলপাকানোয় মগ্ন রয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

যদি ইবনে আব্বাস ও দ্বাহ্‌হাক বর্ণিত সা-দ-এর ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়, তাহলে এ বাক্যের অর্থ হবে, “জ্ঞানপূর্ণ বা উপদেশমালায় পরিপূর্ণ কুরআনের কসম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য কথা উপস্থাপন করছেন। কিন্তু যারা অস্বীকার করার ওপর অবিচল রয়েছে তারা আসলে জিদ ও অহংকারে লিপ্ত হয়েছে।” আর যদি সা-দকে এমন সব হরফে মুকাত্তা’আতের অন্তর্ভুক্ত করা হয় যাদের অর্থ নির্ধারণ করা যেতে পারে না তাহলে এখানে বলতে হবে কসমের জবাব উহ্য রয়েছে যা “বরং” তার পরবর্তী বাক্যাংশ নিজেই একথা প্রকাশ করছে। অর্থাৎ এ অবস্থায় সম্পূর্ণ বাক্যটি এভাবে হবে, “এ অস্বীকারকারীদের অস্বীকার করার কারণ এ নয় যে, তাদের সামনে যে দ্বীন পেশ করা হচ্ছে তার মধ্যে কোন ত্রুটি আছে অথবা মুহাম্মাদ ﷺ তাদের সামনে সত্য প্রকাশে কোন ত্রুটি করেছেন, বরং এর কারণ হচ্ছে কেবলমাত্র তাদের মিথ্যা অহংকার, তাদের জাহেলী আত্মম্ভরিতা এবং তাদের হঠকারিতা, আর উপদেশে পরিপূর্ণ এ কুরআন এ ব্যাপারে সাক্ষী, যা দেখে প্রত্যেক নিরপেক্ষ ব্যক্তি স্বীকার করবে যে, এর মধ্যে উপদেশ দেবার দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করা হয়েছে।”

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

আল্লামা আলূসী (রহ.) اظهر (বেশি স্পষ্ট) বলে আয়াতের যে তারকীব (বিন্যাস প্রণালী) বর্ণনা করেছেন (রূহুল মাআনী, ২৩ খণ্ড ২১৭ পৃষ্ঠা) সে হিসেবেই এ তরজমা করা হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

২. বরং কাফিররা ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় নিপতিত আছে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২) কিন্তু অবিশ্বাসীরা ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবে আছে। (1)

(1) অর্থাৎ, এই কুরআন অবশ্যই সন্দেহমুক্ত এবং এর দ্বারা যারা শিক্ষা অর্জন করতে চায় তাদের জন্য নসীহত। তবে এর দ্বারা কাফেরদের কোন উপকার হয় না। কারণ তাদের মনে অহংকার ও গর্ব আছে এবং অন্তরে আছে শত্রুতা ও বিরোধিতা। عِزَّة -শব্দটির অর্থ হয়ঃ সত্যের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করা।