أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّا خَلَقۡنَا لَهُم مِّمَّا عَمِلَتۡ أَيۡدِينَآ أَنۡعَٰمٗا فَهُمۡ لَهَا مَٰلِكُونَ

আওয়ালাম ইয়ারও আন্না-খালাকনা- লাহুম মিম্মা- ‘আমিলাত আইদীনাআন‘আ-মান ফাহুম লাহা-মা-লিকূন।উচ্চারণ

এরা কি দেখে না, আমি নিজের হাতে তৈরী জিনিসের ৬০ মধ্য থেকে এদের জন্য সৃষ্টি করেছি গবাদি পশু এবং এখন এরা তার মালিক। তাফহীমুল কুরআন

তারা কি দেখেনি যে, আমি নিজ হাতে সৃষ্ট বস্তু রাজির মধ্যে তাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তারাই তার মালিক হয়ে গেছে?মুফতী তাকী উসমানী

তারা কি লক্ষ্য করেনা যে, নিজ হতে সৃষ্ট বস্তুর মধ্যে তাদের জন্য আমি সৃষ্টি করেছি গৃহ পালিত পশু এবং তারাই ওগুলির অধিকারী।মুজিবুর রহমান

তারা কি দেখে না, তাদের জন্যে আমি আমার নিজ হাতের তৈরী বস্তুর দ্বারা চতুস্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তারাই এগুলোর মালিক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা কি লক্ষ্য করে না যে, আমার হাতে সৃষ্ট বস্তুসমূহের মধ্যে এদের জন্যে আমি সৃষ্টি করেছি ‘আন‘আম’ এবং এরাই এইগুলির অধিকারী ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখেনি, আমার হাতের তৈরী বস্তুসমূহের মধ্যে আমি তাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তারা হল এগুলোর মালিক।আল-বায়ান

তারা কি দেখে না যে আমার হাতে তৈরি জিনিসগুলোর মধ্যে আমি তাদের জন্য সৃষ্টি করেছি গৃহপালিত পশু আর এখন তারা এগুলোর মালিক!তাইসিরুল

তারা কি লক্ষ্য করে নি যে আমরাই তো তাদের জন্য সৃষ্টি করেছি আমাদের হাত যা বানিয়েছে তা থেকে গবাদি-পশুগুলো, তারপর তারাই এগুলোর মালিক হয়ে যায়?মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৬০

হাত শব্দটি আল্লাহ‌র জন্য রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, এর অর্থ এ নয় যে, নাউযুবিল্লাহ পবিত্র ও মহান আল্লাহ‌ শরীর ও দেহাবয়বের অধিকারী এবং মানুষের মতো হাত দিয়ে কাজ করেন। বরং এর মাধ্যমে একথাই বুঝানো হয়েছে যে, এ জিনিসগুলো আল্লাহ‌ নিজেই তৈরী করেছেন এবং এগুলোর সৃষ্টিকর্মের অন্য কারো সামান্যতমও অংশ নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭১. আর তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমাদের হাত যা তৈরী করেছে তা থেকে তাদের জন্য আমরা সৃষ্টি করেছি গবাদিপশুসমূহ অতঃপর তারাই এগুলোর অধিকারী?(১)

(১) আয়াতে চতুষ্পদ জন্তু সৃজনে মানুষের উপকারিতা এবং প্রকৃতির অসাধারণ কারিগরি উল্লেখ করার সাথে আল্লাহ তা'আলার আরও একটি মহা অনুগ্রহ বিধৃত হয়েছে। তা এই যে, চতুষ্পদ জন্তু সৃজনে মানুষের কোনই হাত নেই। এগুলো একান্তভাবে প্রকৃতির স্বহস্তে নির্মিত। আল্লাহ তা'আলা মুমিনকে কেবল চতুষ্পদ জন্তু দ্বারা উপকার লাভের সুযোগ ও অনুমতিই দেননি, বরং তাদেরকে এগুলোর মালিকও করে দিয়েছেন। ফলে তারা এগুলোতে সর্ব প্রকারে মালিকসুলভ অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। নিজে এগুলোকে কাজে লাগাতে পারে অথবা এগুলো বিক্রি করে সে মূল্য দ্বারা উপকৃত হতে পারে। (দেখুন: তাবারী, সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭১) ওরা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি নিজ হাতে যা সৃষ্টি করেছি(1) তার মধ্যে ওদের জন্য সৃষ্টি করেছি পশু(2) এবং ওরাই এগুলির মালিক? (3)

(1) এতে অন্য কারো অংশীদার হওয়ার কথা খন্ডন করা হয়েছে। অর্থাৎ, যা আমি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি; যার সৃষ্টিতে অন্য কারোর কোন প্রকার অংশ নেই।

(2)- أَنْعَامٌ نَعَمٌ এর বহুবচন। যার অর্থ চতুষ্পদ জন্তু; অর্থাৎ উট, গরু, ছাগল এবং ভেঁড়া-দুম্বা।

(3) অর্থাৎ, তারা তা ইচ্ছামত ব্যবহার করে। যদি আমি তাদের মধ্যে (অন্য কিছু জন্তুর মত) হিংস্রতা ভরে দিতাম, তাহলে এই সকল পশু পোষ না মেনে তাদের কাছ থেকে দূরে পালাত এবং তা তাদের অধীনে ও মালিকানায় আসত না।