ওয়া আকছামূবিল্লা-হি জাহদা আইমা-নিহিম লাইন জাআহুম নাযীরুল্লাইয়াকূনুন্না আহদামিন ইহদাল উমামি ফালাম্মা-জাআহুম নাযীরুম মা-ঝা-দাহুম ইল্লা-নুফূর-।উচ্চারণ
তারা শক্ত কসম খেয়ে বলতো, যদি কোন সতর্ককারী তাদের কাছে আসতো তাহলে তারা দুনিয়ার প্রত্যেক জাতির তুলনায় বেশী সৎপথের অনুগামী হতো। ৭১ কিন্তু যখন সতর্ককারী তাদের কাছে এলো তখন তার আগমন তাদের মধ্যে সত্য থেকে পলায়ন ছাড়া আর কোন জিনিষের বৃদ্ধি ঘটায়নি। তাফহীমুল কুরআন
(পূর্বে) তারা অত্যন্ত জোরালো শপথ করেছিল যে, যদি তাদের কাছে কোন সতর্ককারী (নবী) আসে তবে তারা অন্যান্য উম্মত অপেক্ষা অধিকতর হেদায়াত গ্রহীতা হবে, #%১২%# কিন্তু যখন তাদের কাছে এক সতর্ককারী আসল, তখন তার আগমন তাদের সত্য-বিমুখতাই বৃদ্ধি করলমুফতী তাকী উসমানী
তারা দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর শপথ করে বলত যে, তাদের নিকট কোন সতর্ককারী এলে তারা অন্য সব সম্প্রদায় অপেক্ষা সৎ পথের অধিকতর অনুসারী হবে। কিন্তু তাদের নিকট যখন সতর্ককারী এলো তখন তারা শুধু তাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করল –মুজিবুর রহমান
তারা জোর শপথ করে বলত, তাদের কাছে কোন সতর্ককারী আগমন করলে তারা অন্য যে কোন সম্প্রদায় অপেক্ষা অধিকতর সৎপথে চলবে। অতঃপর যখন তাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করল, তখন তাদের ঘৃণাই কেবল বেড়ে গেল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা দৃঢ়তার সঙ্গে আল্লাহ্ র শপথ করে বলত যে, এদের নিকট কোন সতর্ককারী আসলে এরা অন্য সকল সম্প্রদায় অপেক্ষা সৎপথের অধিকতর অনুসারী হবে; কিন্তু এদের নিকট যখন সতর্ককারী এলো তখন তা কেবল এদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করল- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তারা দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর নামে কসম করে বলত যে, যদি তাদের কাছে কোন সতর্ককারী আসে, তাহলে তারা অবশ্যই অন্য যে কোন জাতির চেয়ে অধিক হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে; কিন্তু যখন তাদের নিকট সতর্ককারী আসল, তখন তা কেবল তাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করল-আল-বায়ান
আর তারা (অর্থাৎ মক্কার মুশরিকরা) শক্তভাবে কসম খেয়ে বলত যে, তাদের কাছে সতর্ককারী আসলে তারা অন্য যে কোন সম্প্রদায়ের চেয়ে অবশ্য অবশ্যই সৎ পথের অধিক অনুসারী হয়ে যাবে। কিন্তু তাদের কাছে যখন সতর্ককারী আসল, তা বাড়িয়েই তুলল তাদের ঘৃণা,তাইসিরুল
আর তারা আল্লাহ্র নামে শপথ খায় তাদের সব চাইতে জোরালো শপথের দ্বারা যে যদি তাদের কাছে একজন সতর্ককারী আসতেন তাহলে তারা নিশ্চয়ই অন্যান্য সম্প্রদায়ের যে কোনোটির চেয়ে অধিকতর সৎপথাবলন্বী হতো। কিন্তু যখন তাদের কাছে একজন সতর্ককারী এলেন তখন তাতে বিতৃষ্ণা ব্যতীত তাদের আর কিছুই বাড়লো না, --মাওলানা জহুরুল হক
৭১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবির্ভাবের পূর্বে আরবের লোকেরা সাধারণভাবে এবং কুরাইশরা বিশেষভাবে ইহুদি ও খৃস্টানদের বিকৃত নৈতিক অবস্থা দেখে একথা বলতো। তাদের এ উক্তি ইতিপূর্বে সূরা আল আন’আমেও (১৫৬-১৫৭ আয়াত) উল্লেখিত হয়েছে এবং সামনে সূরা সাফফাতেও (১৬৭-১৬৯ আয়াত) আসছে।
সম্ভবত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের আগে কুরাইশ কাফেরগণ ইয়াহুদী ও নাসারাদের সাথে বিতর্ক প্রসঙ্গে জোরদার কসম খেয়েছিল যে, আমাদের কাছে কোন নবী আসলে আমরা অন্য সব জাতি অপেক্ষা হেদায়াত বেশি কবুল করব ও তাঁর অনুসরণে সবার অগ্রগামী থাকব, কিন্তু যখন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আবির্ভাব ঘটল তখন তারা তাঁর কথায় একদম ভ্রুক্ষেপ করল না; উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে নানা রকমের চক্রান্ত আঁটতে থাকল।
৪২. আর তারা দৃঢ়তার সাথে আল্লাহ্র শপথ করে বলত যে, তাদের কাছে কোন সতর্ককারী আসলে এরা অন্য সকল জাতির চেয়ে সৎপথের অধিকতর অনুসারী হবে; অতঃপর যখন এদের কাছে সতর্ককারী আসল(১), তখন তা শুধু তাদের বিমুখতা ও দূরত্বই বৃদ্ধি করল—
(১) অর্থাৎ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (তাবারী)
(৪২) এরা দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর শপথ করে বলত যে, এদের নিকট কোন সতর্ককারী এলে এরা অবশ্যই অন্য সকল সম্প্রদায় অপেক্ষা অধিকতর সৎপথের অনুসারী হবে;(1) কিন্তু এদের নিকট যখন সতর্ককারী এল,(2) তখন তা কেবল এদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করল।
(1) এখানে আল্লাহ তাআলা বর্ণনা করছেন যে, নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে প্রেরণের পূর্বে এই আরববাসী মুশরিকরা শপথ করে বলত যে, যদি আমাদের নিকট কোন রসূল আসে, তবে আমরা তাঁকে সবাগত জানাব এবং তাঁর প্রতি ঈমান আনাতে এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করব। এই বিষয়টি অন্য স্থানেও বর্ণনা করা হয়েছে; যেমন সূরা আনআম ১৫৬-১৫৭ আয়াত, স্বাফ্ফাত ১৬৭-১৭০ আয়াত।
(2) অর্থাৎ, মুহাম্মাদ (সাঃ) যখন তাদের নিকট নবী হয়ে এলেন, যাঁর তারা আকাঙ্ক্ষী ছিল।